অভিমান

নীল আকাশে, ফিনিক্সের রোদ্দুর আজ আর কই? সারা দিন আজ আকাশ মেঘলা… অবেলায় চোখের পাতায় নোনা জল, গাল বেয়ে বৃষ্টি গড়িয়ে ভেজে বুক, ভেজে ফেলে আসা পথ…….. সময় যায় ,পথ চায়, অপেক্ষায় ব্যথার তাপে গলা শুকিয়ে কাঠ ব্যথার যন্ত্রনায় বুক ফাঁটে … মেঘ কেটে ব্যথায় নীল আকাশ @ বাড়ি, তারিখ-১৬/০৩/১৩ সময়-১১ঃ৫০ রাত

ক্যাকটাস

ক্যাকটাস @ এজহারুল এইচ শেখ কেটেছে আঘাতে, নাকি নীল জখম! কুঁয়োর অন্ধকারে রাত ঝুকে উঁকি মারে, ভার্টুয়াল প্রহেলিকা ফালি ফালি কালি মাখা, চাঁদ গুঁড়ো… কেন সন্ধ্যের সাদা-নীল পাতা এত কেন লাল! উঁকি মারলেই, শোনো হাহাকার বিকার চিৎকার! লাল চোখে, ভোরের ম্লান হাসি অশ্রু মোছে শিশির লোনা জল! দক্ষিণা বাতাসে, ভেজা ঘাঁ-এ ইউরেনিয়াম পড়ে, মেঘ বেয়ে [বিস্তারিত ক্যাকটাস]

তোমার চোখ এতো লাল কেন? ………নির্মলেন্দু গুণের কবিতা

তোমার চোখ এতো লাল কেন? ……………………নির্মলেন্দু গুণ আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে , আমি চাই কেউ একজন আমার জন্য অপেক্ষা করুক, শুধু ঘরের ভেতর থেকে দরোজা খুলে দেবার জন্য । বাইরে থেকে দরোজা খুলতে খুলতে আমি এখন ক্লান্ত । আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে, আমি চাই কেউ আমাকে খেতে দিক । আমি হাতপাখা নিয়ে কাউকে [বিস্তারিত তোমার চোখ এতো লাল কেন? ………নির্মলেন্দু গুণের কবিতা]

বাসন্তী কাঁদে

ধু ধু রোদে ফাল্গুনী, আম গাছে উল্কি মারে টিপ টিপ করে ঝরে পড়ে বকুলের গুঁড়ি গুঁড়ি প্লুটোনিয়াম, কোকিলের কালো রিবনের গায়! বুকের পাঁজরে দিন মাস, প্রতীক্ষা ঘুরে পাক খায়! অভুক্ত বুবুক্ষু দেহে কাকের ঠোঁট পড়ে এক বার দুই বার… পথের বাউলের স্বর ছিঁড়ে মজ্জায়! ধ্বনি, প্রতিধ্বনি, চিৎকার, গর্ভ-ভেদী বাসন্তীর ঝঙ্কারে, আকাশের অন্তর্বাস বেয়ে নামে বীর্য [বিস্তারিত বাসন্তী কাঁদে]

*নারী*

রাতে ডেকে ,ঘুম থেকে তুলে ভাত খাওয়ায়, খাওয়ার সময় পাতে দুই চোখ-আদুরে মন পড়ে থাকে, গ্লাসে জল শেষ হলে কলসির থেকে জল ঢেলে দেয়,পাতে আবার উপোরিও দেয়, ঘুমানোর সময় মশারি না টাঙালে বকা দেয়, মাঝে মাঝে নিজেই আমার বিছানা ঝেড়ে, মশারি বালিশের তলায় যত্ন হাতে গুঁজে ঘুমাতে যায়, জ্বর হলে এখনও আমাকে কোলের কাছে নিয়ে [বিস্তারিত *নারী*]

দড়ির ফাঁস

মা দুপুরের রোদে ফ্যানে তুষ দিয়ে, আদর করে বলে হুড়োস না বিরাগ! হাঁ-ম্বে -ডাক নিয়ে গাভী মায়ের পথ চায় , তুষ -ফ্যান শেষ!কিন্তু… তুই বয়!বিকেলে দেবো লতা আর পাতা, গাভীর সন্ধ্যের আলোয় চোখে জল! জলেরই বা মূল্য কত,.. বিধবা যুবতীর রতি-ক্রিয়ার মতো ওতো না… গাভীর কান্নায় পাপ পড়ে না সাত-পুরুষ জানে, কারন পূর্ব-পুরুষ সত্যাগ্রহী-সবল! বিরাগ [বিস্তারিত দড়ির ফাঁস]

স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো

স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো কবি : নির্মলেন্দু গুন একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে: ‘কখন আসবে কবি?’ এই শিশু পার্ক সেদিন ছিল না, এই বৃক্ষে ফুলে শোভিত উদ্যান সেদিন ছিল না, এই তন্দ্রাচ্ছন্ন বিবর্ণ বিকেল সেদিন [বিস্তারিত স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো]

বিধর্মী

বদনার নলে পাইপ লাগিয়ে, অনন্তকাল ধরে মৌলবাদী টানে, এক প্যাক, দুই প্যাক…………। মাতালের নেশা সকাল গেলেই শেষ, বদনার নেশায় হেরোইন ধমনীতে বয়ে যায়, রক্তের শিরায় সাপের খোলোস মোচন হয়! সাপের ভয়ে মা মুখে সুপোরি পর্যন্ত ছুঁতে দেয় না, পান তো দূরের কথা……….! মা হেলনায় ঝুলতো আর বলতো………. মুচি পাড়ার মুচি রাই নাকি মদ খায়,যারা জুতো [বিস্তারিত বিধর্মী]

নোংরা @ এজহারুল এইচ শেখ

চালের বাতায় গোঁজা চিঠিতে অলক্ষ্যে চোখ পড়ে, ঝাটার সময়ও মা পড়ে না,জানেও না! কাগজের ব্যথা! ঘুনপোকায়, ধুলোয়, মাকড়সার জালে বসে, চিঠিগুলো হয় কালো-ধূসর! অক্ষরগুলো ঝুল -কালিতে ধূসর ও কালো, একে অপরে ঘাড়ে পড়ে,ইতিহাস ধূসর .…! হরপ্পা সভ্যতার তীরে দাঁড়িয়ে, শিরা বেয়ে নামে শুধু কাদা-জল, ধোয়াটে অতীত মিলিয়ে যায় পারায়! জীবাশ্মের হা-পিত্তেস ভক্ষক চুন-সুর্কি, বয়ে বেড়ায় [বিস্তারিত নোংরা @ এজহারুল এইচ শেখ]

পাপী-বসন্ত

ফাল্গুন মাস নদীর পাড় বেয়ে কৃষ্নচূড়া,প্রেম-পাপ উৎসব! কোকিলের ডাক মেশে হামানদিস্তার শব্দে ফিরে আসে,থেতো কলিজা-শব! কলিজা শুকায় কংসাবতী ধু ধু বালি কাঁকর বুক,নির্জলা- উপবাস! ফরজও না, নফলও না,-স্বেচ্ছায় বনলতার আগাছা দমনের আভাস,সৎ অন্তর্যামী-পরিহাস! শিমূলের ঠোঁট-দেহে নদীর কোনো কালেই দৈহিক থাকে না মোহ,অনন্তহীন ভালোবাসার উচ্ছাস! ভেজাচোখ শুকায় তপ্ত বালি-মরীচিকায়,চিক চিক কান্না না হাসি! স্রোতস্বিনীর বুকে বাঁধ-রুদ্ধ [বিস্তারিত পাপী-বসন্ত]

ব্ল্যাক

ধরিত্রীর দেহে, কাল-রাতের পেষণ! শিয়াল-কুকুরের, আঁচড়, কাঁমড়, চোষণ! ধর্ষন! গর্ভ দ্বারে ইস্পাত! ভেজে দ্বার ভেজে ঘাস, ঊষার দেহে রক্তপাত! ভেজা-লাল দিগন্তে দিবালোকের দিনারম্ভ, আজান কীর্তন মন্দির গমন, মসজিদে গমন যীশু দর্শণ! দর্শণ মন সাধ বাদ, বাদ সাধ ভক্তিবাদ! সুফিবাদ! সাধুর প্রেমে প্রেম জীবে, জড়ে দয়া নারী শ্রদ্ধা, সাধু! সাধু! নামাজী! নামাজী! সাধু নামাজী, সহাবস্থান জীবন! [বিস্তারিত ব্ল্যাক]

নীলখাম

ডাক- বাক্সের ধুলো ঝরে যায় দিন- মাস- কালে নীলকান্ত প্রহর গোনে নীল-খামে কখন ভেসে আসবে আগমনী বার্তা লক্ষী-পেচাঁর রাতের ব্যথা বোঝে না কোনো কর্তা কুকুরে নালে শুধু বয় যায় হাঁ- পিত্তেস বুকে শুধু তাপ-হীন মরচে নিঃশেষ অকালে জিরাফের চোখে এক-বুক রক্ত-জল খোঁজে ঋতু-স্রাবে চোখ ভেজে না- যৌবন ভেজে সুর্যের সরনে যুবকই শুধু অকাল-বৃদ্ধ হয় প্রেম [বিস্তারিত নীলখাম]

শিখা,আল্পনা ও আমি

কবিতা কে কি কারনে লেখে আমি জানি না!আমার মোমের আলোর কান্না যখন আমার বুকের উপর পড়ে ,আল্পনা আঁকে, তখন তোমরা বলো কবিতার আল্পনা।আমি একে বলি,’মোমের দহন-যন্ত্রনা’! যতদিন মোম শিখা হয়ে জ্বলবে ততদিন এই ভাবে বুকের বেলাভূমিতে মোমের কান্না-জল আল্পনার হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। যে দিন মোমের শিখা নিভে যাবে,সেই দিন আমি হবো নিঃশেষ। পড়ে রবে শুধু [বিস্তারিত শিখা,আল্পনা ও আমি]

প্লেট-টেকটনিক

ঝর্না মেয়েটা পুরো চন্ডী! ওর পায়ে বয়ে যায় খরস্রোত নদী! শরীরে আমার জমে ওঠে পলি -কাদা- জল! ও আমার চেয়ে এক স্তর নীচু! আমি উত্তর পানে চায় তো, ও দক্ষিন মেরু! দুজনের এক জায়গায় মিল, একটাই বুক! একটাই তল! ছোট্ট বেলায় পুতুলের সঙ্গে পুতুলের বিয়ে হয়।ও বিন আমি বেয়ায়!বুকে আমার দুঃখ,সূর্য,রোদ,ঝড় সাজিয়ে রাখি।ওর সিন্দুক বসিয়ে [বিস্তারিত প্লেট-টেকটনিক]

চোর

মধ্যরাতে, ঝড়ের সাথে, বজ্রপাতে, জানের ভয়ে ছুটছি আমি নিচ্ছি না দম তিলেক। ঐ দেখা যায় আবছা কায়ায় দখিন পাড়ায়, আশায় বসে মেয়ে আমার। সামনে শুধু বিল এক। রহিম চাচার বাড়ির মাচার ডিমের খাঁচার কয়েকটা ডিম নিলাম নাহয়, দোষ কি খুবি তাতে? কিন্তু ওরা কী বেয়াড়া! করছে তাড়া, খুব নিরীহ এই আমাকে একলা গভীর রাতে। সন্ধ্যে [বিস্তারিত চোর]