আর কতদিন পুড়তে হবে? ভিতরে আগুন আগুন আগুন। ব্যাথাতুর হৃদয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়না। বেদনার নীল আগুন দখলে নিয়েছে টকটকে লাল হৃদপিন্ড। একদিন ওটা ভীষন ভালোবাসাময় ছিলো! সত্যিই বলছি, তোমাকে দেবার মতো ওই একটাইতো কিছু ছিল আমার! আমি কি ভীষন রকম লাজুক ছিলাম বলোতো? তোমাকে ভালোবাসি,শুধু এটুকুই .... তোমাকে ভেবে কত রাত বলেছি বালিশে ভোরের সূর্যকে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
কোনো উপমাই বাকী রাখোনি তাই ফোঁটেনা উপমার কোনো ফুল আমি নিত্য-নতূন একেকটি শব্দ সাজিয়ে দেখি সেই সকল শব্দে কিংবা বাক্যে তোমারই আনাগোণা আমার খুব রাগ হয় আবার গোপন অভিমান কতো চেষ্টা করেছি তোমার স্পর্শহীন উপমার ফুল দিয়ে একটি অনুভূতি বৃক্ষের জন্ম দিতে স্থির আকাশের নীল থেকে চলমান মেঘ নিয়ে গহীন অরণ্যের চঞ্চল সবুজ পাতাকে ভিঁজিয়ে… [বিস্তারিত]
ঘুমন্ত বাংলাদেশ,সময়ের চক্রাকারে ঘুমন্ত পৃথিবীর জীব জন্তু।গত হয়ে যাওয়া অন্যান্য রাতের ন্যায় আজ জোৎস্না ভরা চন্দ্রের আলো নেই,ঝিঝি পোকারাও লোকায়িত কোন নিরাপদ স্থানে,নেই শহরের আনাচে কানাচে লোকারন্যের কোলাহলের শব্দ দূষন,রাজ পথগুলোতে কেবল সুডিয়াম লাইটগুলো জনহীন ঠায় দাড়িয়ে।যদিও মাঝে মাঝে কিছু রিক্সাচালককে দেখা যাচ্ছে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যের দিকে এগুচ্ছে। তেমনি এক ভয়ার্ত পরিবেশে মা তার… [বিস্তারিত]
তড়িঘড়ি করে বাসে উঠেই বসে পড়লাম। পাশের সিটে একটা মেয়ে বসে আছে। ভদ্র এবং সুশীল মনে হচ্ছে। আমার দিকে ব্রু কুঁচকে বললো .... - সমস্যা কি? এত নড়াচড়া করছেন কেন? - আমি ব্রু কুচকে বললাম চুলকাচ্ছে। - মানে? -একটা লাল রংয়ের জাঙ্গিয়া কিনেছিলাম। সুপার ম্যান সাজবো বলে। কিন্তু শেষে ইচ্ছাটা মরে যায়! আজ প্যান্টের ভিতরে… [বিস্তারিত]
কেউ আমাকে নিয়ে একটা কবিতা লিখুক লিখুক আমি ফুল কনফিডেন্স নিয়ে বলি, আমি সুন্দরী রোদের আদর গায়ে মেখে ঘুরে বেড়াই শহর ছেড়ে গহীন অরণ্যে সাধের লাল চুল কর্মদোষে হয়েছে কমলা আর দোষটা দিক ঠিক আকাশকে। কেউ অন্তত লিখুক আমার প্রত্যেক বৃহস্পতিবারের চোষাময় দিনের কথা সাত সকালে যাত্রী ছাউনিতে বসে থাকা অবস্থায়; ক্রাশ খেয়েছিলাম হ্যান্ডসাম অন্যের… [বিস্তারিত]
যুদ্ধ শিশু অনাথ মেয়েটিকে যখন ভিনদেশী ধনাঢ্য ঘরে লালিত পালিত হচ্ছিল খুব যত্নসহ তখন গর্ভধারিনী তার মা আমাদের সমাজ,অবহেলিত এক সামাজিক ব্যধিতে রূপান্তরিত করছেন স্বদেশীয় কিছু অতি মুক্তি যোদ্ধা ভদ্রবেশী রাজাকারা।ওর মায়ের গল্প এখানেই এ সাধের স্বদেশেই লাঞ্ছিত করে সমাজ।- একদিন ....এক দিন স্ব-দেশ প্রেমকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জিন্দা লাশ হল গুম। ৴নন্দীনিকে আমি না.....ওর স্ব-দেশ… [বিস্তারিত]
বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোনো দেশে মসজিদ থেকে জুতো চুরি হয় কিনা আমার জানা নেই। এই জীবনে আমার দুইবার জুতো চুরি হয়েছে, এবং দুবারই মসজিদ থেকে। নামাজ পড়ে এসে দেখি জুতো নেই। আমার আসলে জুতো না স্যান্ডেল চুরি হয়েছিল দুবারই। স্যান্ডেল চোর বললে শুনতে ভালো লাগেনা, তাছারা চোরদের অপমান করা হয়। তাই জুতো চোর বলছি। আচ্ছা… [বিস্তারিত]
অভিমান ছিটকে পড়ে অমার্জনীয় সভ্যতার ভেষজদ্রব্যের ভেতর দূর্লভ অথচ মধ্যবিত্ত অনুভূতির দোলনায় দুলতে থাকে একটি ভেঁজাল হৃদয় একরকমের জড় পদার্থর মতো। রাত্রির অন্ধকারে নিরুদ্দেশ জীবন যেনো পুড়তে থাকে তাপদগ্ধতার গন্ডিতে সকলেই জানে কতোটা তীক্ষ্ণ হয় বিদ্রূপের ভাষা এবং অবহেলার মর্মকথা। আত্মসংজ্ঞার উত্তর খোঁজা বড়ো কঠিন অলস দুপুরের কোল ছুঁয়ে শত যুগের নীরবতা ভাঙ্গাও সহজ নয়… [বিস্তারিত]
মেয়েটা বললো " I love You... ছেলেটা বললো " হু.... মেয়েটা কিঞ্চিত অবাক হইয়া বলিলো " হু মানে! এতদিন আমার পিছে ঘুর ঘুর করছো! আমি ভাবলাম তুমি লজ্জা পাচ্ছ বলতে! তাই আমিই বললাম! আর এখন ভাব ধরো!! ছেলেটা বললো " হু..... অতপর মেয়েটা কেঁদে দিলো। ;( তারপর ছেলেটা মেয়েটার চোখের দিকে তাকালো! হাত ধরলো শক্ত… [বিস্তারিত]
প্রিয় দুপুর, কি খাবে বলো? কয়েকটা লাইন কবিতা আর এক গ্লাস ক্লান্ত গল্প সাথে থাকছে সাগরের অভিমান আর অর্ধেক কাঁচা দেহ ভাবতেই লাগছে ভাল তাইনা? আসো আজ একসাথে করি খেলা গলে যাই স্বইচ্ছায় পঁচে যাব আকাশের মত মাটি থেকে উঠে আসি হাত ধরে আমাদেরও ভোজন প্রয়োজন একে অপরের জন্যে... [বিস্তারিত]
মধ্যরাত পেরোনো শহুরে একটা জানালা.....টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে বাইরে....হলুদ ল্যাম্প পোস্ট এর নিয়ন ঘেরা অন্ধকার আর জানালায় পড়া স্টুডিও লাইটের ‘আবছায়া’দের শেড দেখা যাচ্ছে কাঁচে... স্থির ক্যানভাস-জল রঙা মেঘের ছিটে লেগে ‘গতিময়তা’র রূপক হয়ে উঠছে প্রতি মুহূর্তে... জানালার এপাশে,গম্ভীর একটা ঘর-শৈল্পিক ভাবালুতা লেগে আছে যার সেখানে এখানে... মেঝেতে ছড়িয়ে থাকা ফুলস্কেপ বা এ ফোর সাইজের… [বিস্তারিত]
নির্ঘুম রাতের সংবিধান তারাদের নামে লিখে সাঁঝের আলোতে স্বপ্নের রং চটে হয়ে যায় ফিকে, এরই ফাকে সময়ের প্রশ্রয়ে চৌচির মন বাথানে আস্তর ফেলে যায় আরও কিছু বেহিসাবি ধুলি, ধূমায়িত জীবনের কাঁপে সন্ধ্যারা ফিরে এলে মনে পড়ে ফেলে আসা গোল্ডফ্লেকের সেই দিনগুলি । রাতের বারান্দায় চুপিসারে নেমে আসা এলোকেশী রোদ, কৈশোরের সবুজ দরোজায় মৃদু কড়া নেড়ে… [বিস্তারিত]
আমাকে দুঃখের শ্লোক কে শোনাবে? কে দেখাবে আমাকে দুঃখের চিহ্ন কী এমন, দুঃখ তো আমার সেই জন্ম থেকে জীবনের একমাত্র মৌলিক কাহিনী। আমার শৈশব বলে কিছু নেই আমার কৈশোর বলে কিছু নেই, আছে শুধু বিষাদের গহীন বিস্তার। দুঃখ তো আমার আমার হাত...হাতের আঙুল...আঙুলের নখ.. দুঃখের নিখুঁত চিত্র এ আমার আপাদমস্তক। আমার দুঃখ আছে কিন্তু আমি… [বিস্তারিত]
আমার মা শ্রী যুক্ত কুসুমকুমারী দাশ বরিশাল শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতায় বেথুন স্কুল’এ পড়তেন। খুব সম্ভব ফাষ্ট ক্লাশ অবধি পড়েছিলেন, তার পরেই তার বিয়ে হয়ে যায়। তিনি অনায়াসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ পরীক্ষায় খুব ভালোই করতে পারতেন, এ-বিষয়ে সন্তানদের চেয়ে তার বেশি শক্তি ছিল মনে হচ্ছে । পঁচিশ ত্রিশ চল্লিশ বছর আগে আমাদের বরিশালের বাড়িতে পরিবারের… [বিস্তারিত]
অপরাজিত .............................. ছুড়ে ফেলতে পার যত আমার দেয়া গোলাপ শত ঠোট বাকাতে পার অবজ্ঞায় কাদা লেপে আমার আশায়। অথবা তোমার শিয়ালনীর ছলাকলা বাড়িয়ে দিতে পারে আমার অন্তর্জালা, ভুলে যেতে পার আমার একনিষ্ঠতা ভালবাসাকে বানিয়ে দিয়ে ব্যার্থতা। জেনে রেখো তুমি বিনাযুদ্ধে ছাড়বোনা আমি সূচাগ্র ভূমি যে ভূমিতে তোমার জন্য বহমান নদী, তা যে কত খরস্রোতা তুমি… [বিস্তারিত]






