অস্পষ্টতা

আর কতদিন পুড়তে হবে?
ভিতরে আগুন আগুন আগুন।
ব্যাথাতুর হৃদয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়না।
বেদনার নীল আগুন দখলে নিয়েছে
টকটকে লাল হৃদপিন্ড।
একদিন ওটা ভীষন ভালোবাসাময় ছিলো!
সত্যিই বলছি, তোমাকে দেবার মতো ওই
একটাইতো কিছু ছিল আমার!
আমি কি ভীষন রকম লাজুক ছিলাম বলোতো?
তোমাকে ভালোবাসি,শুধু এটুকুই ….
তোমাকে ভেবে কত রাত বলেছি বালিশে
ভোরের সূর্যকে বলেছি,
প্রতিদিন জানালার চৌকাঠে ছিটানো দানা
খেতে আাসা পাখিটাও জানে।
ঘরের ঘুলঘুলিতে থাকা টিকটিকিটা
তিন পুরুষের গেরস্থালি নিয়ে –
আমার অক্ষমতাকে খুব জ্বালিয়ে দিয়ে যায়।
ওরা কি জানে?
তুমি তো বালিশের মতো সহজ নও মোটেই!
কিম্বা জানালার পাখিটা?
অথবা হতচ্ছাড়া টিকটিকিটার মতো কি তুমি?
তুমি তো দুর দুর বহুদুর শুধু!
হতে পারো পুবের আকাশ জোড়া রঙধনু,
নতুবা বিশাল সমুদ্রে উত্তাল ফেনারাশি,
নাকি তুমি ধু ধু বালুমাঠে হটাৎ মরিচিকা?
আজো অস্পষ্টতাই গেলনা আমার!!

মোট পড়েছেনঃ ৬৮৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪০টি মন্তব্য

  1. অত্যন্ত আবেগময় কবিতায় অনেক ভালোলাগা। আসলে প্রিয়কে কোন উপমাতেই মন শান্ত হয়না। নিজকে প্রশ্ন করতে হয় বারবার। অবশেষে অস্পষ্টই থেকে যান তিনি।

  2. লম্বা বিরতি নিয়ে এলেন আবার। শুভ প্রত্যাবর্তন।
    ভালো ছিলেন অবশ্যই এই সময়টায়………

    আবেগে সিক্ত হয়ে কত কথা বলি আমরা
    বিভিন্ন ভাবে কল্পনা করি, তারপরেও পুর্ন অবয়ব হয় না।

  3. এতদিন আপনার এমন সুন্দর কবিতা মিস করেছি আপু। কিছু মানুষের উপস্থিথি প্রশান্তি ছড়ায়। আপনি তেমন একজন। নিয়মিত হওয়া যায়না আপু? -{@

      1. যা সত্যি তাই বললাম আপু। এখানে আমরা একটি পরিবারের মত, কার লেখা কেমন তার একটি সুন্দর ধারনা আমরা পেয়ে গিয়েছি। লেখার মাধ্যমে লেখককে চিনে ফেলি আমি এবং আমরা। নিয়মিত হোন, আপনি তো আমাদেরই একজন আপু -{@ , সোনেলার একটি অংশ আপনি।

  4. পুরো হৃদয় নিংড়ানো আবেগে ভরা এক ভালবাসার কবিতা। ভাললাগলো।
    পড়াশুনার চাপ বেশী ? নিয়মিত নন কেন ? পরিবারে একটু ঢু মেরেই যাবেন মাঝেমধ্যে। ভালথাকুন।

    1. রিতু আপু অনেক ধন্যবাদ, কবিতা ভাল লেগেছে বলে আমারও ভাল লাগছে। অনেক ঝামেলা গেছে মাঝের সময়টাতে, চেষ্টা থাকবে নিয়মিত হওয়ার। আপনাদের সবার ভালবাসায় সত্যিই অামি অভিভূত।

  5. অনুভূতির প্রকাশ অনেক ভালো লাগলো।

    //ঘরের ঘুলঘুলিতে থাকা টিকটিকিটা
    তিন পুরুষের গেরস্থালি নিয়ে –
    আমার অক্ষমতাকে খুব জ্বালিয়ে দিয়ে যায়।//

    অনেক শুভকামনা কবি।

    ভালো থাকবেন। সবসময়।

  6. লেখা ভালো , চিন্তা– ভালো ,
    তবে কোন ছন্দ খুজে পাওয়া যায় নি ,
    ছন্দ হল পাঠকের চোখের তৃষ্ণা !

    লিখাতে– বিষয় ছিল, অনভুতি ছিল, অনেক কিছুর আকার ছিল, আবেগ গন বাতাস ছিল কিন্তু লেখার তাল ছিল না যার কারনে
    আপনার লিখার নৌকা ভালো লাগার তীরে ভিরতে পারে নি !

    দুঃখিত এমন টা বলার জন্য –

    আশা করি বুজবেন — আগামীর ভালোর পত্তাসা রইলো…।।

    1. ধন্যবাদ আপনাকে আপনার গঠন মূলক সমালোচনার জন্য।
      সবাই ছন্দ কবিতা লিখতে পারেনা, আর অনুভূতি প্রকাশের জন্য বাক্য অন্তে ছন্দমিলের প্রয়োজনীয়তা হয়তো আপনার মতো করে সবাইকে নাও টানতে পারে।
      প্রত্যেকেরই একটা স্বকীয় স্টাইল আছে, কাব্যের বিচারে হলো কি হলো না তা তো আপেক্ষিক।
      আশা করি বুঝবেন। ভাল থাকবেন।

      1. আর একটা কথা আপনার লেখায় বাংলা বানান ভুল এতো বেশি, একটু নজর দেবেন কি? বড্ড চোখে লাগে। “গন ” না ঘন হবে, “ভিরতে না ভিড়তে হবে, পত্তাশা না প্রত্যাশা হবে। ধন্যবাদ।

    2. সকাল স্বপ্ন ভাইয়া, কবিতায় ছন্দ থাকতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। একটি বিষয় একজন কবি ছন্দ দিয়েও প্রকাশ করতে পারেন, আবার ছন্দ না দিয়েও প্রকাশ করতে পারেন। কবিতায় ছন্দের মিল আবশ্যক নয়ে। আধুনিক কবিতার শত শত কবির কবিতা আছে যেখানে ছন্দের মিল নেই।

  7. ধন্যবাদ সবাই কে —–

    আস রাখি এভাবেই আমদের থাকা হবে পাশে—-
    বানানের ভুল সেটা আসলেই দুঃখ জনক কিন্তু কিকরি যখন অত চেষ্টার পরেও অব্র বাংলা অপশন টি আমার সাথে ফাজলামো করে !
    তার পরেও তাঁকে শাসন করবো—-
    ছন্দ —-
    ছন্দ এর ব্যাখ্যা মানে কি – সুধু এমন–

    হাসছে দেখ বাতাস খানি আকাস হয়েছে কালো
    তোমার সুরে প্রেমের দোলায় লাগছে অনেক ভালো<

    এটা ছন্দের একটা রুপ —–

    ছন্দের রুপ এমন অ হতে পারে —-

    নারীর জন্য পংক্তিমালা (২) — মাহ্ফুজ রাজন

    ও মেয়ে, তুমি অমন কাঁদো কেন ?
    রচনা করো কেন অমন
    দুঃখী নিঃশব্দের কবিতা ?
    তোমার একেকটি কান্নার মুহূর্ত
    বিষন্ন করে তোলে চারধার ,
    প্রকৃতির বেহালায় বাজে যেন
    দূর অতীতের কষ্টের সুর।
    নীলাকাশ তখন আর নীল থাকেনা
    হয়ে যায় দলা পাকানো কালির রাশি ,

    কিংবা—-

    বৃষ্টি ও মেয়েটি – বৈশালী চ্যাটার্জী

    ঘনিয়ে এল যখন মেঘের মায়া
    ডাকল আকাশ শীতল স্পর্শ করে
    ঠিক তখনই এই গল্পের শুরু
    ঠিক তখনই মন টেঁকে না ঘরে

    না, না, প্রেমের চপলতা নয়
    এ নয় অভিসারের উচাটন
    এসব বড়ই নিজস্ব পাগলামি
    কাজ ফেলে তাই হঠাৎ উদাস মন

    এমনিতে তো দিব্যি কাটে দিন
    ঠিক যেমনটি চললে সমীচীন
    যেমনটিতে আপত্তি নেই কারও
    তবু আকাশ উঠলে সেজে মেঘে
    মনের কোণে ছায়া ঘনায় তারও
    ————

    একজন লেখকের ছন্দের রেস তার মূল্যবান লেখায় রাখা উচিত
    স্তা যে রুপেই হোক —-

    সচেতন লেখায় আমরা এজন্য পছন্দ করি কারন সেখানে আমরা উপকারের দিক খুজে পাই —

    এটাও কিন্তু ছন্দ——

    ছন্দ বিহিন জীবন মরা লাসের মত—-!

    যা নিয়ে মনে মনে শোঁক করা যায় কিন্তু টা মনে রাখাতে কেহ চায়না —
    তবে যে সামনে এগিয়ে যেতে পারবে না –

    ——
    সজিব ভাই বলেছেন —-

    আধুনিক কবিতার শত শত কবির কবিতা আছে যেখানে ছন্দের মিল নেই।—–

    তাহলে তো এটা র আচরন এমন কবিতার অর্থের মত হয়ে যাবে—-

    মহান কবির এই কবিতার অর্থের মতো—

    ষোল আনাই মিছে

    – সুকুমার রায়
    বিদ্যে বোঝাই বাবুমশাই চড়ি সখের বোটে,
    মাঝিরে কন, বলতে পারিস সূর্যি কেন ওঠে?
    চাঁদটা কেন বাড়ে কমে? জোয়ার কেন আসে?
    বৃদ্ধ মাঝি অবাক হয়ে ফ্যালফ্যালিয়ে হাসে।
    বাবু বলেন, সারা জীবন মরলিরে তুই খাটি,
    জ্ঞান বিনা তোর জীবনটা যে চারি আনাই মাটি।
    খানিক বাদে কহেন বাবু, ''বলতো দেখি ভেবে
    নদীর ধারা কেমনে আসে পাহাড় থেকে নেবে?
    বলতো কেন লবণ পোরা সাগর ভরা পানি?''
    মাঝি সে কয়, ''আরে মশাই অত কি আর জানি?''
    বাবু বলেন, ''এই বয়সে জানিসনেও তা কি
    জীবনটা তোর নেহাৎ খেলো, অষ্ট আনাই ফাঁকি!'' _—-

    বাকিটা কষ্ট করে পরে নিবেন ——

    প্রতিবা বড় মূল্যবান সম্পদ এটাকে আপনি কিভাবে নস্ত করবেন এটা আপনি ি ভালো জানবেন—–
    চিন্তার ধারা নতুন হতে পারে কিন্তু তার প্রবাহ নয় —-

    ধন্যবাদ সকল কে —–
    আশা করি বুজবেন মনে কষ্ট না নিয়ে —-

    ইগ বড় আজব জিনিস ন্যায় কেও অন্যায় বানায় —–

    দোয়ায় মনে রাখার আবেদন রইলো—- সকলের প্রতি—-

    সকাল সপ্ন ——–

মন্তব্য করুন