বাক্সবন্দি... (পর্ব - ৪) - নৃ মাসুদ রানা মেহের আলী ছোটবেলা থেকেই একগুয়েমি ধরনের মানুষ। হাড়কিপটেও বটে। তবে খাবারের প্রতি ভীষণ লোভ তার। এ নিয়ে কতবার যে নহরের সাথে ঝগড়া হয়েছে তার বালাই নেই। অবশ্য নহর ছিলো প্রিয় পাত্র। শরীরের এই একটা অংশে নহরের সাথে মিল রয়েছে তার। আর বাকী সবটুকু ধোঁয়াশা। খেলাধূলায় বেশ পারদর্শী… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
নয়নার দেবরের বিয়ে ঠিক হলো। শুক্রবারে বিয়ের দিন ঠিক হলো। কথা হলো মেয়ে কাউকে নিয়ে যাবে না বিয়েতে। তাই নয়নার শাশুড়ি বললো তুমি বাপের বাড়ি যাও। ওখানে থেকে বিয়েতে চলে এসো। নয়না বৃহস্পতিবার বাপের বাড়িতে চলে গেলো। ছোট্ট নয়না সাংসারিক জটিলতা, সাংসারিক রাজনীতি বুঝতে ব্যর্থ। নয়না ধারণাও করতে পারেনি তাকে এই ভাবে সবার সামনে ছোট… [বিস্তারিত]
এত দিনের বন্ধু অনিতা অথচ আজ মনে হচ্ছে সে হঠাৎ করে অনেকটা সে বদলে গেছে। এত তাড়াতাড়ি কিভাবে মানুষ বদলে যায়, তার আচরনগুলো বদরে যায় কে জানে? কথাগুলো অনিতা এভাবে না বললেই পারতো।নীলার মনটা বড্ড খারাপ লাগছে। সে আজ রীতিমত অপমানিত বোধ করেছে।কলেজ ছুটির পর অনেকটা পথ সে আজ ইচ্ছা করেই একা একা আসছে। প্রতিদিন… [বিস্তারিত]
কয়দিন পর ঈদ। নয়নার বর নয়নাকে নিয়ে শপিং এ গেলো। শাড়ি কিনবে নয়নার জন্য। শোরুমে ঢুকে নয়না কে বললো একটা শাড়ি পছন্দ করতে। নয়নার পছন্দের রঙ কালো। নয়নার প্রথম এবং একমাত্র পছন্দ কালো রঙ। নয়না নিজেও জানে না এতো রঙ থাকতে কালোর প্রতি এতো দুর্বলতা কেনো? কালো রঙের প্রতি এতোটাই দুর্বল যে নয়না সবসময় বলতো… [বিস্তারিত]
♥একদল বানর ডালে বসে লোম কচলাতে কচলাতে ঘাসের মাথায় ছুঁড়ে মারছে বিষাক্ত থুথু আর তাই অমৃত ভেবে চেটে খাচ্ছে আরেকদল শিম্পাঞ্জি। বিড়ালগুলো শেকলে বেঁধে অট্টালিকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কতগুলো সাদা-শুয়োর ইচ্ছের ফরমানে আজ মহব্বতের মানুষ শব্দটি অভিধান হত এতো আলো এতো সুবাস কই যাচ্ছে !কোথায় যাচ্ছে! যা হবার কথা নয় তাই হচ্ছে। কাঁদো কাঁদো এই তো… [বিস্তারিত]
তুমিই আমার বেণীমাধবঃ সাদিয়া শারমীন। সেদিন ছিল পহেলা শ্রাবণ, ছাতিম গাছের নিচে- বৃষ্টিতে ভিজেছিলে, কদম ফুলটা নিয়ে। তোমার দেয়া বকুল মালা, খোঁপায় গুজিনি। নিন্দা হবে বলে। মনে মনে ডেকেছি তোমায় "বেণীমাধব।" কারণ- "আমি তখন নবম শ্রেণী,আমি তখন ষোল, তোমার,আমার প্রণয় খেলা তখন শুরু হল।" আমারও যে তোমায় ভেবে অংক হত ভুল। জীবন খাতার প্রতিটি পাতা… [বিস্তারিত]
তুমি বেশ বদলে গেছো- আমার হাসি তোমার হৃদয়ে কাঁপন ধরায় না; কথার ফুলঝুরিতে বিমুগ্ধতা ছড়ায় না। আজ আমি হয়েছি পর; আপন হয়েছে ভিন্ন কেউ,অন্য পাড়ের ললনা। মৃত বুকে শকুনেরা ধারালো আঁচড়ে ক্ষুধার জ্বালা মেটায়; অধরের কামনায় লালায়িত,সিক্ত করো অন্যনারীর উলঙ্গ বক্ষবন্ধনী। মেঘবরণ এলোকেশে মাদকতার আবেশে ঝরে না মেঘবৃষ্টির শ্রাবন-বারিধারা। চৈত্রের খরতাপে পুড়ে চৌচির চারণভূমিতে লাঙ্গলের… [বিস্তারিত]
অনিতা আজ এতটাই রেগে গেছে যে সে নীলার সাথে পাশাপাশি হেটে কলেজে এলেও তার সাথে প্রয়োজন ছাড়া একটাও কথা বললো না।এতে নীলা বেশ কষ্ট পেলো। কিন্তু অন্যদিনও তো তার বিনা কারণে অনেক দেরী হয় কই অনিতা তো এরকম রেগে যায় না।আজ অনিতার রেগে যাওয়ার কারণটা সে কিছুতেই ধরতে পারছেনা। মনটার ভিতর একটা অদ্ভুদ খচখচানি বেশ… [বিস্তারিত]
দূর হতে ওই ঝর্ণাধারা দৃশ্য মান দেখার, রূপ গঞ্জে নাগর ধুলা সোনাম গঞ্জে পাহাড়। বছর জুড়ে চলছে হলি সাঁজে রমণী রাখাল, বাবুর হাঁটে বেঁচা বিকি সখির হাঁটে বাঁচাল। দূর হতে ওই ঝরনা ধারা অন্তপুরি স্বাদে, উতাল পাতাল মনের ঢেউ সাঁজে সন্ধ্যা সকাল। রঙের ভূবন মায়ার মানুষ আনন্দ উৎসবে দল বদলে চলছে সবাই পুরনো দিনের সাতে। [বিস্তারিত]
অনেকটা জায়গা জুড়ে খোলা মাঠ। এক পাশে পুকুর । পুকুরের পাশে বেশ বড় এক ফলের বাগান। তারমধ্যে একপাশে পুরানো আমলের দোতলা বাড়ি। বাড়িটি একটি যৌথ পরিবারের। নীলা সেই পরিবারেরই সদস্য। বাড়িতে ঢোকার মুখে সিং দরজা । দরজাটি বেশ কারুকাজ করা কিন্তু দীর্ঘ অযত্ন অবহেলায় রং উঠে মরিচা ধরে বিবর্ণ দশা। নীলা সেই মরিচা ধরা দরজায়… [বিস্তারিত]
একুশ আমার কিশোরী মেয়ের পলাশ পলাশ রঙ যেটুকু রঙ হলে সে সাধানন্দে বাঁচতে পারে। একুশ আমার বুকের মধ্যে ঘুমানো প্রাচীন এক অগ্নিবীজ যে একবার জ্বলে উঠলে মরতে মরতে নাচতে পারে। একুশ আমার সূর্য-সন্তান যে খোলা রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিজের বর্ণমালায় বজ্র ধ্বনিতে চিৎকার করে। একুশ আমার শপথ-ভাস্কর যে বেদনার রঙে রঞ্জিত পতাকা বাতাসে পতপত শীৎকার করে।… [বিস্তারিত]
বাক্সবন্দী - নৃ মাসুদ রানা (আমার ড্রিম প্রজেক্ট/উপন্যাস) এলার্ম বেজে উঠলো। সম্পর্কের এলার্ম। হৃৎপিণ্ডের এলার্ম। দেহের কলকব্জার এলার্ম। যে এলার্মে নাড়িরটান রয়েছে। গাঁথুনি রয়েছে মন মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষে। দেহ ভিটা খন্ড দ্বিখণ্ডিত হলেও স্বাদের অভাববোধ হবে না। আজানও হলো। মিষ্টি সুরের আজান। মিষ্টি কন্ঠের আজান। শ্রোতাপ্রিয় আজান। আত্মার আজান। কলিজার আজান। যে আজানের ধ্বনিতে আত্মতৃপ্তি বেঁচে… [বিস্তারিত]
নয়না তখনও জানে না ওর বর কী কাজ করে ,কতো টাকা রোজগার করে? নয়নাকে কখনো বলেনি বা নয়নাও কখনো জানতে চায়নি। নয়নাকে তখন হাত খরচ বাবদ দশ টাকা, না এটা ঠিক হাত খরচ নয় কলেজে যাওয়ার জন্য দিতো টাকাটা। নয়নার কলেজে যেতে চারটাকা লাগতো আর আসতেও চারটাকা। নয়নার হাতে থাকতো দুই টাকা। চারদিন পর ঐ… [বিস্তারিত]
এ্যাই মেয়ে, বৃষ্টিতে ভিজেছিলে? রেখেছিলে চোখ খোলা জানালায়?শুনেছিলে কি বৃষ্টির ছন্দ? পেয়েছিলে মাতাল করা সোঁদা মাটির গন্ধ? ও মেয়ে, কান পেতেছিলে বাতায়নে? কেউ কি এসে যায়নি বলে, চুপি চুপি? ভালবাসি, ভালবাসি। এই যে মেয়ে, তুমি কি একটু ভাবুক হবে? আলতো পায়ে মেঘ কে ছোঁবে? মেঘের জলে পা ভিজিয়ে, মেঘ বাহনে দূরের দেশে পালিয়ে যাবে চুপটি… [বিস্তারিত]
ভোরের শিশির স্নাত শিউলি শয্যায় বাসন্তী ছটায় দোয়েলের অবগাহন; হেমন্ত ফসলের মৌ মৌ গন্ধে দামাল ছেলেরা- মিতালী করেছে অম্বর নীলিমায় মেঘবালিকার দূরন্তপণার সাথে। পালতোলা নৌকার ছলাৎ ছলাৎ ছুটে চলা , ঢেউয়ের পর ঢেউ যেন দূর্বার আকর্ষণে ছুঁয়ে যায় নূয়ে পড়া কাশবনের নগ্ন চরণখানি। দিগন্ত জোড়া হিরণ্যময়!সোনালী আবৃত সবুজের সমারোহ- প্রকৃতিকে দিয়েছে নতুন বসন। ছাতিমের গন্ধে… [বিস্তারিত]







