আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম ? – হুমায়ুন আজাদ

ঘোষণায় বাঙলা ও ইংরেজীতে, কম্পিত ও আবেগস্পন্দিত কণ্ঠে স্পষ্ট করে বলা হয়, যদিও খুবই অস্পষ্ট শোনা যাচ্ছিলো, যে মুজিব জীবিত আছেন, তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে। মুজিবের পক্ষে ঘোষণা পাঠ করছেন একজন মেজর, যাঁর নাম মেজর জিয়া। কে মেজর জিয়া? তাঁর নাম তো কখনো শুনি নি। একটি ঘোষণাপাঠের ফলে, তাঁর কাঁপাকাঁপা কণ্ঠের আবেগ, মুহূর্তেই তিনি [বিস্তারিত আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম ? – হুমায়ুন আজাদ]

এক নজরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর বুকে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ এই যুদ্ধের সূচনা ঘটে, যখন পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী রাতের অন্ধকারে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। পঁচিশে মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা ঢাকায় অজস্র সাধারণ [বিস্তারিত এক নজরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ]

স্বাধীনতা দিবস আর আমার একান্ত অনুভূতি

হয়তো কালোরাত্রি আমাদের স্বাধীনতার উৎস ছিল… যে রাতের কালিমা আমাদের ইতিহাসে সারাজীবন লেগে রবে… স্বাধীনতা দিবসে এসে বলতে হয় একটি কথাই… যুদ্ধ চাই, আবার যুদ্ধ চাই। আমরা কি ভুলে গিয়েছি সে অতীত ? সে ইতিহাস ? আমরা কেন সেই দলের পতাকা গালে এঁকে, পতাকা উড়িয়ে তাদের নিয়ে উল্লাসে মাতি ?? আমরা কি মনে রাখিনি তাদের [বিস্তারিত স্বাধীনতা দিবস আর আমার একান্ত অনুভূতি]

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা – ৩ টি ঐতিহাসিক ভিডিও

অন্যের কথার উপর নির্ভর না করে নেটে সার্চ দিলেই পেতে পারি আমরা অনেক সত্যি ইতিহাস । স্বাধীনতার ঘোষনা সম্পর্কীয় ২ টি ভিডিও পেলাম যা ১৯৭১ এর ২৬ মার্চ প্রচারিত হয়েছে । ২৫ মার্চ  গভীর রাতে পাক আর্মিরা ঢাকায় গণ হত্যা শুরু করার পরদিন বিশ্বের গন মাধ্যমগুলোর প্রচারের শীর্ষে ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা । অন্য একটি [বিস্তারিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা – ৩ টি ঐতিহাসিক ভিডিও]

অপারেশন সার্চলাইট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আজ আমরা যে স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করছি, সেই বাংলাদেশ জন্মের সবকটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রামের ইতিহাস ঘাটলে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম সর্বাধিকবার পাওয়া যায়, তা হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৭১-এর ২৫শে মার্চ, নিকষ কালো এই অন্ধরাতে পাকিস্তানিদের সবচেয়ে বেশি আক্রোশ ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদী ও মেধাবী ছাত্র-শিক্ষকদের ওপর। কারণ পাকিস্তান সরকার বিরোধী সকল আন্দোলনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকেরাই সবচেয়ে বেশি [বিস্তারিত অপারেশন সার্চলাইট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]

বদান্যতা

প্রিয় বাংলাদেশ, তুমি নিশ্চয় ঘুমিয়ে পড়েছ। অবশ্য তোমার ঘুমানোরই কথা। বৃষ্টিভেজা নিঝুম রাত, চারপাশে শান্তিময় নিরবতার আরাম।   রাস্তা থেকে আসছেনা কোনও ঘাতক বাহিনীর ট্রাকের শব্দ। বাতাসে ভাসছেনা মৃত্যুর চিৎকার, দরোজায় ঘাতকেরা নাড়ছেনা কড়া।   তোমার পিতার বুকে বেয়নেট তাক করা নেই, তোমার মায়ের, বোনের সম্ভ্রম নিরাপদ আজ, তোমার স্ত্রী তোমারই বুকে ঘন নিঃশ্বাস ফেলে। [বিস্তারিত বদান্যতা]

ঋণী(শেষ পর্বের শেষ অংশ)

–বাবা গো… আমার বাবা…..আমাকে ক্ষমা করে দিও আমি তোমার অবাধ্য সন্তান।তুমি বলেছিলে,এ দেশে যারা এ দেশের ক্ষতি করবে তারা এক দিন শাস্তি পাবেই…. এক দিন এই বাঙ্গালী জাতিই হিসাব চাইবে,বিচার করবে সব দেশদ্রোহী আর যুদ্ধাপরাধীদের। আমি… তোমার সে দিনের কোন কথাই রাখিনি অবশেষে সেই যে তুমি ঘর ছাড়লে আর এলে না….সারাটা জীবন টাকার নেশায় এতটাই [বিস্তারিত ঋণী(শেষ পর্বের শেষ অংশ)]

লাখো কন্ঠে জাতীয় সংগীতঃ সাবধান সাবধান

আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গেয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার স্বপ্নে বিভোর ছিল জাতি। কিন্তু সে স্বপ্ন এখন কালিমা লিপ্ত হবার পথে । যুদ্ধাপরাধীদের অর্থের একটি মুল উৎস ইসলামী ব্যংক নাকি এই লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়া আয়োজনের অর্থায়ন করবে । যদি তাই হয় , তবে চাইনা এমন কালিমা লিপ্ত আয়োজন [বিস্তারিত লাখো কন্ঠে জাতীয় সংগীতঃ সাবধান সাবধান]

স্বাধীনতা, এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হল-নির্মলেন্দু গুণ

একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে: ‘কখন আসবে কবি?’ এই শিশু পার্ক সেদিন ছিল না, এই বৃক্ষে ফুলে শোভিত উদ্যান সেদিন ছিল না, এই তন্দ্রাচ্ছন্ন বিবর্ণ বিকেল সেদিন ছিল না৷ তা হলে কেমন ছিল সেদিনের সেই বিকেল বেলাটি? [বিস্তারিত স্বাধীনতা, এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হল-নির্মলেন্দু গুণ]

তিন মুসাফির

ভোরবেলা ! তিনজন মানুষ কথা বলছে , ১মঃ আমি কিছুই বুঝি নাই ভাই । বিশ্বাস করেন । চোখের সামনে অনেক মানুষ । হঠাৎ মাথাটা ঝাকি দিয়ে উঠল । বুঝলাম না কেমনে কি ! এরপর আর কিছু মনে করতে পারি নাহ । ২য়ঃ আমারো একি অবস্থা ভাই । কিন্তু আমি উপুর হয়েছিলাম । ঘারের কাছে উষ্ণ [বিস্তারিত তিন মুসাফির]

দেশ নিয়ে ভেবে কি হবে! আরে দেশতো গুল্লাই গেছে। সব বেইমান! (সত্যের জয় মুক্তির তরে)

বিশ্বের অনেক দেশের কাছে এখনো বিস্ময়!  বাংলাদেশ কিভাবে মাত্র ৯ মাসেই স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। এই বিষয়ে আমি যা বলবো তার জন্য কোন গবেষনার দরকার নেই। আমাদের ছিল বিশ্বাস, নিজের উপর আর আমার দেশের উপর। আমরা কখনোই কল্পনা করি নি আমদের পরাজয় হবে । আমরা শুধু দেশের কথা ভেবেছিলাম। দেশপ্রেমে উদ্দত্য হয়ে স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাপিয়ে পরেছিলাম [বিস্তারিত দেশ নিয়ে ভেবে কি হবে! আরে দেশতো গুল্লাই গেছে। সব বেইমান! (সত্যের জয় মুক্তির তরে)]

একজন সাচ্চা রাজাকারের জনপ্রতিনিধি হওয়ার স্বপ্ন পুরণে এগিয়ে আসুন

৭১ দেখিনি, তবে কে কোন ভূমিকায় ছিল তা জেনেছি যারা দেখেছেন সরাসরি তাদের কাছ থেকেই। রাজাকার-আলবদর-আলশামস। পতাকার অবমাননা কারীদের কারা নিজ হাতে পতাকা তুলে দিচ্ছে আবার অপমানের জন্য তাও চেয়ে দেখছি। চলুন একজন সার্থক রাজাকারের সাথে পরিচিত হয়ে আসি। নাম এম এ হান্নান। পূর্ব পেশা রাজাকারি, পাকিদের সহযোগি। ৭১এ ময়মনসিংহে হত্যা-নির্যাতনের হোতা ছিলেন হান্নান। স্বাধীনতা [বিস্তারিত একজন সাচ্চা রাজাকারের জনপ্রতিনিধি হওয়ার স্বপ্ন পুরণে এগিয়ে আসুন]

অপূর্ণ ঋণশোধ

গভীর অন্ধকারে,কনকনে শীতে ভঙ্গুর চাপায় খুতখুতে দাড়ী,মাথায় চুলের এলোপাতালি বিন্যাস, ষাটর্ধো বৃদ্ধ অজানা অচেনা ভিক্ষের থালা হাতে দাড়িয়ে,নিশ্চুপ অসার। পকেটে হস্ত প্রবেশেই শুণ্য পকেট হয়তো দু’ফিঙ্গারে কাম সেরেছে কেহ একজন অন্য পকেটে মানিব্যাগটা ছিল অক্ষত যক্ষের ধন রেখেছি যতনে  যুদ্ধের স্মৃতি মাখা দশটি টাকা। যুদ্ধে শহীদ বন্ধুর শেষ দানটি অবশেষে দিলাম দানের থালায়, কনকনে শীতে [বিস্তারিত অপূর্ণ ঋণশোধ]

বিজয় দিবসের সেরা উপহার

সকালে ন্যাশনাল প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছে গেলাম আমি আর ব্লগার ছন্নছাড়া । কিছুক্ষণ পরে আমাদের সাথে স্বপরিবারে যোগ দিলেন ব্লগার তন্দ্রা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানব পতাকা গড়ার লক্ষ্যে মূল কর্মসূচী দূপুর একটার পর শুরু হবে। তার আগে চলছিলো কনসার্ট। তাই আমরা সময় নষ্ট না করে চলে গেলাম নিকটেই মিরপুরের “বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে।” পথিমধ্যে দেখা [বিস্তারিত বিজয় দিবসের সেরা উপহার]

ধিক !! বাঙালি … ছিঃ

বারশত-গোবাদিয়া সংযোগ সড়ক। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলীর লাশ কবর থেকে তুলে টেনেহিঁচড়ে এই সড়ক দিয়ে পাকিস্তানি সেনাক্যাম্পে নেওয়া হয়েছিল। চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার এই সড়কটি তাঁর নামে করার দাবি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের। সেই দাবি পূরণ হয়নি। নামকরণ হয় আবদুল গণি চৌধুরী সড়ক। এই গণি শহীদ রুস্তমের লাশ টেনেহিঁচড়ে নেওয়ায় নেতৃত্ব দেন। তিনি ছিলেন বারশত ইউনিয়ন ‘শান্তি কমিটি’র [বিস্তারিত ধিক !! বাঙালি … ছিঃ]