শহরে বন্দী জীবনে বসবাস করা ছোট শিশু,ছেলে, মেয়েদের এক রকম অভ্যাসেই পরিণত হয়। নিয়মের বেড়াজাল নিজেরাই প্রচলন করে থাকে,যার যেমন সুযোগ সে তেমন করেই জীবন যাপন করে থাকে। স্কুল,বাসা, টিচারের বাসা বা কোচিং সেন্টার,ছোট বারান্দা, মোবাইল বা কম্পিউটার। এই গন্ডির মধ্যেই তাদের পথচলা। সাপ্তাহিক ছুটিতে হয়তো আত্মীয় স্বজনের বাসায় বেড়াতে যাওয়া। এধরণের বাচ্চারা যখন প্রকৃতির [বিস্তারিত হেমন্তকাল ও সামিয়া রাতুল।]
ক্যাটাগরি ছোটগল্প
– আপনি তো গ্রামের মাতব্বর তাই না? – হ্যাঁ যা শুনেছেন, সত্যই শুনেছেন। – আপনাকে অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয় তাই না? – আর কন না! বহুত ঝামেলা। বাল্যবিবাহের ব্যাপার, মাইয়া মাইনসের উপর অত্যাচার, বিভিন্ন অপকর্মের বিচার শালিস, নারীগো বিভিন্ন অধিকার, গ্রামীণ উন্নয়ন এইসব দেখি আরকি? – চৌদ্দ বছরের মেয়েটির বিয়েতে তো ছিলেন? – গ্রামে [বিস্তারিত সাবধান!!!!]
সকালের শেষ প্রহর গড়িয়ে সবে মাত্র পা দিয়েছে দুপুরে । অর্থাৎ তখন দুপুরের প্রথম প্রহর। হঠাৎ বেজে উঠল ফোন। তারার হাতেই ছিল ফোনটা। অপ্রত্যাশিত নম্বরে ফোন পেয়ে চমকে উঠলো তারা। এক মুহূর্ত দেরি না করে রিসিভ করেই কানে ধরলো। অপর প্রান্ত থেকে ভেসে এলো প্রিয়জনের কন্ঠস্বর। -তুমি কোথায়? বাসায়। -কোনো বাসায়? যেখানে থাকি। -আচ্ছা, এক [বিস্তারিত ধ্রুবতারার গল্পটা সত্যি ছিল তবুও স্বপ্নই মনে হলো]
আলো ঝলমলে বিয়ে বাড়ি। জামান সাহেবের একমাত্র মেয়ে শ্রেয়ার আজ বিয়ে। দেখতে দেখতেই কতগুলো বছর পেরিয়ে গেল। এই তো সেদিন ছোট্ট মেয়েটি ছিল সে। বাবার কাঁধে উঠে কান ধরে ঘুরে বেড়াত। সবাই যার যার বয়সী থোকায় থোকায় আনন্দ করছে। মধ্যবয়সীরাও অনেকদিন পর পুরোনো বন্ধুদের পেয়ে গল্পে মেতে উঠেছেন। শ্রেয়ার বাবা জামান সাহেব অস্হির হয়ে [বিস্তারিত বাবা নয়! বাবার মত।]
মোর জীবনের রোজ কেয়ামত ভাবিতেছি কত দূর ! কবি জসিম উদ্দিনের ‘কবর’ কবিতার শেষ উক্তি। কবিতায় এতো সুন্দর করে বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলার যে চর্চা তা কবি জসিম উদ্দিনের কবিতা না পড়লে বুঝতেই পারতাম না। বৃদ্ধ দাদুর আকুতি যতোবার পড়েছি ততবার কেঁদেছি। দাদুর আকুল নিবেদনের গভীরতার সন্ধান করতে গিয়ে ভাবনার সাগরে ডুবেছি অসংখ্যবার- কূল- কিনারার [বিস্তারিত মোর জীবনের রোজ কেয়ামত ভাবিতেছি কতোদূর !]
গভীর রাত। চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। হঠাৎ করে দু’একটা পেঁচার ডাকে পরিবেশটা আরো ভয়ঙ্কর রূপ ধারন করে। মাঝে মাঝে দূর হতে শিয়ালের হাঁক বিদ্ধস্ত পৃথিবীতে তাদের অস্বিত্বের উপস্থিতি জানান দেয়। আকাশে চাঁদ নেই কিংবা মেঘের আড়ালে লুকিয়ে আছে। নাকি আজ আমাবশ্যা তাও জানা নাই। চাঁদের সাথে তারাগুলোর অজনা সখ্যতা। যে রাত্রে আকাশে চাঁদ থাকেনা সেই রাত্রে [বিস্তারিত সাজিদের স্বপ্ন ও আমাদের চিন্তার খোরাক]
ফারুক সাহেব দেখতে পেলেন ম্যাডামের হাত ব্যাগটা নিচে পড়ে আছে। ব্যাগটার উপরে আঁকা দুটো সূর্যমুখী ফুল। ফুল দুটো ধীরে ধীরে দুটো মানুষে পরিণত হয়ে রকেটের বেগে এগিয়ে আসছে তার দিকে। যতোই এগিয়ে আসছে ততোই যেন তারা বড় হচ্ছে এতোই বড়ো যে ফারুক সাহেব অনুভব করছেন এ-র ব্যাস ব্যাসার্ধ পৃথিবীর চেয়ে বেশি হয়ে ঢুকে যাচ্ছে তার [বিস্তারিত মানব-উন্নয়ন (শেষ পর্ব)]
চাকরি যাওয়ার কথা শোনে ফারুক সাহেব ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলেন। শুকনো খড় যেমন বাতাসে ওড়ে যায় তেমনি ওড়ে গেলো তার স্বপ্ন। মনে মনে বললেন যা ভেবেছিলাম তাই হলো। মস্তিষ্কে এড্রিলিনের স্রোত ঘুরপাক খেতে লাগলো। তার চোখে নেমে আসলো ভয়াবহ অন্ধকার। এমন একটা অন্ধকার রাত তার সমগ্র অস্তিত্বেও সংবহন করে না। আলো এবং আলো অতিরিক্ত আলোয় যখন [বিস্তারিত মানব-উন্নয়ন (দ্বিতীয় পর্ব)]
একজন শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান লোক ছিল।তবে সে খুবই গরীব , কিন্তু সৎ ছিল এটাই বড় কথা। একদিন এক ধনী ব্যবসায়ীর কাছে গেল। এবং একটি চাকরির জন্য আবেদন জানাল। চাকরির যোগ্যতা থাকাতে সে অনায়াসে তা পেয়েও গেল। অল্প দিনের মধ্যেই তার সততা ও বিনয় দিয়ে ব্যবসায়ীর মন জয় করে নিল। ব্যবসায়ী তাকে থাকার জন্য তার নিজের [বিস্তারিত সৎ ( আত্ম–উন্নয়ন মূলক গল্প )]
দেয়ালে লেখা আছে , ” এখানে প্রস্রাব করা নিষেধ , প্রস্রাব করলে দশটা জুতার বাড়ি” ফারুক সাহেব ডায়াবেটিসের রোগী। টানা দুই কিলোমিটার ঘুরে ও এমন উপযুক্ত স্থান তিনি পাননি। এদিক-ওদিক তাকিয়ে, ফারুক সাহেব কাজটা সেরে ফেললেন। একটা শীতল প্রশান্তি নেমে এলো। এ-ই মাত্র যেন সমস্ত পৃথিবীর ওজন নেমে গেলো তার শরীর থেকে। কপাল [বিস্তারিত মানব-উন্নয়ন (প্রথম পর্ব)]
সিটকিনিটা খোলার শব্দ কানে আসতেই তিড়িং করে লাফ দিয়ে উঠে পড়ল অনিক। চোখ মুছতে মুছতেই খাট থেকে নেমে দাঁড়াল। রাতে ঘুমাতে যাবার আগেই বাবার কাছে অঙ্গীকারনামা নিয়ে রেখেছে। আজ ভোরে হাঁটতে বেরুবার সময় তাকে নিয়ে যেতে হবে। সেই উত্তেজনায় সারারাত হয়তো ঠিকমতো ঘুমও হয়নি তার। অন্যান্য সময়ের মত গতরাতেও বাবা-মা’র সাথে খেতে বসে অনিকের [বিস্তারিত নদীদের সুখদুঃখ]
ঘড়িতে এখন দুপুর ৩ টা।সকালের কাজ শেষ করে অলস দুপুরে আলতো করে গুছানো বিছানা মনে হয়, আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকে কেননা শরীরটা অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়ে।। আজ আবার সেই পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে গেল। সেদিনও ছিল শুক্রবার, ঘড়িতে তখন সন্ধ্যা ৭.০০।ল্যান্ডফোন বেঁজে উঠল।আমি রিসিভ করতে গিয়েই ওপাশ থেকে হ্যালো!এটা কি ফায়ার সার্ভিস? আমিঃ রং [বিস্তারিত ল্যান্ডফোনের দিনগুলি]
আপনাকে একটা নীল পাঞ্জাবি দেবো।সাথে নীল চুড়ি। -নীল চুড়ি!নীল চুড়ি দিয়ে আমি কি করবো? ~কেন,আপনার পাশে যখন নীল শাড়ি তে মুচকি হেসে আপনার গা ঘেষে দাড়াবো তখন না হয় পড়িয়ে দেবেন আমার এই ফাকা দু হাতে কি দেবেন না? -দেবো।অবশ্যই দেবো।তবে শুধু নীল চুড়ি না।ভালবাসায় মোড়ানো নীল চুড়ি। আমার কথায় মেঘলা মুচকি হেসে আবারও সামনের [বিস্তারিত মেঘলার চাদর]
“তাকদুম তাকদুম বাজে বাংলাদেশের ঢোল সব ভুলে যায় তাও ভোলেনা বাংলামায়ের বোল।।” বাজনার তালে তালে দারুণ উচ্ছ্বাসে গান গেয়ে চলেছেন শিল্পী। উল্লসিত দর্শক প্রাণ ভরে উপভোগ করছে সুন্দর সুন্দর গান। অপূর্ব সঙ্গীতের মুর্ছনায় সবাই যেন বুদ হয়ে গেছে। আবালবৃদ্ধবনিতা শুধু মন্ত্রমুগ্ধের মত গানই শুনছে না, অনেকেই গানের তালে তালে নেচেও উঠছে। আর সবার [বিস্তারিত লাবুর দেশপ্রেম]
নন্দীভূতের সাথে টুম্পার সম্পর্কটি বেশ কিছুদিনের। তার বিভিন্ন রকম ভাল কাজের জন্য সে প্রায়ই ভূতের দেশে ভ্রমণের সুযোগ পায়। এবারও তাই সে ভূতের দেশে ভ্রমণ করতে এসেছে। অন্যবারের মত এবারও সে ভ্রমণে খুব মুগ্ধ হচ্ছে। ভূতের স্কুলটি টুম্পার খুব প্রিয় একটি জায়গা। এখানে এসে সে অনেক সমাজসেবামূলক ভাল কাজ শিখেছে। আজও হয়তো কোন ভাল কাজের [বিস্তারিত ভূতের মায়ের সুস্থতা]