সবে চাকুরি পেল অনিমেষ।নতুন চাকুরির সংবাদে পাড়া-মহল্লায় হুলস্থুল কান্ড ঘটে গেল!ছানাবড়া চোখ করে থাকা পাড়ার তথাকথিত মুরুব্বি,বড় ভাই,দাদাদের এই আশ্চর্যান্বিত অবস্থা বেশ অদেখা আনন্দের খোরাক যোগায় অনিমেষের মাঝে।অনিমেষও কিনা চাকুরি পেয়ে গেল এই কঠিন চাকুরি বাজারের প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির গোলকধাঁধায়।যাকে দিয়ে কিছুই হবে না বলে শত,সহস্র গঞ্জনা,অবজ্ঞা তরুহীন বৃক্ষের মত মাথা পেতে নিতে হয়েছিল তার [বিস্তারিত অনুজের স্বপ্নপূরণ যাত্রা]
ক্যাটাগরি ছোটগল্প
সেদিন ছিল মঙ্গলবার।হররোজ কালবিলম্ব করে ঘুম থেকে উঠে অভ্যস্ত দীপনকে উঠতে হল তার নিয়ম বিরুদ্ধ ভোরেই।তার বাবুর চাপাচাপিতে ঘুম থেকে উঠেই ফ্রেশ হয়ে নাস্তা শেষ করতে হল চটজলদি।এমন সাতসকালে কি আর দীপন সেধে সেধে উঠে! সেদিন থেকেই তার স্পোকেন ইংরেজি ক্লাস প্রারম্ভ হয়েছিল।সিডিউল সকাল ৭-৯ টা।পোষাক পড়ছে আর বকুনি বাবুকে দিতে না পেরে নিজেই নিজেকে [বিস্তারিত হারানো দিনের দিনপঞ্জি]
“হৈ হৈ কাণ্ড রৈ রৈ ব্যাপার, হৈ হৈ কাণ্ড রৈ রৈ ব্যাপার। জ্বী হ্যাঁ, প্রিয় এলাকাবাসী, আজই বিকাল ৫.০০ ঘটিকায় স্থানীয় সেবাবাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা। উক্ত খেলায় অংশগ্রহন করবে বাংলাদেশের সেরা দুই ফুটবল দল চুয়াডাঙ্গার হাটবোয়ালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় আর গোপালগঞ্জ কাশিয়ানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দেশসেরা জুনিয়র ফুটবল [বিস্তারিত ভাদু চোরের সাধু ছেলে]
সবেমাত্র অষ্টম শ্রেণীতে উঠেছে রঘু। তবে বয়সের তুলনায় তা একটু কম। অবশ্য শরীরটা বেশ নাদুস নুদুস। বয়স আর শরীরের তুলনায় বুদ্ধিটা তেমন পাকে নাই। তাই মাঝে মধ্যেই হুটহাট করে একেকটা আজগুবি কাজ করে বসে সে। যতবারই সে নিজেকে জ্ঞানী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়েছে প্রায় প্রতিবারই ভাগ্য তার প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য এজন্য পুরোপুরি সে একাই [বিস্তারিত ফন্টুদের কেরামতি]
বেশ কয়েকদিন ধরে খ্যাঁক খ্যাঁক করে কাশে। থেমে থেমে জ্বর আসে। ঠান্ডা যেন লেগেই আছে। তারপর হাঁপানির রোগী রহিজ মিয়া। সপ্তাহ খানেক আগে বড় মেয়ের শ্বশুর এসেছিলো। সে ঢাকায় থাকে। এইজন্য রহিজ মিয়ার গিন্নীর সন্দেহ হয়েছে তার হয়তো করোনা রোগ হয়েছে। এজন্য বারবার রহিজ মিয়াকে ডাক্তারের কাছে যেতে বলছে জোছনা বানু। তোমাক কইতেছি, ডাক্তারের কাছে [বিস্তারিত করোনার চিকিৎসা]
বিকেলে বই হাতে নিম গাছের নিচে পাতানো টংয়ের উপর যখন বসতাম তখন প্রায় দেখতাম হালকা পাতলা গড়নের মাঝারি সাইজের একটা শ্যামলা ছেলে মাঠের শেষ প্রান্তে রাখা গাছের গুঁড়ির উপর বসতো। প্রায় নয় রোজ বসতো। হাতে থাকতো জলন্ত সিগারেট। সিগারেটে টানের পর টান দিয়ে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন করতো তার চারপাশ। কয়েক ফুট দূরত্বে থেকে আমার সামনাসামনি বসতো। [বিস্তারিত জলন্ত সিগারেট হাতে দাঁড়িয়ে থাকতো ছেলেটা]
তখন আমি নাইন অথবা ট্রেনের স্টুডেন্ট। পড়ালেখায় খুব একটা খারাপ নই তবুও সারাক্ষণ আমি বই নিয়ে বসে থাকতাম। না মানে শুধু বসে থাকতাম না পড়তামও। আমার পড়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় ছিলো না। যখন তখনই পড়তাম। আমি যে ঘরটায় থাকতাম ওটার দক্ষিণ পাশে একটা জানালা ছিল। আর জানালা থেকে একটু পিছনে একটা বিশাল নিমগাছ আর নিম [বিস্তারিত অদেখা প্রেম]
দু’পাশে সুবিন্যস্ত ফসলের ক্ষেত। হলুদ আর সবুজের সমারোহ। মনে হচ্ছে শিল্পীর নিপুন তুলির আঁচড়ে আঁকা অসীম সৌন্দর্যের লীলাভূমি। বিস্তীর্ণ সর্ষে ক্ষেতের ফুলে ফুলে সুরভীতে মেতেছে আকাশ বাতাস। মৌমাছিদের মধুসংগ্রহের কোলাহল। আশশেঁওড়া সাইবাবলার কোল ঘেষে বয়ে চলা মেঠো পথে এখন খুব বেশী লোকের আনাগোনা নেই। বেশ কিছুটা পথ হেঁটে এসেছি আমি আর অনিক। গাঁয়ে পৌঁছতে আর [বিস্তারিত ইউনুসের গল্প]
ফজরের নামাজের পরে। ভোর সূর্যের কাছাকাছি। সবেমাত্র বিছানায় পিঠ ঠেকিয়েছি। ঠিক তখনই কাকপক্ষীর ডাক। মা গিয়ে হুঁশ হুঁশ তাড়িয়ে দিল। আর বলতে লাগলো, সক্কাল সক্কাল কাক ডাকে, না জানি কোন বিপদ আছে? কথাটি মাটিতে পড়ে আত্মসমর্পণই করতে পারলো না। কান্নাকাটির শব্দ এসে ভিড় করলো উঠানে। হাউমাউ করে কান্না। যে কান্নায় হৃৎপিণ্ড কাঁদে। আর অশ্রু-শিশির [বিস্তারিত নুনভাত]
সিগারেট? হুমম, টানি। কখন? যখন তুমি ধরিয়ে দাও। আমি! কখন ধরিয়ে দিলাম? কেন, গতরাতে তুমি স্বপ্নে এসে ছিলে। প্রথম কবে দেখে ছিলে? শুক্রবারের সন্ধ্যায় কোথায়? তুমি ছাঁদে ভিজছিলে। আমি! আমিতো বছর হলো বৃষ্টিতে ভিজি না। মিথ্যা বলছো নাতো। না, সত্যি বলছি। মিথ্যা বলিনি। কেন? তুমি সন্ধ্যার বর্ণিল আলোকসজ্জায় ছাঁদে দাঁড়িয়ে কথা বলোনি। হুমম, [বিস্তারিত সদাই-পাতি]
বাস ষ্ট্যান্ডে দাড়িয়ে আছি এক ঘন্টার মতো। কোন বাস নেই। অফিস থেকে বাসায় ফিরব বলে একটু তারাতারি বের হয়েছি। কিন্তু তাতে কোন লাভ হল না। যেই লাউ সেই কদু অবস্থা। বাস সব গেল কই। অনেক ক্ষন বাস না আসায় ষ্ট্যান্ডে লোক জমে গেছে। ওদের ঠেলে বাসে উঠা যাবেতো। এসব ভাবছিলাম। কোথা থেকে যাত্রি বোঝাই একটি [বিস্তারিত গল্পের খোঁজে]
এগারোটায় মঙ্গলশোভাযাত্রা ছিল। আমি ঘুম থেকে উঠলাম দুপুর দুইটায়। ততক্ষণে পান্তার আয়োজন প্রায় শেষ। যারা নববর্ষ বরণ করতে বেরিয়েছিল, তাদের এনার্জিও শেষের দিকে। এই রকম সময়েই আমি বাসা থেকে বের হলাম। ভাতিজার আকীকার দাওয়াত ছিল। কিসের পান্তা, কিসের ইলিশ—আমি সেখানে কবজি ডুবিয়ে খাসির রেজালা খেলাম। একটু পর চলে আসছি দেখে একজন বলল,—আরে কৈ যাও? মাত্রই [বিস্তারিত মঙ্গলশোভাযাত্রা]
ট্রেন চলছে। ট্রেনের বুকের মধ্যে বহুগামী মানুষের ভিড়ভাট্টা। কেউ কেউ ট্রেনের জানালা দিয়ে আকাশের চাঁদ জোছনা দেখছে। আবার কেউ কেউ চাঁদ জলরাশির প্রেম দেখে মুগ্ধ হচ্ছে। কেউ কেউ ট্রেন ভ্রমণের উপাখ্যান ডায়েরির বৃদ্ধ পাতায় তুলে রাখছে। আবার কেউ কেউ ট্রেন, রাত্রি, আকাশের ক্যানভাস এবং ভিড়ভাট্টার মানুষদের নিয়ে কবিতা লিখতে ব্যস্ত। আবার কেউ কেউ ট্রেনের [বিস্তারিত প্রাপ্তবয়স্ক জন্মদিন]
মহারাজা একদিন সকলকে নামাজ পড়া ও ফরজ পালনের ঘোষণা দিলেন। এরপর থেকে ঘোষণামতো সবাই নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং অন্যান্য ফরজ আদায় করে। এমনি একদিন পথ দিয়ে নামাজে যাচ্ছিলেন এক মুছল্লী। নামাজের সময় প্রায় শেষ। কিন্তু একজন ডাকাত এক পথচারীকে কতল করতে উদ্যত। নামাজী ভাবল হত্যাকারী একজন নামাজীকে হত্যা করতে যাচ্ছে। সে হঠাৎ চিৎকার দিয়ে [বিস্তারিত বিচারক]
টুম্পার মনটা আজ ভীষণ খারাপ। সকালবেলা বাগানে এসে বুকের ভেতর হু হু করে কেঁদে উঠছে তার। অনেক যত্নে গড়া বাগানটা দিন দিনই শূন্য হতে চলেছে। অথচ শেষবার যখন বন্ধু নন্দীভূত এসেছিল, তখনও তার বাগানটি ফুলে-ফলে টইটুম্বর ছিল। গোলাপ, চামেলী, বেলী, শিউলীসহ হাজারো ফুলের গাছগুলো ছিল নানান রঙের ফুলে পরিপূর্ণ। আর ফলের গাছগুলোতে ঝুলছিল হরেক রকম [বিস্তারিত বদলে যাবার গল্প]