মূল লেখায় যান

বাতাসের মিঠে চাহুনি

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি২৪টি মন্তব্য

হৃদয়ারণ্যে আবেগ উন্মনে, প্রচণ্ড ঝড়ের প্রাণোল্লাসে সবুজাভ কুড়ি থেকে ক্রম গাঢ় সবুজ হতে হতে পাতারা হাওয়ায় দোল খাচ্ছে, সবুজে সবুজ হয়ে দিগন্ত থেকে দিগন্তে সারি সারি নন্দন-বনে। পাতাদের চোখ-ইশারায় প্রণয় শিহরণ কলিদের ঠোঁটে, উথাল-পাতাল উন্মুখ যন্ত্রণা কাঁপন। প্রলয় তাণ্ডব শেষে বৃন্তচ্যুত ফুল-পাঁপড়ি ঝরে পরে অ-বিস্মিত হাহাকারে, গভীর হৃদয়গ্রাহী মধুক্ষরা বলে, বিদায়; ঝরে পড়া হলুদ পাতারা… [বিস্তারিত]

অনামুখো সময়

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩২টি মন্তব্য

ছোরা হাতে, খাঁ-খাঁ সময় তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে, নগ্ন-দৃপ্ত আভিজাত্যে; কোন সুকুমারী-বুক এগিয়ে আসেনি একটু উষ্ণতার ছায়া দেবে বলে, আসেনি অপরূপ বাণীর মায়া-কান্না/কুমির-কান্না নিয়ে, কাঁপুনি-জ্বরের কাঁথাখানি সজোরে টেনে নিয়েছে বিলোল কটাক্ষের মেকি আপ্লুত গুণগানে। বিষণ্ণের মরু প্রান্তরে হন্যে হয়েছি, ছোরার ভয়ে, ভিসা নিয়ে কেউ আসেনি, নৌকা-শরণার্থীর আকুল কান্না কেউ শোনেনি; শুনেছিল এক ডাইনি-রানী! আমি তার করতলগত এখন,… [বিস্তারিত]

নিজেকে সরিয়ে নেই নিজেই নিজেকে, যা দেখি, যা যা দেখি অনেক কিছুই দেখতে চাই-না/চাই-নি তবুও দেখি, দেখি; অপূর্ণ দোলাচল, অধেয়, এ এক অদ্ভুত ক্রম/ক্রমশ বিভব, ত্রিশঙ্কুর; অপ্রস্তুত কলম-হৃদয় স্মিত অন্ধকারে ফেড়ে ফ্যালে, অলীক সভ্যতা-ভাবনায়; প্রতীতির রেশ ঘিরে দাঁড়ায় অ-ক্লেশ আশ্বাসে, ইশারা-ভাষায়। [বিস্তারিত]

নক্ষত্রের আলো-ছোঁয়া

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি১২টি মন্তব্য

কেউ কথা রাখে না, সে-ও রাখেনি! কলেজ থেকে দুম করে জানিয়ে দিল পরীক্ষায় ফার্স্ট হয়েছে, এ আর এমন কী! এ-তো হর-হামেসাই হয়/হচ্ছে! তাই নাকি! শীতের পিঠে-পুলির মত, চাইলেই পাওয়া যায়! কৈ! আগুনে/আগুইন্না পিঠা! কেউ তো দিল-না/দেয়-নি/দেবে বলেও মনে হয় –না! এই জাঁকানো শীতে। সব পরীক্ষায় সব সময় কিছু একটা হওয়া, এতো অভ্যাস হয়ে যাচ্ছে! সামনে… [বিস্তারিত]

কী-হতে-পারতো-র বাইরে গিয়ে, কী কী হয়নি/হবেও-না ভাবতে মন্দ লাগছে না, এই শীতের বৃষ্টিতে; আধো-বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্ধকারের আঁধার-হাতছানিতে, দুপুর-সূর্য আলগোছে সরে সরে যাবার পায়তাঁরা সন্ধ্যা সূর্যতে, তারাদের ইশারা-ভ্রুকুটি রক্তিম চিবুক বাড়িয়ে, রহস্য চাঁদের উদ্ধত-উদ্যত-উন্মুক্ত বুকে, কী কী হয়! কী কী হয়-না! কে জানে! বিলম্ব-যাত্রায় দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে এমন কী ই বা হতে পারে/পারতো এ অ-বেলায়! হে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

সময় ছুঁয়ে যাচ্ছে প্রত্যহের মত, সকাল-শিশিরের কোমল মমতায়, হেঁটে যাওয়া উত্তাল ভিড়ের মাঝে লিখে যাচ্ছি আমরা, অক্লান্ত হৃদয়ে পায়ে পায়ে, সুদূর কে কাছে ডেকে, না-অবাক প্রাণে; ঐ আগতের সোনা-দিনে বর্ণালী হৃদয়ের পাপড়ি-প্রান্ত ছুঁয়ে ছুঁয়ে দু’হাতে জড়িয়ে ধরে, সব গ্লানি মুছে, নীরব জল-কাঁপনে চোখ রেখে। অ-বিস্মিত হৃদয়-চোখে, শুধু সোনেলায় বেঁচে থাকব সবাই ব্যাকুল জ্যোৎস্না প্রদীপ হয়ে। [বিস্তারিত]

বছরের সালতামামি

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৪০টি মন্তব্য

বছরের শেষে এসে লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে, লিখব ভাবছি আর ভাবছি, কী লিখব জানিনা, লিখব কিনা তাও বুঝছি না। লিখলে কী হবে? না লিখলেই বা কার কী এমন বয়ে যাবে? আসলে লেখালেখি করা একদম ঠিক না। আমিও ঠিক করেছি আসল কিছু লিখব না। কাউকে পড়ার ফ্যাসাদে পড়তে হবে না। শীত-ঘুম জারি আছে, থাকুক তা। তবে কথা… [বিস্তারিত]

ফানুসি কবিতা

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩৬টি মন্তব্য

কবিতার মিথ্যে ফানুস উড়িয়ে ভঙ্গুর রেখায় ‘কোবি’ হাসি-হাসে আড়ালে, জুজুৎসুর প্যাঁচ কষে ওষ্ঠাগত করে দেব পাঠক-প্রাণ, মন্ত্রপূত হুল ফুটিয়ে আত্মরতি সেরে নেব, রমণীয় ব্যাঘ্রতায়; সূচি-মুখে চিঁ-চিঁ করে রস-প্রীতি ঢেলে দেব প্রণয়ের রীতিনীতি না-মেনে! পাঠকের চতুর-শ্লেষ সর্পিল-মোচড়ে বেসুরো করে দেব; দিনান্তে মেকি আনন্দ-সৌরভের অম্লান প্রীতি-পিদিম জ্বেলে রাখবো গৃহকোণে; নিঃশব্দ নিঃশঙ্ক চিত্তে দুর্নিবার গতিতে নিদ্রালু-হৃদয়ে জপে যাব… [বিস্তারিত]

জলোচ্ছ্বাসের পূর্ণিমা

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩০টি মন্তব্য

পিছু নেয়া একাকীত্ব আটকে ফেলেছে আমাকে পরিবর্তনহীনতায়, টিকে যাচ্ছে প্রতিটি দিন/রাত্রি, দীর্ঘ অবিচ্ছিন্ন শৃঙ্খলায়; নৈমিত্তিক স্ফুরণের দ্বন্দ্ব-সংঘাতের বর্ণিল আন্তরিক আবেগের রূপময়তায়। হে অন্ধ একাকীত্ব, চোখ ম্যালো, চোখ তোলো, প্রকৃতির পরতে পরতে আজ রঙের আভাস, অপস্রিয়মাণতায় কালো মেশানো আলো; পুড়ে পুড়ে ছাই হতে থাকা ভালবাসার নানান রং/ঢং স্বপ্ন পূরণের হাত ধরে উল্লাসে নিজেকে লুকিয়েছে, মসৃণ-তৃষ্ণার জলজ… [বিস্তারিত]

কাহিল শীতের ভালোবাসাবাসি

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৪৪টি মন্তব্য

“আমাকে নিয়ে কেউ দু’লাইন লেখে না” কাহিল শীতে, এই গ্রহণ-কালে, শৈত্য-প্রবাহের সাথে হিম বৃষ্টি ঠেলে ফেলে, হিমালয়ে সে যাবে, পণ ধরেছে, শেরপা বিহীন চূড়োয় উঠে গিরি খাদের ভাঁজ-খাঁজ খুলে খুলে বক-যন্ত্রে পরীক্ষা নেবে, গুহায় বসে খাবি খেতে খেতে বাতাসের অক্সিজেন গুনবো, ভীতি/হাঁসফাঁস চেপে রেখে ‘ও কিছুনা’ ভঙ্গিতে আয়েসি ভাব নিয়ে মর্তের খোঁজ নেবে। গর্জন মেঘের… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

“বাদবাকি বুঝায় দেন ভাই, আরে ভাই,শব্দার্থ তো বুজছি কিন্তু সারমর্ম টা বুঝি নাই।” শীত ভোরে, একটু তাকিয়ে দেখুন, কুয়াশা সকাল কেমন লাগে? হোক তা শহুরে অঘুম-ঘুম চোখে; গেঁয়ো পথের গ্রাম্যতা এড়িয়ে যেতে যেতে কুয়াশা ভেদ করে সুপারি বা নারকেল গাছের পার্থক্য কী করে বুঝি? শীত সকালের গ্রাম্য হাঁটে পথ-শিশুদের সাথে বসে থাকতে সুখ সুখ লাগে… [বিস্তারিত]

শীতের নদী

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩৮টি মন্তব্য

ভেবে রেখেছিলাম সাঁতরে পেরুবো শীত-নদী, ডুব সাঁতারে, বৃথা গেল সে-সব-ভাবনা, নিমিষে; রাত-ভোরের শীত-নদী উপছে-পড়ে ডাকেনি; এই দুপুরের মিষ্টি রোদে পিঠ এলিয়ে ভাবি, ঠিক উৎরে যাব এবার, বিষণ্ণ-প্রাণের গহীন-নদী; না-পূরনের এই জীবনে শীত –নদী নদীতে-ই ভেসে-ভেসে গেল, অলংকারের স্ফটিক চোখে, বেজোড় জীবনের তপ্ত রোদে গা মেলে জোড়া-শালিক-শিসের উজ্জ্বল উষ্ণতার খুনসুটি আর আসে না ভেসে এই শীত-শীত-ভোরে;… [বিস্তারিত]

গহীনের শীত-সাইবেরিয়া

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৪০টি মন্তব্য

শীত! কথা বলো এবারে, চোখে চোখ রেখে/ চোখে তাকিয়ে থেকে, এই যে নিয়ে এলে গহীনের শীত-সাইবেরিয়াতে টেনে টেনে/টেনে হিঁচড়ে, ভালোবাসা-বাসির কথার ফাঁদে ফেলে; শীত! ঝটকা মেড়ে কনুই চালিয়ে বা ঐ চোরা-চোখে নখ ফুটিয়ে পালাতে চেয়েও পালাতে পারিনি/পারিনা, কুহকের বেশে পথ আগলে দাঁড়াও গায়ে গা ঘেঁষে ঘেঁষে, তীব্র শীতে চুবিয়ে/ডুবিয়ে ক্রমাগত চিন-চিনে যন্ত্রণার স্রোত জিইয়ে রাখো!… [বিস্তারিত]

এস্কিমোদের দেশে

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩০টি মন্তব্য

প্রবল দাপুটে শীত, সুস্থ-শান্ত হয়ে গৃহস্থালি নিপুণতায় জাঁকিয়ে বসেছে, বসবে আরও আরও; হৃৎপিণ্ডে জড়িয়ে থাকা স্ফীত উত্তুরে হিমালয়-হিম হা হা হি হি স্বরে উথাল-পাতাল শিহরণে অনায়াস উৎসবে; মেলে ধরা আধো রৌদ্রের পুরনো শয্যা ছুঁড়ে ফ্যালে উদ্দামতার রুদ্ধদ্বারে; আমাকে হিড় হিড় করে টেনে নিয়ে যাবে/যাচ্ছে এস্কিমোদের দেশে, শুইয়ে দেবে/রাখবে বরফ ঘরে ফারের কোটে জড়িয়ে, শীত-শরীরের ইন্দ্রজালে,… [বিস্তারিত]

শীত, এসো এবার

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি২৮টি মন্তব্য

বিথীপথে দাঁড়িয়ে আছি নির্নিমেষ চোখে, ধোঁয়াশা/ধোঁয়াটে নগরীর আ-তীব্র কোলাহল আর ঝলমল আলোর রঙিন প্লাবন এড়িয়ে। সবুজের কোটর হতে চুপে টুপ করে কুয়াশা মেখে জবুথুবু হিম হিম শীত বের হয়ে আসবে গুটি গুটি পায়ে; তৃপ্ত-অতৃপ্তির দোটানায় তৃষ্ণা জাগানিয়া ঠোঁট চেপে /লুকিয়ে রেখে কল্পনাতীত স্পর্শেন্দ্রিয়প্রিয়সুখতায় ব্যাকুল হয়ে হয়ে ধাঁধাঁ হীন সিক্ত-বাঁধনে টেনে নেবে অন্তরঙ্গ বিমুগ্ধতায় কল্পনাতীত রূপ… [বিস্তারিত]