“বৃষ্টির জলের দাগ মুছে গেছে একদিন সকালের রোদে।” রুদ্র। চকিতে দেখতে পাবে/শুনতে ও পাবে নিস্তব্ধতার তীব্র দীর্ঘ নিঃশ্বাস, প্রখর রৌদ্র-চঞ্চলতার শেষহীন ব্যাকুলতা অচঞ্চল ফসলের মাঠ জুড়ে, মৌন হৃদপিণ্ডের শেষ আক্ষেপে; ইঁদুর এখন নিয়ে যাচ্ছে/নিয়ে নিচ্ছে বুক জুড়ে মুড়ে রাখা/থাকা সোনা সোনা ফসল; ছিল না এখানে কোন উদ্ধত যমদূত, নীরবে নিরবধি কাল বয়ে যাওয়া বাঁক-হীন একটি… [বিস্তারিত]

ছাইরাছ হেলাল
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১৩ বছর ১০ মাস ২৭ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৭৭৮টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ১৯৪৬০টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১১৬৯০টি
রিক্সা থেকে নেমে একটু হোঁচট মত খেলাম,খুব সাধারণ হোটেল জেনে-ই এসেছি,তা-ও,বন্ধুর (ছোট ভাইয়ের মত)সাথে। চো চো পেটে, দুপুরে। খুব-ই অপরিসর তবে পরিচ্ছন্ন, সাকুল্যে দু’টি প্লাস্টিকের টেবিলে মোট আট-টি চেয়ার নিয়ে এই ভাতের হোটেল। প্রায় মানবহীন গলিতে। অনেকটা হিন্দুস্তানি ধাবা স্টাইল। একটি টেবিল খালি হতেই দ্রুত জায়গা নিলাম, কিউ আছে যেহেতু। আমি, বন্ধুটি, আমাদের রিকশাওয়ালা আর… [বিস্তারিত]
এই যে চকিতের অজস্র বৃষ্টিতে ডুবে গেল, হোঁচট খেল, কত শত জলের-বাড়ি, অবোধ মনের অজ্ঞাতসারে; দুলতে থাকা ম্লান কাশফুলের দীর্ঘশ্বাসে শব্দহীন স্তব্ধতা নেমে আসে, নিঃসঙ্গতার অন্ধকারে, নিঃশব্দতার সরব মুহূর্তের অবিরাম পদক্ষেপে; স্বপ্ন-আঁকা স্তিমিত অলস চোখ চেয়ে থাকে নির্ঘুম প্রতীক্ষায়, উর্বর রক্তিম ঠোঁটের নির্ভীক আভাসে; ক্লান্ত-অতৃপ্ত-রাত্রি বিষণ্ণ মুখে শিশির ভেজা সকাল খোঁজে প্রাণপণে, কাঁচা-সোনা রোদে ,… [বিস্তারিত]
হেমন্তের আনন্দ-দেহে এ কোন্ বিরহ ক্রন্দন! নিমেষে-নিমেষে ক্ষণে-ক্ষণে কেঁদে যাওয়া,কাঁদাকাটা; ব্যথা-লজ্জার অপঘাত অভিঘাতে দুর্বোধ্য বেদনার স্ফুটনে আবেশে ডুবেছো ডুবায়েছো নিদ্রাহীন ছায়া পথের মায়া বিভ্রমে; হিরণ্ময় প্রেম-অমৃত-অভিলাষী হেমন্ত, নিত্য সুন্দরের বার্তা নিয়ে নবান্নের কানে কানে কী বল? পৃথিবীর ঐ শেষ সীমায় রূপকথার রাতে,হঠাৎ-ব্যথায়, ভালোবাসি ভালোবাসি? আদিম রাতের বেণীর-ফাঁদে? নিঃসঙ্গতার ভাঁজ-ভাঁজ ছদ্মবেশে? চাঁদের প্রেত-রাতে? কবিতার উন্মুখ স্নিগ্ধতা… [বিস্তারিত]
হেমন্ত! এ কোন্ ক্রমাগত ঝরে পড়া,অক্লান্ত বিষণ্ণতা,এ-বেলায়,ও-বেলায়,অবেলায়! অহেতুক আটকে পড়া, আটকে যাওয়া, দিনান্তে-ও;হৃদয়ে কাঁপন জাগে হিম-বাতাসে, সান্নিপাতি বা ওলাওঠা না হোক, সামান্য গা-গরম তো হতেই পারে, বুকে নিমুউনিয়ার ডাক না হয় বাদ-ই দিলাম! এ-কী!দিনান্তে একটু তাড়িয়ে/নাড়িয়ে মজা দেখা/মজা নেয়া! দেখ্ এবার,কত বড় ‘ক’! নাকি গভীর কোন ষড়যন্ত্র! ফেলে রাখা ফেলে যাওয়া, কাঁচাপাকা ফসলের মাঠে, নৈমিত্তিক… [বিস্তারিত]
কাঁচা-পাকা অরণ্য-ধানের ঘ্রাণে দগ্ধ-রৌদ্রের ডানা মেলে ছুটে আসে পতঙ্গকুল, মৌ-গুঞ্জনে; নিরাল রাতের স্বপ্ন-জোনাকি নিভু নিভু করে জ্বলে, এই হেমন্তে, কাঁপাকাঁপা হৃদয়ের মসৃণ-ধ্বনি প্রতিধ্বনি তোলে, বিষণ্ণ-হৃদয়ের দীর্ঘ-দেয়াল জুড়ে; ছোট্ট বুনো-মৌমাছির নীল-গুঞ্জন নিরন্তর শুনি, উদাসী দুপুরের প্রাণের নিখিলে; দোল খাওয়া সোনা-ধানের বনে আগুনের শিখা হাওয়ায় ভাসে, এক ফোঁটা মেঘ একটু ঝুম বৃষ্টির ঝলকে ফিরে আসবে উজ্জ্বল শরীরী… [বিস্তারিত]
প্রবল প্রত্যুষে হেমন্তের সোমত্ত-সোনালী-চাঁদ পশ্চিম আকাশ জুড়ে ম্লান আলো ফেলে রেখে জানলা জুড়ে এসে দাঁড়ায়! নবান্ন যে এসে গেল দোর গোঁড়ায় সোনালী ধানে ছেয়ে যাচ্ছে সারা প্রান্তর; শিশিরের ঘ্রাণে, উৎসবের আহ্বানে, উঠবে আঁটি আঁটি সোনা সোনা ধান, সুস্বাদু অন্ধকার এড়িয়ে এসে দাঁড়াবে এ সোনালী আঙ্গিনায় চোখে চোখ ঘসে; হে আজন্ম কৃষক, এসো এ নবান্ন-প্রাণের-উৎসবে। অকাতর… [বিস্তারিত]
রজনীগন্ধার আড়াল নিয়ে কোন এক চেনা/অচেনা সৌরভে ভেসে ভেসে এলে! স্তব্ধের গভীরতায় গভীর হেমন্ত সকালে; শিশিরে শিশিরে আগলে রেখে, ঘাস ফুল আর মৌ-গুঞ্জনে; এ কোন্ নিঃশ্বাস-বিবশ সকাল! এ কোন্ সোনা-রোদ-ঝলক! চকিত মুহূর্তের নিস্তব্ধতায় এঁকে দিলে এ কোন্ উদ্ধত নরম শব্দহীন রক্তাক্ত-স্নান! এক জলজ্যান্ত ক্লান্ত-সুখ-স্বপ্ন, মহুয়া-গন্ধে ঘুমহীনের জীর্ণ অন্ধকার-রাত শেষে; [বিস্তারিত]
স্বাদ আসা দেহ-প্রাণ এখন নুইয়ে পড়েছে পাড়াগাঁয়ের পথে পথে, শহরে শহরে-ও শ্রান্ত-ক্ষান্ত উৎসব শেষে; আবার আসবে সে উৎসব এলে জোয়ারের উঠোন পেলে ঝরে পড়া রূপ নিয়ে; উৎসব আজ বিকলাঙ্গ প্রায় দুরন্ত সিঁদুরের ফলন্ত শরীরী ঘ্রাণে আহ্লাদ হাসে না, বিবস্ত্র অবসাদে ঢেকে ফেলেছে সাধের ভাঁড়ার ঘর। হে নক্ষত্র রাত ফিরে এসো আবার আনকোরা অনাকার হেমন্ত-হাওয়ার জ্বলে… [বিস্তারিত]
ঘুম-চোখ চেয়ে আছে কত রাত অব্দি! চেয়ে-চেয়ে দ্যাখে, নক্ষত্র রাত, নক্ষত্রের রাত, ঐ দূর পানে, যদি খসে পড়ে দু’একটি তারা; টের পাই রাত-পাখির-ডানা; ঘুমিয়ে থাকি চোখ মেলে, অবশ-বিবশ-ঘুম-চোখে। মনে পড়ে, মনে পড়ে; এই তো সেদিন, সেদিন; সুস্থ-সবল হৃদয়ে ঘুমেরা নোঙর ফ্যালে, নোঙর ফেলে রাখে, দিনে, রাতে, স্নিগ্ধ রূপসী স্বাদে, মিহি হিমের জাঁকালো কাশফুল শরতে, যন্ত্রণার… [বিস্তারিত]
প্রত্ন-জীবন নিয়ে ভাবি, লুকিয়ে/গুটিয়ে রেখে দেব প্রাণের গভীর-গহীন গোপন কথায় প্রাণিত নিগুঢ় আড়াল-হীন অনুভবে। ভুলে যাওয়াযাওয়ির দীর্ঘশ্বাস-ঝলকে স্বেদার্ত হৃদয়ে বাজে হেঁয়ালিপূর্ণ বিষাদ-সুর,অহেতুক ঝরা বৃষ্টির বাঁকে দুলে যাওয়া/দুলতে থাকা শত-শুভ্র-কাশবন তুচ্ছ করি অক্ষর সচেতনতায়; সাগর-শিথানে কী দেখ তুমি ঐ দূর-দিগন্তে, দূর-আকাশে! করুণ আকাশে অব্যক্ত নীলের বিভীষিকা শুধুই, প্রাণ-যাত্রার ক্লান্ত-ধূসর অভিসারে; [বিস্তারিত]
হঠাৎ জেগে উঠি রাম-চিমটির ভেদ করা অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে,জো নেই উহু আহা’র চিৎকার চেঁচামেচি, হাত চাপা মুখে। ঝুলে পড়া বেঢপ ভুঁড়িতে হাত বুলাতে বুলাতে খুঁজি, খুঁজি ইতিউতি নাহ্,কোথাও কেউ নেই, টু শব্দটিও টের পাচ্ছি না,ভাঁড়ার ঘরে উঁকি দিয়ে ছানাবড়া চোখ নিয়ে দেখি---- নিপাট-গোছানো-দুঃখেরা আড়মোড়া ভেঙ্গে পাশ ফিরে শুচ্ছে!! চোখে আগুন-পুষে ভাবি, দেব নাকি অগ্নি-বাণে ছারখার… [বিস্তারিত]
দূরাধিগম্য বেদনাদ্র হৃদয়ের অনীহ চিত্তে শূন্যতা দেখছে দিবাস্বপ্ন, জমে থাকা থিকথিকে বিজন-বিস্বাদ বিষাদ-ক্লান্তিতে; একাকীর একচিলতে চিলেকোঠার ঘুলঘুলিতে চুয়ে পড়া চিরন্তন আলোছায়া নীরব প্রতিফলনে খুব গুছিয়ে খেলা করে আকাশের নীল নিয়ে, আকাশকুসুমের বনানীতে ওত পেতে থাকা ভেক-ধরা সময় প্রচ্ছন্ন অবচেতনে নৃশংস ভাবে হত্যা করে অলক্ষ্যে প্রতিনিয়ত দাগী হত্যাকারীর সতর্ক অসতর্কতায়। তড়পানো হৃদয়ের অলৌকিক অন্ধকারের সিঁড়ি বেয়ে,… [বিস্তারিত]
The Hallow Men TS Eliot ============================== We are the hollow men We are the stuffed men Leaning together Headpiece filled with straw. Alas! Our dried voices, when We whisper together Are quiet and meaningless As wind in dry grass Or rats' feet over broken glass In our dry cellar Shape without form, shade without colour,… [বিস্তারিত]
সোনেলা, সোনেলা, অতঃপর সোনেলা; সোনেলার জন্ম-মাসে সব্বাই নিজের মত করে অনুভূতি ব্যক্ত করেই চলছে, বোধ করি আরও কিছুকাল অব্দি তা জারি থাকবে, থাকুক থাকুক, ভাল লাগছে তো বেশ। প্রকারান্তে সমস্যাটি হচ্ছে, এত সুন্দর করে সবাই আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তাতে হিংসে করতে ইচ্ছে হচ্ছে। অবশ্য হিংসে করার সমর্থ নিয়েও সন্দিহান হচ্ছি। আবার কিছু-মিছু লিখতে-ও ইচ্ছে হচ্ছে,… [বিস্তারিত]

















