যে শহরে তোমার বাস, সেই মাটির ঘ্রাণ নিয়ে বেঁচে থাকি আমি প্রতিদিন অথচ তোমার শহরের বাতাস দূষিত পেট্রোল-ডিজেলে, হাসপাতালের এমার্জেন্সিতে চাটাই পেতে শুয়ে থাকা শ্বাসকষ্টের যন্ত্রণায় কাতর রোগী; বৃষ্টির দিনে হাটু-জল কাদায় ডাষ্টবিনের ময়লা ভাসতে থাকে, একবেলা খাদ্য জোটেনা যে শহরে যে শহরকে ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে একটুকু সুখের খোঁজ করতে, কেবল ওই শহরে তুমি… [বিস্তারিত]

নীলাঞ্জনা নীলা
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১৩ বছর ১০ মাস ২৭ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৩২০টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ১০০৩৬টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৪৯২৯টি
বই পড়তে ভালোবাসি। যখনই টরেন্টো যাই, ডেনফোর্থের ATN Mega Store-এ আমি পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও যাবোই যাবো। দু' সপ্তাহ আগে গেলাম, গিয়ে বই কিনলাম সেলিনা হোসেনের "গেরিলা ও বীরাঙ্গনা", চিত্রা দেবের "ঠাকুর বাড়ির অন্দরমহল", "ঠাকুর বাড়ির বাহির মহল।" হঠাৎ চোখে পড়লো প্রখ্যাত অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের ছবি সম্বলিত একটি বই। দূর থেকে ভাবলাম বুঝি আত্মজীবনী, কাছে… [বিস্তারিত]
**লেখাটি উৎসর্গ করছি সুইট-কিউট, চিরকিশোরী আমার মামনি মীরা দাসকে। আমি কৃতজ্ঞ তাঁর কাছে, শুরুটা ধরিয়ে দিয়েছিলো। গতবছর থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম লিখতে, কিন্তু পারছিলাম না। আজও হতোনা, যদি না মামনি আমাকে সাহায্য করতো।** "তেলের শিশি ভাঙ্গলো বলে খুকুর 'পরে রাগ করো..." খোকাও হতে পারতো। খুকুই কেন? নাহ আমি এ নিয়ে নারী-পুরুষ দ্বন্দ্বে যাচ্ছিনা। একটি শিশু… [বিস্তারিত]
সকাল-সন্ধ্যা-রাতের জ্যামিতিকে পাশে রেখে মধ্যবিত্ত কবোষ্ণতায় পানকৌড়ি হই চলো। প্রবহমান প্রতীক নির্জনতার ভেতর দিয়ে ইশারায় বহুমাত্রিক বিভাজন তুলি, তুমি তো জানোনা, তুমি মানেই ভিন্টেজ ওয়াইনের স্বাদ, জীবন বিবর্তিত ব্যাকরণ মায়াবী মৃগয়াভূমি। আবার তুমি-ই অসমাপিকা ক্রিয়ার ভেতর জেগে ওঠা একজন অহঙ্কারী খুনী প্রবহমানতা থামিয়ে দিয়ে অশরীরী হওয়া এক অসম্ভব ছায়ার মায়া শোনো, তোমার জন্যে 'আমাদের' মৃত্যু… [বিস্তারিত]
যেদিন আমার মৃত্যু হবে, সেদিন সমস্ত দিন আবহাওয়া থাকবে নাতিশীতোষ্ণ দিনের আলোতে গহীন সবুজের ভেতর চোখ মেলে দেখবো খোলা ওই আকাশ আর আমার নিঃশ্বাস হঠাৎ করেই চুপ। যেদিন আমার মৃত্যু হবে, স্বাধীনতার স্বাদ নেবো নাকি পরাধীন হবো, জানা নেই; তবে সেদিন আমাকে আর সন্ধ্যের মুখোমুখি হতে হবেনা, ভরপুর রোদের হাসি চোখে মেখে অজানায় পাড়ি দেবে… [বিস্তারিত]
অনেকগুলো দেশ ঘুরেছি আমি। কিন্তু মন কেড়ে নিয়েছে সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। এতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাস্তা-ঘাট আমি আর কোথাও দেখিনি। হুম ইয়ূরোপ অনেকটাই পরিচ্ছন্ন, তবে জাপানের মতো নয়। প্রায় পাঁচটি বছর ছিলাম আমি জাপানে। মোটামুটি বহু জায়গা দেখা হয়ে হয়েছিলো। জাপানের ট্যুরিষ্ট স্পটগুলো প্রতিটিই আকর্ষণীয়। অনেক ভীড়ের মধ্যেও কারো সাথে কারো ধাক্কা লাগছে না, কোথাও কেউ এলোমেলোভাবে… [বিস্তারিত]
আজ রাস্তায় এতোই ভীড় যে পা ফেলা যাচ্ছেনা। কোন এক সিনেমার নায়ক-নায়িকা আসবে, পুরো শহর যেনো এদিকেই দৌঁড়ে আসছে। ওদিকে দেরী হয়ে যাচ্ছে অর্ডারগুলো সকাল এগারোটার মধ্যে দিতে হবে। অনুপা কাঁথা সেলাইয়ের কাজ করে। ছোটখাটো অর্ডার পায়। একসময়ের শখ আজকের পেশা। স্পর্শ হঠাৎ করেই চলে গেলো না-ফেরার দেশে। আর কঠিন ধাক্কা খেলো যখন দেখলো একটা… [বিস্তারিত]
শোনো, অনেক কথা বলার আছে; তোমার কি সময় হবে শোনার? যে কথাগুলো আজ না বললেই নয়, জানো না তো কতো কি ঘটে গেছে! ওই যে সেই সন্ধ্যার বিমর্ষ রাগ সে সুর তোলেনি আজ। এমনকি ধ্রুপদী আকাশ নেচেও ওঠেনি। কি হবে এখন? আলাদা করে একটি নদী সাজিয়ে রেখেছিলাম, সে কথা ভেঙ্গে ভেসে গেছে বিলুপ্ত নগরীর কোনো… [বিস্তারিত]
"অপেক্ষায় থেকো, আমি আসবো"---নাহ এ কথা বলেনি সে, তবুও কেন জানি মনে মনে অপেক্ষা করে যেতেই থাকি। কখনো বসন্ত বেলায় কৃষ্ণচূড়া ফুল আমার খোঁপাতে পড়িয়ে দিয়ে বলেনি, "তোমাকে বেলী ফুলে নয়, এই কৃষ্ণচূড়াতেই মানায়।" যদিও জানি ওর প্রিয় ফুল কৃষ্ণচূড়া নয়। ওর সাথে খুব কম কথা হতো, আমি বলে যেতেই থাকতাম, আর ও টুকটাক। ওর… [বিস্তারিত]
অকৃতজ্ঞ স্মৃতিগুলো মোচড় খায়, খামচে ধরে রক্তাক্ত করে চলিষ্ণু সময়। চলোর্মির মতো ধাক্কা দিয়ে দিয়ে ভেঙ্গে যেতে থাকে জীবনের নগর-জনপদ স--ব, সবকিছু-- এসবকিছু এলোমেলো করে দেয় আমার চারপাশ। চাতুর্যহীন এই আলোড়ন নিয়ে কেউ কি কিছু ভাবে? হিসেব দিয়ে হিসেব খুঁজে চলি, বে-হিসেবীর মুখোশ পড়ে কলিযুগের ব্যুহতে প্রবেশ করি অস্ত্র হাতে নিয়ে যুদ্ধ করতে নয়, দাঁড়িয়ে… [বিস্তারিত]
পথভোলা পথিক তুমি আমায় "রাঙিয়ে দিয়ে যাও, যাও, যাও গো এবার যাবার আগে!"---বসন্তের শেষ দিন। প্রকৃতিকে রাঙিয়ে দিয়ে সে চলে যাচ্ছে। এইতো সেদিনকার কথা, বসন্ত উৎসব! নাহ বিশাল আয়োজন করে নয়, আমাদের বাসায় হ্যারিকেনের আলোয় হারমোনিয়মে মামনি আর তবলায় বাপি, আর ছোট্ট আমি গান গাইছি চোখ বন্ধ করে। "ওরে গৃহবাসী খোল্, দ্বার খোল্, লাগল যে… [বিস্তারিত]
ফড়িঙের মতো একটা জীবন যদি পাওয়া যেতো, অনুভূমিক পাখায় ভর দিয়ে এদিক থেকে ওদিক ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতাম। "যে জীবন ফড়িঙের,দোয়েলের-মানুষের সাথে তার হয়নাকো দেখা" সত্যি কি তাই! কেন আমি তবে মানুষ হোলাম? বেনোজলে খড়কুটো হয়ে ভেসে গেলে একদিন হয়তো ঠিক সমুদ্রে মিশে যাওয়া যেতো। যদিও সমুদ্র ভালো লাগেনা আমার। তবুও কোথাও তো যাওয়া হতো! কতোদিন… [বিস্তারিত]
তুই, যাকে আমি কোনো এককালে ভালোবেসেছিলাম। উদ্দেশ্যহীনভাবে ভালোবেসেই যাচ্ছিলাম। বিষণ্ণ ছায়া ভেবে কখনোবা ক্যামেলিয়া ফুল। কখনো দেখেছিস ক্যামেলিয়া ফুল দেখতে কেমন? প্রেমহীন আলোর ভেতরে আমি খুঁজে যাচ্ছিলাম নীল আগুণ। যেখানে রোজ নিজেকে জ্বালাতে আর পোড়াতে রেখে দিতাম শুকনো কাঠের মতো। জানিস কয়লা যখন আগুণে পোড়ে সে কাঁদে? শুধু তার নাম দিয়েছি স্ফুলিঙ্গ। রোজ কতো কতো… [বিস্তারিত]
অ) কতোটুকু চেনো তুমি নিজেকে? কমা, সেমিকোলন নাকি বিস্ময়কর যতি! আমি বলি, “এটুকুই চিনি, তোমার ওই প্রশ্নের মতোই!” (আ) কি চাইবার আছে আর! মরুভূমি পেয়েছি, সমুদ্রও; দু’ চোখেই আমার। (ই) পাহাড়ের গায়ে আকাশ নাকি মেঘ? কি জানি কোনটা! যেমন উদ্দেশ্য আর বিধেয়, না কি! (ঈ) বিত্তহীন নদী দেখো, গাঙচিলেরও দেখা মেলেনা; সাঁতার? নাহ! (উ) আরেকটি… [বিস্তারিত]
ওই যে যেখানে নি:শব্দ শুয়ে আছে, তার ঠিক একটু সামনে এগিয়ে একটা গলি। সেই গলি পেরিয়ে সামনে এগোলে ডান দিকে পড়বে বড়ো রাস্তা। সেই রাস্তার ধার ঘেঁষেই একটা সবুজ লেক। ঠিক ওখানেই আজ অভিজাত কোলাহলের উৎসব। হুম কোলাহল কোনো মানুষের নাম নয়, আমার নাম। আমি কে? সেই পরিচয় দিতে গেলে যে কাহিনী সংক্ষিপ্ত থাকবে না।… [বিস্তারিত]


