উদ্দেশ্য-বিধেয় স্তবকেরা

 

ছায়া...
ছায়া…

অ)  কতোটুকু চেনো তুমি নিজেকে? কমা, সেমিকোলন নাকি বিস্ময়কর যতি!
আমি বলি, “এটুকুই চিনি,
তোমার ওই প্রশ্নের মতোই!”

চোখ...
চোখ…

(আ) কি চাইবার আছে আর!
মরুভূমি পেয়েছি, সমুদ্রও; দু’ চোখেই আমার।

মেঘ-পাহাড়...
মেঘ-পাহাড়…

(ই) পাহাড়ের গায়ে আকাশ নাকি মেঘ?
কি জানি কোনটা!
যেমন উদ্দেশ্য আর বিধেয়, না কি!

বিত্তহীন নদী...
বিত্তহীন নদী…

(ঈ) বিত্তহীন নদী দেখো,
গাঙচিলেরও দেখা মেলেনা;
সাঁতার? নাহ!

রাস্তা...
রাস্তা…

(উ) আরেকটি মাইলস্টোন অভিমুখে !
রাস্তা থেমে থাকতে জানেনা…//

হ্যামিল্টন, কানাডা
৩১ মার্চ, ২০১৭ ইং।

<<এইমাত্র, এখুনি হঠাৎ করে লেখাগুলো চলে এলো। সোনেলা আমার খোলা খাতা। লিখে রেখে চলে যাই, যা মন চায়, তাই-ই>>

মোট পড়েছেনঃ ৮১০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪২টি মন্তব্য

    1. অসময়ের দিকে যদি যাওয়া যেতো, তাহলে কতো কি বদলে যেতো! শৈশব-কৈশোর সব হাতের মুঠোয় চলে আসতো, তাই না?

      আপনি কি জানেন কতো সুন্দর মন্তব্য দিতে পারেন? 😀

      1. নাতো!! আপনি তো শেখাবেন বলেও শিখাইল্লেন না!!
        খালি দাঁতু দ্যাহাইলেন!!

        শুধু শৈশব কৈশোর না, আরও অনেক কিছুই হাতের মুঠোয় এসে পড়ত!!

      2. এতো সুন্দর মুক্তোদানার মতো দাঁত, দেখাতেই হয়! 😀
        শুনুন শিখতে হলে জ্ঞান থাকা চাই।
        শেখার মতো বেরেইন কি আছে আপনার? থাকলে তো কবেই শিখাইয়া দিতাম আপনারে!
        নামকরা মাস্টারনি আমি, জানেন না?

  1. ছবিগুলো দেখছি আর দেখছি। আর চোখ থেকেতো চোখ ফেরাতেই পারছি না। এত সুন্দর চোখও হয় মানুষের?

    একেকটি ছবি আর ক্যাপশন আলাদা আলাদা অনুভুতি তৈরি করছে মনে।

    দারুন! দারুন!

    1. নীহারিকা আপা চোখ আস্তে আস্তে ইঁদুরের চোখে পরিণত হয়ে যাচ্ছে। চশমার পাওয়ার ক্রমশ বড়ো(বাড়ছে) হচ্ছে। 🙂

      আসলে ছবিগুলো পরে এড করেছি।
      অনেক ভালো থাকুন।

  2. ভিন্নধর্মী পোষ্ট। একারণেই ব্লগ ভালোবাসি। এখানে ভিন্ন কিছু পাওয়া যায়। নিজের মাঝে যে শূন্যের চড়াছড়ি তা ব্লগে এলেই বুঝতে পারি। -{@

  3. সকালে দেখলাম জুলিকেও দেখালাম। তোমার মতো কবে এমন করে উপস্থাপন করতে পারব বলো তো? আমি ছেলে হলে কি বলতাম জান,”ও চোখে আমার শুরু আর শেষ।” এতো স্বচ্ছতা যে কি বলব! অন্য ছবিগুলো ম্লান লাগছে। একদম নীলনদের গভিরতা ফুটে উঠেছে। নেই কোনো উত্তাল ঢেউ। শান্ত এক স্নিগ্ধতা।
    তোমার সেরা ছবি ব্লগ। ভাল থেকো আপু।

    1. ইস রে!
      শোনো আমার পুত্রের বাবাকে শিখিয়ে দিতে হবে এই লাইনটা “ও চোখে আমার শুরু আর শেষ।” তবু যদি একবার বলে। 😀 :p

      ভালোবাসো অনেক আমায় জানি তো!
      তোমার মতো করে অতো ভালবাসতে পারতাম যদি। -{@ (3

      1. আহারে কেঁদো না। ওগো আমার শান্তসুন্দরী আপু কাঁদেনা, কাঁদেনা।
        এই নাও আমি আছি শ্রোতা, তুমি গান করো আমি কান পেতে শুনবো। -{@

  4. আহ, আমার প্রিয় বোনটার চোখ কি যে সুন্দর….
    ছায়াটা এতো লম্বা কেন, নিশ্চয় আপনিও বেশ লম্বা, আমার মতো, আমি তো ৬ ফুট। 😀
    পাহাড়ে মেঘ থাকলেই ভালো লাগে, নাহলে ন্যাড়া ন্যাড়া মনে হয়।
    আমি কিন্তু সাঁতার জানিনা আপু। ;(

    1. ছায়া লম্বা হলেই কি আর লম্বা হওয়া যায়? আমি মোটে ৫-২ 🙁
      তবে আপনার ভাগ্নে ৫-৯। ওর ইচ্ছে মিনিমাম ৬ হবার। ওর জীবনের লক্ষ্য বাস্কেটবল খেলোয়ার হওয়া।
      সাঁতার আমিও জানিনা। 🙁 আহা কাঁদতে নেই।
      আর চোখ ক্রমশ ইঁদুরের মতো হচ্ছে। 😀

      অনেক ভালো থাকুন আমার একমাত্র হ্যান্ডপাম্প ভাইয়া।

    1. এই না হলে আমাদের পিচ্চি আপু!
      অসাধারণ মন্তব্য।
      বিত্তহীন নদী – যে নদীতে জল নেই, যেখানে জলচর পাখীরা সাঁতার কাটতে পারেনা।
      আমি সেটা বোঝাতে চেয়েছি।

      অনেক ভালো থাকুন। -{@

  5. এই পোষ্টে পরে এসে মন্তব্য করব। তবে যা বলতে আসলাম তা হলো হুটহাট মানুষ এতো ভাল লেখে কি করে?
    সরি ”মানুষ” হবে না। সব লেখকরাই মানুষ তবে সব মানুষ লেখক না। আপনি মানুষ না লেখক মানুষ।

    1. সেরেছে আমি যদি লেখক হই, তাহলে যাঁরা সত্যিকারের লিখিয়ে তাঁদেরকে কি বলবো?
      ওই উঁচু আসনে বসাবেন না, আমি কিন্তু মাটির মানুষ, লেখক না।
      বুঝেছেন? 🙂

  6. পাহাড়ের গায়ে আকাশ নাকি মেঘ?
    কি জানি কোনটা!
    যেমন উদ্দেশ্য আর বিধেয়, না কি!

    আসলেই তো, পাহাড়ের গায়ে আকাশ নাকি মেঘ? অসাধারণ। প্রহেলিকার মতের সাথে সহমত।

    1. আনিছ ভাইয়া নজরুলের গানের মধ্যে খুব প্রিয় একটা লাইন, “আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমোয় ওই!”
      আর ওই লাইনটি-ই আমাকে লিখিয়েছে পাহাড়ের গায়ে আকাশ নাকি মেঘ?

      অনেক সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। শরীর কেমন এখন?
      ভালো থাকুন।

    1. মন্তব্যও দিওনা। কে কইছে আসতে তোমারে? ইস তাকায়না! আমি জানি তুমি তাকাও নাকি না। মাইয়া আড়চোখে চাইয়া দেখে, তোমারে ভালো কইর‍্যা চিনি, জানি ওগো তিলোত্তমা অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসিনী। 😀 :p

  7. ও নীলাপু শোন তোমার আজকে মন্তব্য টন্তব্য দিয়ে কাজ নেই, তুমি আজ ঘুম দাও। দেখো আমি মাসের শীর্ষ মন্তব্যকারী হইছি। কএকবার চোখ ডলেও দেখি ঘটনা সত্যি। স্ক্রিনশট দিয়া রাখছি। এতো যা তা কথা নয়।
    ঘটনা হইলো সেই থ্রি ইডিয়েটিসের মতো নিচের থেকে নাম খুঁজি দেখি আমার নাম নাই। এ কি কান্ড! পরে দেখি এক্কেরে উপ্রে। ও নীলাঞ্জনা চাশমিশ, আজ আমার ঈদের দিন \|/

    1. হায়রে আগে তোমার মন্তব্যটা দেখলে ঠিক মন্তব্য দিতাম না।
      কিন্তু এখন যে সব দিয়ে ফেলেছি! 🙁

      আমি স্যরি। মন খারাপ করোনা প্লিজ। সত্যি সত্যি লাভ ইয়্যু। -{@ (3

      1. শোনো তুমিও আমাকে চিনতে পারো নাই। লাভ ইয়্যুটা সত্যি, আর বাকি সবকিছু কিন্তু ভাব।
        তোমার মন্তব্যটা যদি দেখতামও, তাহলে আরও বেশি বেশি মন্তব্য করতাম, বুঝেছো? :p 🙂

মন্তব্য করুন