পুর্বের লেখাটি পড়ুন এখানে : একদিন হাসির দিন সারা রাত ট্রেনে জার্নি করে গত সকাল ৭টা ৩০এ রংপুর স্টেশনে এসে নেমেছি। সেখান থেকে গাড়িতে করে গ্রামের বাড়ি। গত রাতের কথা গত পোস্টে আছে। আজ তারপরের রাতের কথা। আগেই বলেছি আমাদের বাড়িতে এখনও কারেন্ট যায় নাই। ভুল বললাম, শুধু বাড়িতে নয় গ্রামেই কারেন্ট আসে নাই। আমাদের… [বিস্তারিত]
খসড়া
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১৩ বছর ৩ মাস ২৬ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৫২টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ২৬৭৮টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৭২৬টি
আমাদের পরিবারটা বেশ বড়। আমরা প্রতি বছর একবার বাড়িতে যাই সবাই মিলে। উদ্দেশ্য পরিবারের প্রতিটি সদস্য বছরে একবার আন্তত একত্রিত হওয়া । আমরা রাতের ট্রেনে করে সবাই মিলে ঢাকা থেকে এলাম। এটা একটা মজার যাত্রা। এবার আমাদের সাথে এসেছে আমার মেঝবোনের ছেলে ও তার বউ বাচ্চা, যে চাকুরি সূত্রে সৌদীআরবে থাকে । সে অনেক দিন… [বিস্তারিত]
আমার একটি বৃষ্টি বারান্দা ছিল। বারান্দাই বলবো কারন এর দুই দিক জুড়ে ছিল অর্ধ দেয়াল। অর্ধ ঠিক নয় তার চেয়ে নিচু । আর এর অর্ধেকটায় ছিল ছাদ। সবুজ টিনের ছাদ। একে আমি জোৎস্না বারান্দাও বলতাম। কারন এখানেই আমি জোৎস্নার জলে গা ভেজাতাম। পাশে নিম গাছের ঝিরঝিরে পাতাগুলি অপূর্ব ছন্দ তুলে গুনগুনাতো যখন বাতাস বইতো। যখন… [বিস্তারিত]
সেদিন তুমি বলছিলে, নীল আকাশের ভেলায় আস মীলা স্বপ্ন উড়াই মীলা আসনা এই স্বপ্নগুলিকে সব পিছুটান ভুলে কোঁচড়ে কুড়াই সেদিন মীলা খুব দূরে নয় যেদিন সুখ পানসী ভিড়বে ঘাটে, বুঝেছ নীলা জীবনের এমন স্বপ্ন কজনেরই সার্থকতা ঘটে।। সরি সরি সরি সরি মীলা তুমি আর আমি আমাদের এই জীবনের সেই যে শুরু পথচলা---------- ------------------------------------- ----------------------------------- আর… [বিস্তারিত]
সেদিন বের হয়েছিলাম আদন্দ ভ্রমনে। কত দিন পর বিনা কাজে, বিনা প্রয়োজনে বেড় হলাম শুধু বেড়াবার জন্য। বাচ্চারা বার বার জিজ্ঞাসা করছে আমরা কোথায় যাচ্ছি, উত্তরে শুধু বলছি --বেড়াতে যাচ্ছি,বেড়াতে যাচ্ছি। আজ শুধু বেড়াবার দিন। বিকালে রোদ পশ্চীমাকাশে হেলে পড়বার সাথে সাথে আমরা বড়িয়ে পরলাম। কোন গন্তব্য নেই। হাইওয়ের পাশে যেখানে থামতে ইচ্ছে করবে, সেখানেই… [বিস্তারিত]
সোনিয়ার বিবাহিত জীবনের আজ বাইশ বছর। খুব স্বাভাবিক ভাবেই সোনিয়া ভেবেছিল জাফরের মনে নেই, মনে থাকবেও না। না এ নিয়ে জাফরের প্রতি কোন অভিমান বা রাগ কোনটাই তার নেই, বরং এটা নিয়ে এটা সেটা বলে খুনটুসি করে সোনিয়া একরকম মজা পায়। আজ ঘুম ভাঙ্গল জাফরের হাতের স্পর্শে। গায়ে হাত দিয়ে টেনে নিয়ে কপালে চুম দিয়ে… [বিস্তারিত]
জরির স্বামীর নাম সাহেব আলী। দিন মজুরী তার পেশা। যেদিন কাজ পায় সেদিন তো যার বাড়ীতে কাজ তার বাড়ীতেই খাওয়া । সন্ধ্যার সময় দুই সের চাল আর পঞ্চাশটা টাকা। উহ সেদিন তার ফুর্তি তে গলা দিয়ে গান বের হয়। বাসায় বউটা আর বাড়ীর সবাই কি খেল না খেল তা দেখার কি আছে! চালের সঙ্গে এক… [বিস্তারিত]
যারে তুমি আপনার মনে তুমি বল কেন আমার সমুখে আপনি ডাক? যার চোখের গভীরে গাঢ় দৃষ্টি ফেল একান্তে নির্জনে কেন আমার সমুখে তারে এড়িয়ে চল? তোমার এই অভিনয় খুব কষ্ট দেয়, চেনা তুমি অথবা আমি অচেনা। এই ছলনা তোমাকে হীন করে অসম্মানিত আমি এই ভাবনায়। নিদ্রাহীন রাত কাটে, একটি উত্তর খুঁজে। আমি সত্যিই কি সাধারনের… [বিস্তারিত]
শ্যামল কোমল গাঙেও ব-দ্বীপে , তোমার বজ্র কন্ঠে যখন ধ্বনিত হলো আমোঘ বানী, অকস্মাৎ ঘটে গেল মহাপ্রলয়। উর্ধ্বে উৎক্ষিপ্ত জ্বলন্ত লাভা ছুঁয়ে দিল আকাশ পৃথিবী কাঁপিয়ে জেগে উঠল লক্ষ প্রান।। জল স্থল অন্তরিক্ষের মাঝে মুখ তুললেন বিধাতা পুরুষ, হাজার বছরের অতৃপ্ত আত্মার সম্মিলিত স্বরে তোমার উচ্চকিত উচ্চারণ --স্বাধীনতা। অতঃপর মোহাবিষ্ট বিশ্ব অবলোকন করে অসস্ত্র কোটি… [বিস্তারিত]
মাকে আমরা ডাকতাম তুমি করে আর বাবাকে আপনি------ এই লাইনটিতেই কবি তুলে ধরেছেন প্রকট ভাবে ইভটিজিং এর কারন। জন্মের পর থেকেই দেখছি বাবা মা কে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে । তাই আমিও করি। মা আবার মানুষ নাকি। মাকে অসম্মান করা থেকেই আমাদের জীবন শুরু। এর পর দেখেছি পরিবারের নারী সদস্যদের অবস্থান। তারা যেন জড় বস্তু। তাদের… [বিস্তারিত]
বঙ্কিম এর জীবনিতে পড়েছিলাম , তাকে যখন ম্যাজিস্ট্রেসির জন্য মৌখিক পরীক্ষায় একজন বিলেতী সাহেব জিজ্ঞাসা করেছিল " হোয়াটস দা ডিফারেন্স বিটুইন আপড এন্ড বিপড। তিনি জববে অনেকটা এমনই বলেছিলেন ---একজন বাঙালী হয়ে বিলেতী র সামনে বাংলা পরীক্ষা দিতে হচ্ছে এটা বিপদ আর যে পরীক্ষা নিচ্ছে সে আপদ। আমি এই আপদ বিপদের আশে পাশে পড়ি কিনা… [বিস্তারিত]
মামা বাড়িতে ঢুকতেই ," তুই কিভাবে আসলি এর মধ্যে? তার মানে গাড়ি চলে? আমি মুচকি হাসি দিয়ে বুঝায় দিলাম উত্তর, আসছিতো। মামী এককাপ চা হাতে দিয়ে বললো ---- যাতে চড়ে আসছিস তাতে করে এই মূহুর্তে তোর মামাকে নিয়ে বিদায় হ। ---- মানে কি? আপমানিত হইতেও পারতেছি না কারন মামারে নিয়া যাইতে বলছে। মামার দিকে তাকাই… [বিস্তারিত]
১৯৭১ সালে সবে মাত্র ডিগ্রী পাশ করেছেন তপন কুমার দাস। মাহতাব বেগের মৃত্যুর পর সৈয়দপুর শহরে সবাই আটকা পড়লেন। পাক সরকার ঘোষণা করলো সৈয়দপুরে এয়ারপোর্ট তৈরী হবে। সেখানে ধরে নিয়ে যাওয়া হল কাজ করার জন্য। সেখানে একমাস অমানুষিক নির্যাতন করে কাজ করানো হত। সেটা ছিল এক বন্দী শিবির। যার কথা আগেই বলেছি। সোলিং এর কাজ… [বিস্তারিত]
পূর্বের লেখাঃ ৭১ এর হত্যাকান্ড, কে পারে ভুলিয়ে দিতে ? :৭১ এর সৈয়দপুর-১ সৈয়দপুরে আসবার পর আমি পেলাম আমাদের বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে। এই ডিসেম্বর মাসে দেখেছি এখানকার জনগন এই মাসকে তারা কত আনন্দময় কত সুন্দর করে উপস্থাপন করেছে। এ যে সত্যিই বিজয় মিছিল। সমবেত কন্ঠে চারিদিকে শুধু শুনি -- একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার –অথবা… [বিস্তারিত]
সৈয়দপুর শহরেই হত্যা করা হয় ১৭৭জন রেলকর্মী, ৪১৩জন মাড়োয়ারী আর ১৩জন সাহিত্য সংসদের সাংস্কৃতিকর্মীদের। ১৯৭১ এর এপ্রিল মাস ছিল এ শহরের হত্যাযজ্ঞের মাস। সবচেয়ে বেশী বাঙ্গালীদের স্বপরিবারে হত্যা করা হয় এই মাসে। মুক্তি যুদ্ধ চলাকালে শহরের আশে পাশে গ্রামগুলোতে ভিটেমাটি পুড়িয়ে দিয়েছিল পাকবাহিনীর দোসররা। ‘ লড়কে লেঙ্গা ’ পাকিস্থানকে রক্ষা করার পবিত্র দায়িত্ব তারাই পালন… [বিস্তারিত]
