সখের ভাঙ্গাগড়া

অনুভবে কর ক্ষতবিক্ষত অস্তিত্তে কেন দাওনা ধরা ! নিঃস্ব করেও হয়নি শেষ তোমার সখের ভাঙাগড়া!

অধরা

প্রত্যেক পূর্ণিমা রাতে বাসায় ফেরার পথে দীঘির পাড়ে কিছুটা সময় একা হয়ে যাওয়ার তাড়নায় অনভূতিগুলো তাড়া করে। যখন সে তাড়নায় সাড়া দিয়ে দীঘিটার পাড়ে সবুজ ঘাসে বসি, ঠিক তখন, রুপোলী আবছায়ায় অধরা ধরা দেয়। নি:শব্দে নিশ্চুপ আমার ডান দিকে বসে দীঘির জলে কিছু একটা ছুড়ে দেয়। বস্তটা টুপ করে শব্দ করে চারদিকে জল ছড়িয়ে দেয়। [বিস্তারিত অধরা]

অনন্ত…

অন্তহীন পথের শেষ যে বাড়ি তুমি থাকো যেখানে যেতে নিত্য আমায় ডাকো এই মোহমায়া কি করে ছাড়ি কেমনে যাই তোমার সে বাড়ি!! একদিন শেষদিন যেদিন আমার হবে সেদিনই ঠিক পৌঁছে যাবো তোমার সে ঘরে – রুদ্র রুহান

সে আসেনি তবু

কার লাগি তুমি হও বিবাগী; আঁচলে বাঁধো প্রান, কার সাথে কবে, তোমার যে হবে ঝুম বরষায় স্নান, -রুদ্র রুহান

আমি মূর্খ হয়ে উঠি

আলো-আঁধারের দৃশ্যে মূলত আমি কোথাও আলো দেখি না যেন তোমার খোঁপাভাঙা চুলে ডুবে আছি নিরন্তর আমি মূর্খ হয়ে উঠি আমার নিরক্ষর চোখে ফুটে ওঠে এক দীর্ঘ পদ্য । -রুদ্র রুহান