একটি প্রতারণার গল্প

ইরা : জালাল, কেমন আছো? জালাল : (থতমত হয়ে) জ্বী ম্যাডাম, ভালো।   জালাল আর ইরার চোখের দিকে তাকাতে পারলো না। মাথা নীচু করে রইলো।   ইরা অরণ্যের স্ত্রী। অরণ্য এই অফিসের বস। জালাল হলো দারোয়ান। দারোয়ানের চাকরি ব্যতীত জালালের একটি ব্যবসাও আছে। ইরা আজ দ্বিতীয়বার অরণ্যের অফিস ঘুরে দেখতে এসেছে। এসেই জালালের সাথে দেখা। [বিস্তারিত একটি প্রতারণার গল্প]

মীরার কথা-১

অনেক দিনের লালিত স্বপ্ন মীরার কথা লিখব। কিন্তু কিভাবে লিখব, কি লিখব গুছিয়ে উঠতে পারছিলাম না। আজ ভাবলাম, যেমনই হোক, তা লিখেই ফেলি। মীরার গ্রামের বাড়ি পলাশডাঙা। সেখানে ছায়াঘেরা ঘন সবুজ প্রকৃতির নিবিড় পরিবেশে বেড়ে উঠেছিল মীরা। বয়স চার কি পাঁচ। বাড়িতে মা, চাচী, চাচাতো ভাই, বোন সহ অনেক মানুষ। সবার আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দু ছিলো [বিস্তারিত মীরার কথা-১]

কবিতা দুঃখী মেয়ে

কবিতারা অকারণ, করে শুধু জ্বালাতন তারপর ঘুম ভেঙে ভোর হয়, কবিতারা চুপি চুপি সরে রয়। কবিতারা ছন্দে, সুর তোলে ‘নন্দে একসময় থেমে যায় নিশ্চুপ কবিতারা সত্যি অদ্ভুত। খুব দ্রুত ভোর হয়, কবিতারা জেগে রয়, ফুলগুলো বাঁসি হয় সকালেই তাই দিয়ে মালা গাঁথে অকালেই। মালা যায় শুকিয়ে কবিতা দুঃখী মেয়ে কবিতার নেই কোন ঠিকানা আজও সেই [বিস্তারিত কবিতা দুঃখী মেয়ে]

মীরার হাসি

:হ্যালো, মিস মীরা বলছেন? : জ্বী, বলুন। : আপনি কি চাকরির জন্য ★গ্রুপে সিভি এবং ছবি পাঠিয়েছিলেন? : হুম। :আমরা আপনাকে সিলেক্ট করেছি। এখন আপনার আইডি কার্ড বানাতে এবং আরও কিছু কাজে ১৫৫০/- লাগবে। আমাদের বিকাশ নাম্বার দিচ্ছি, পাঠিয়ে দিন। সামনের শনিবার থেকে জয়েন করবেন। :আমার কাছে তো অত টাকা নেই। :কত আছে? :কোন টাকাই [বিস্তারিত মীরার হাসি]

অশ্লীলতা ও আমাদের যুব সমাজ

রায়হান ভাই না কি যেন নাম, একটা অদ্ভুত প্রাণিকে দেখতাম একটা গ্রুপ খুলে কী সব অদ্ভুত অশ্লীল নৃত্য পরিবেশন করত। এসব নাচানাচি দেখার জন্য কত মেয়ে ওখানে ভিড় জমাত। যদিও আমার সন্দেহ আছে, সবগুলো আসলেই মেয়ের আইডি কিনা! ছেলেটা নিজের প্রচার করার জন্যও এসব আইডি ব্যবহার করতে পারে। তবে এত এত মেয়ে আইডি, সব নিশ্চই [বিস্তারিত অশ্লীলতা ও আমাদের যুব সমাজ]

শ্রদ্ধাঞ্জলি

শুভ জন্মদিন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।   তাঁর স্মরণে আমার লেখা ৫০ শব্দের একটি গল্প।   #নার্স   কতদিন যাবত এখানে আছো? :প্রায় ১০ দিন। আইসোলেশনে একা একা তোমার দিন কাটে কিভাবে? :একা নই তো। :আর কাওকে দেখছি না যে। :নার্সরা আছেন। :তারাতো শুধু ওষুধ দেন। :উহু। ১ম দিন জিজ্ঞেস করলেন আমার প্রিয় ফুল কি? তারপর [বিস্তারিত শ্রদ্ধাঞ্জলি]

পাওয়া না-পাওয়া

আমি ভীষণ অবাক হয়ে ভাবি, যা দেখে একটু আগেই হেসে কুটি কুটি হয়েছিলাম, তা দেখে এখন আর হাসি পাচ্ছে না। যা আমাকে একবার হাসিয়ে ফেলেছে, তা আর দ্বিতীয় বার হাসাতে পারবে না। যে চোখে তাকালে এক সময় প্রেম জাগতো, সে চোখে আজ শুধুই যন্ত্রণা। প্রেমও এমন, একবার পেয়ে গেলে আর দ্বিতীয় বার পেতে ইচ্ছে করে [বিস্তারিত পাওয়া না-পাওয়া]

কবিতায় পুরুষ

একদিন তুমি বলেছিলে, তোমায় নিয়ে কবিতা হয়না কেন? আশ্বাস দিয়েছিলেম হবে। কবিতা হবে তোমাকে নিয়ে, তোমার কালো চোখ নিয়ে, কালো অবয়ব নিয়ে, ছোট কালো কেশ নিয়ে।   কবিতারা ছুটোছুটি করবে তোমার প্রশ্বস্ত বুকে, আর চওড়া কাঁধে। কবিতারা ছন্দ লুকোবে তোমার বুক পকেটে।   কবিতারা ছবি আঁকবে তোমার খোঁচা খোঁচা দাড়ি গোঁফে! ছন্দের গাঁথা মালা ঘুমিয়ে [বিস্তারিত কবিতায় পুরুষ]

বান্ধবীর প্রেমকাসুন্দি

অনার্স শেষ করে মাস্টার্সে ভর্তির আগে আমরা বেশ খানিকটা সময় পেয়েছিলাম। তখন বিসিএস কোচিং এ ভর্তি হই। মাথায় তখন পড়ার চিন্তা, চোখে বিসিএসের স্বপ্ন। কোচিং এ আমার সাথে ভর্তি হলো আরেক বান্ধবী। তখন সে নতুন নতুন ফেসবুক খুলল। ফেসবুক মানে তখন তার কাছে অচেনা এক সমুদ্র। কোথাও ঝিনুক, কোথাও পচা শামুক, কোনদিকে সে যাবে বুঝে [বিস্তারিত বান্ধবীর প্রেমকাসুন্দি]

মনের কথা

#ভুল একটা মানুষ, একটা মগজ ভুল স্মৃতিতে ঠাসা, ভুলের ওপর মনের আবাস ভুল ভিটেতে বাসা। ভুল চোখেতে দৃষ্টি ভ্রম ভুল কপালে টিপ ভুল হৃদয়ে যাওয়া আসা অন্তরে ঢিপঢিপ। ভুল পথে এক পথিক করে নিত্য চলাচল ভুল সুরে নেচে গেয়ে পায় না খুঁজে তল। ভুল সাজে, ভুল কাজে মুখের কথাও ভুল ভুলের সাথে নিত্য ফোঁটে মরীচিকা [বিস্তারিত মনের কথা]

ইরার ডাইরী শেষ পর্ব

আগামীকাল ৯ মার্চ। শফিকের কেসটা ২য় দিনের মত কোর্টে উঠবে। সকাল সকাল উঠে তৈরি হয়ে যেতে হবে।তাই আজ রাত দ্রুত ঘুমিয়ে যাবার চিন্তা করছে ইরা৷ এর মাঝে শফিক অনেকবার ফোন করেছে। কিন্তু সে ধরেনি। এদিকে ওসমানের দেয়া আরও কিছু তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এবং সজীবের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী কেসটা সুন্দরভাবে সাজিয়েছে ইরা। নিশ্চই কোর্টে গিয়ে তাকে আর [বিস্তারিত ইরার ডাইরী শেষ পর্ব]

ইরার ডাইরী পর্ব-৫

আগামী কাল কোর্টে শফিকের কেসটা শুরু হতে যাচ্ছে। সময়মত শফিক হাজিরা দেবে ঠিকই। কিন্তু বাদী পক্ষের উকিল ইরা আদিবা সময়মত পৌঁছাতে পারবে তো? ইরাতো বন্দী শফিকের কারাগারে! এসব প্রশ্ন সারাক্ষণ ইরার মাথায় ঘুরঘুর করছে আর মাথাটা ওলট-পালট করে দিচ্ছে। ইরা একমনে মাথা ঠান্ডা রেখে চাবি খোঁজার চেষ্টা করছে। খুঁজতে খুঁজতে বসার ঘরের দিকে গেল। সেখানে [বিস্তারিত ইরার ডাইরী পর্ব-৫]

ইরার ডাইরী – পর্ব-৪

দেখতে দেখতে এপ্রিল শেষ হয়ে মে মাস চলে এলো। আর এক সপ্তাহ বাকি।মে মাসের প্রথম সপ্তাহে কেসটা কোটে উঠবে।ইরার হাতে আরেকটা কেস আছে। আজ ঐ কেসটার শুনানির দিন। তাই ইরা কোটে যাচ্ছে।সে নীল রঙের একটা জামদানী শাড়ি পরেছে, তার ওপরে কালো গাউন। নীল শাড়িতে তাকে বেশ মানায়। রাস্তার মোড়ে বেশ কয়েকটা রিকশা দাঁড়িয়ে আছে। সে [বিস্তারিত ইরার ডাইরী – পর্ব-৪]

ইরার ডাইরী- পর্ব-৩

ওসমানের কাছে সব শুনে ইরা কিছুক্ষণ বিষয়টা নিয়ে ভাবলো।তারপর বললো, : ওসমান, আমি আপনাদের বস্তিটা দেখতে যাবো,এমনকি আপনার বাড়িতেও যাবো। :বস্তিতে নিশ্চই যাবেন ম্যাম। তবে আমাদের এখন আর বাড়ি বলতে কিছুই নেই। আপাতত মামাবাড়িতে আছি। মামা বাড়ি গোড়ানের দিকে, যাবেন? : নাহ্, থাক। বস্তিটাই দেখা জরুরী। পরদিন সকালে অফিস যাবার আগে ওসমানকে সাথে নিয়ে সখীপুর [বিস্তারিত ইরার ডাইরী- পর্ব-৩]

ইরার ডাইরী – পর্ব-২

ইরা দোটানায় পড়ে গেলো। সে একবার ভাবছে শফিক সত্যিই হয়ত বদলে গেছে। আরেকবার ভাবছে এসবই ভুল। কারণ এমন মানুষ কখনোই বদলায় না। তাছাড়া একটা সময় শফিকের মুখে এসব মিথ্যে প্রতিশ্রুতি শুনতে শুনতে সে ক্লান্ত হয়ে গেছিলো। তাই এখন আর এসব বিশ্বাস করতে মন চায় না। সে ভাবতে শুরু করলো দশ বছর আগের কথা। সদ্য এইচএসসি [বিস্তারিত ইরার ডাইরী – পর্ব-২]