স্বতঃসিদ্ধ নিয়মেই রাত নামে পৃথিবীতে। সকাল হয়। পশ্চিমাকাশে সূর্যের হেলে পড়ার সুবাদে অবসান হয় দুপুরের। প্রতিবেশে জন্ম নেয় বিকেল। কিন্তু সব বিকেলই তো এক রকম নয়! আবহাওয়ার ভিন্নতা ছাড়াও কিছু কিছু বিকেল তো অবশ্যই সমুজ্জ্বল অনন্য মহিমায়, উদ্ভাসিত ব্যতিক্রমী দ্যোতনায়! হিমেল হাওয়া-মাখা শীতের বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের কথা [বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের সেই বিকেলে]
প্রবেশক: এটি কোন গল্প নয় কী করো? সানা নূরের হাস্যোজ্জ্বল মুখ। এই যে, কথা বলছি তোমার সাথে! একটু অন্যমনস্কভাবে উত্তর দিলাম আমি। তোমাকে আমার অনেক কাছের মানুষ মনে হয়। কারণ, তুমি যে অনেক ভালো সানা। ভালো মানুষের কাছে পৃথিবীর সব মানুষকে কাছের মানুষ মনে হয়। না না, তুমি ভিন্ন। সানার মৃদ্যু আপত্তি। তুমি আমার [বিস্তারিত না গল্প অথবা অন্য কিছু]
বিষের জ্বালায় অঙ্গ জ্বলে মানুষ তারে পিরীত বলে আমি বলি, পিরীত হইলো বিষকাটালী ফল পিরীত হইলো আজন্মকাল চক্ষুভরা জল মানুষ বলে, পিরীত হইলো জোয়ার-ভাটির সুর বাউলা বাতাস, ফাগুন দিনের আহলাদী রোদ্দুর আমি বলি, না-রে! পিরীত যন্ত্রনা কেবল- পিরীত হইলো আজন্মকাল চক্ষু ভরা জল মানুষ বলে, পিরীত হইলো সুখ কেবলই সুখ চকোর যেমন শুক্লাতিথীর চাঁন্দে দেয় [বিস্তারিত পিরীত হইলো আজন্মকাল চক্ষুভরা জল]
আমি নূর। সানা নূর। ওয়েবক্যামে ফুটে ওঠা তরুণীর প্রতিচ্ছবিটি ভরে উঠল নম্রতার মনোমুগ্ধকর আলোয়! অপার্থিব সেই আলো ভেদ করে সে জানতে চাইল শান্তস্বরে, তোমার নাম? আমি আমার নাম বললাম। তরুণী দ্বিধান্বিত কিছুটা। তুমি কি মুসলিম? না। দুঃখিত, আমি তাহলে কথা বলব না তোমার সাথে। আমার মন খারাপ হলো। ধর্মীয় বিধিনিষেধের অব্যাখ্যাত আচারে মানবিক সম্পর্ক সৃষ্টি [বিস্তারিত এটি কোন গল্প নয়]
প্রজাপতি তার বহুবর্ণিল কাব্যময় পাখাদুটো তুলে দিল মেয়েটির হাতে… মেয়েটি জানতে চাইল, তোমার কী খুব কষ্ট হচ্ছে? প্রজাপতির নীল ঠোট, নড়লো সামান্য, বলল, এই দেখো আমি কেমন কথা বলছি… তোমার কী খুব ঘুম পাচ্ছে? আমার চোখের পাতা অবাধ্য ভীষণ… তুমি মরে যাচ্ছো না তো! আমি একলব্য! আমার বৃদ্ধাঙ্গুল অনাশ্রিত চিরকাল… কেবল রক্তক্ষরণ… আমার খুব [বিস্তারিত রূপকথা নয় চুপ কথা]
খুব বেশি দূরে আর কই? ঘর থেকে পা বাড়ালেই মিরপুর দশ নম্বর গোলচত্বর। সেখান থেকে রিকশা নিলাম আমরা। অগ্নি নির্বাপণ সংস্থার কার্যালয় পেছনে ফেলে কিছুদূর এগোলেই মিরপুর বেনারসি পল্লীর ১নং গেট। সেই গেট অতিক্রম করে পৌঁছলাম পিচঢালা পথের শেষমাথায়। সেখানে অবস্থিত পুরোনো পাওয়ার হাউজ। পুরোনো সেই পাওয়ার হাউজের পাশেই বাঙালির বেদনাভারাক্রান্ত অসংখ্য স্মৃতিপীঠের একটি- ‘জল্লাদখানা [বিস্তারিত ‘তোমার উপলব্ধিকে আবৃত করে রাখে যে খোলস, বেদনাই তাকে বিদীর্ণ করে-’]
পৌরাণিক ভস্ম থেকে উঠে আসে বেদনার পাখি বিবর্ণ প্রজাপতি ছুটে যায় কালো জল নদীটির কাছে অস্তমিত সব কথা অতীতের নিবিড় অতলে ঘুমিয়েছে আমাদের অন্তর্গত অলীক শহর পাপা, ক্যান আই টেল ইউ এ্যা স্টোরি অব ডগ। আমি কলম সরিয়ে রাখলাম, গভীর মনোযোগে তাকালাম মেয়ের দিকে। আধো আধো কথা তার। বোঝা না-বোঝার এক আশ্চর্য পৃথিবীতে বসবাস [বিস্তারিত পৌরাণিক ভস্ম থেকে উঠে আসে বেদনার পাখি]