বিষের জ্বালায় অঙ্গ জ্বলে
মানুষ তারে পিরীত বলে
আমি বলি, পিরীত হইলো বিষকাটালী ফল
পিরীত হইলো আজন্মকাল চক্ষুভরা জল
মানুষ বলে, পিরীত হইলো
জোয়ার-ভাটির সুর
বাউলা বাতাস, ফাগুন দিনের
আহলাদী রোদ্দুর
আমি বলি, না-রে! পিরীত যন্ত্রনা কেবল-
পিরীত হইলো আজন্মকাল চক্ষু ভরা জল
মানুষ বলে, পিরীত হইলো
সুখ কেবলই সুখ
চকোর যেমন শুক্লাতিথীর
চাঁন্দে দেয় চুমুক
আমি বলি, না-রে! পিরীত মানেই রসাতল-
পিরীত হইলো আজন্মকাল চক্ষুভরা জল
মানুষ বলে, পিরীত হইলো
জ্যোৎস্নামাখা ঘুম
তারায় তারায় আদর সোহাগ
রাত হইলে নিঝুম
আমি বলি, না-রে! পিরীত কষ্টে টলোমল-
পিরীত হইলো আজন্মকাল চক্ষুভরা জল
ছবি: সংগৃহীত
মোট পড়েছেনঃ ৬২৫জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন

বেশ ভাল লাগল | কিন্তু এটা কবিতা নাকি গান?
গান হলে বেশ হয় কিন্তু |
আমিও ঠিক এইটা বলতে চেয়েছিলাম মায়াপু 🙂
অনেক অনেক ধন্যবাদ অরুনি মায়া।
লেখার ধরন নিদিষ্ট করার অক্ষমতার জন্যই তো ”বিবিধ” বললাম!!
হা হা হা হা
হোক কবিতা, হোক গান- কিছু একটা লেখার সামান্য চেষ্টা করলাম- এই আর কি!!
শুভকামনা।
শুভকামনা শূন্য শূন্যালয় আপনার জন্যও।
ভালো থাকবেন। সবসময়।
মানুষবল, িপরীতহইলা জায়ার-ভািটরসুর বাউলাবাতাস, ফানিদেনর আহলাদীরাুর আিমবিল, না-র! িপরীতযনাকবল-িপরীতহইলাআজকালচু ভরাজল (y)
জিসান ভাইয়া, আপনি যেই ভাষায় পিরিতের কথা লিখেছেন, সেইটাও সুন্দর 🙂
:D) উফফ… এমন করে পিরিতের কেউ কি কখনো বলেছে শুন্যাপু?? ওহো!!!
😀 এইটা জিসান ভাই স্পেশাল 😀
জিসান ভাইয়া মুন জিসানীরে এম্নেই কয়! :p
আমার তো আরো উলটা মনে হয়, জিসানীর ভয়তেই এমতে লিখছে, বাড়িত থাইকা বাইর করে দিবে নইলে। 😀
:D) :D)
এইডা কেমুন পিরীতি!!! :D)
হা হা হা দাড়াও জিসানীরে ডেকে আনি ,বলি আমার শিষ্য পিরিতি শিখতেছে :p
পিরীতি কাঁঠালের আঠা
আতা গাছে তোতা, আর
ভরা বর্ষাতেও কপাল ফাটা, তাই
জিসান ভাইয়ার এমন পিরীতির ভাষা :D)
শুন্যাপু,জিসান ভাইয়া এই মন্তব্য কোন ভাষায় দিলেন? :D)
লীলাপু, উনার এই পিরীতি ভাষা গবেষনার জন্যে নিয়ে যাওয়া হোক… :D)
শুন্য, এটা হচ্ছে জিব্রু ভাষা, জিব্রু ভাষা আপনি বুঝেছেন দেখে ভালো লাগলো খুব 🙂 কত ভাষা যে জানেন আপনি, যে ভাষাতেই লেখি তা বুঝে যাবেন মনে হচ্ছে 😀
আমার শিষ্যের এই করুণ হাল 😮
হা হা হা হা
কৃতজ্ঞতা জিসান ভাই। উপস্থিতিতে।
অামার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।
ভালো থাকবেন। সবসময়।
মন্তব্যটি সঠিক করে দিলাম,গতকাল মোবাইল দিয়ে দিয়েছি,কি প্যাডে ভুত চেপেছিল মনে হয় 🙂
”” মানুষ বলে, পিরীত হইলো
জোয়ার-ভাটির সুর
বাউলা বাতাস, ফাগুন দিনের
আহলাদী রোদ্দুর
আমি বলি, না-রে! পিরীত যন্ত্রনা কেবল-
পিরীত হইলো আজন্মকাল চক্ষু ভরা জল ”” (y)
হাআআআআআআআহহহহহহহহহহহহ হাহাহাহাহাহহা… পিরীতির ভূত চেপেছিল তবে :D)
হ, ঠিক ঐ ভুতেই পাইছিল। একজনকে মেসেজ দিতে গিয়ে যেই একটা বাটন এ ক্লিক করছি — ওমনি শুরু হইছে ভুতুরে কারবার। নিজের খেয়াল খুশী মত লিখে মেসেজ সেন্ড ও করে দিল আমার মোবাইল। অবশেষে ব্যাটারী খুলে আবার চালু দিতে ঠিক হয়েছে মোবাইল 🙂
অনেক অনেক ধন্যবাদ জিসান ভাই।
বোঝা যাচ্ছিলো কোন কারিগরী ত্রুটি এটি। এমন হতেই পারে।
অামার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।
ভালো থাকবেন। সবসময়।
উপলব্দি-
পিরীত হইলো মনোযাতনার দল
দিবা নিশি মনোকামনার ঢোল।
হা হা হা হা
কৃতজ্ঞতা জানবেন ভোরের শিশির।
জানবেন শুভকামনাও। অনিঃশেষ।
অনেক ভালো থাকবেন। সবসময়।
:p
আপনিও সব সময় ভাল থাকবেন দাদা… শুভেচ্ছা। -{@
শুভকামনা পুনরায়।
দাদা আমাকে শুভেচ্ছা দিয়ে শেষ করতে পারবেন না, আমি শুভেচ্ছা নিতে বারেবারেই ফিরে আসবো :p
আপনাকে আবারো শুভেচ্ছা। -{@
খুব ভালো লিখেছেন দীপংকর দা। 🙂
অসাধারণ চোখের বৈশিষ্ট্যই হলো পৃথিবীর সবকিছুকে ভালো দেখা।
কৃতজ্ঞতা জানবেন।
ভালো থাকবেন। অনেক।
শুভকামনা।
পিরীত হইলো আজন্মকাল চক্ষুভরা জল_______ এটি জানি বলেই এ থেকে একহাজার মিটার দূরে থাকি 🙂
হা হা হা হা
আপনি এক হাজার মিটার দূরে থাকলে ফায়দা কিতা??
পিরীত চলে মিটার ছাড়া!!! কখন যে কার কান্ধে আইসা পড়ে কেডা জানে!!!
কৃতজ্ঞতা উপস্থিতিতে।
অনিঃশেষ শুভকামনা।
ভালো থাকবেন। সবসময়।
গোলেমালে গোলেমালে পিরিত কইরো না।
হা হা হা হা
গোলমাল থামালে?? শান্তির সেই সময় সম্পর্কে কবি কি কিছু বলেছিলেন?? বড়ো জানতে ইচ্ছে করে!!!
কৃতজ্ঞতা উপস্থিতিতে।
আমার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।
ভালো থাকবেন। অনেক। সবসময়।
গল্পকার এবং গীতিকারও! বাহ! সুর বসিয়ে দিন, দারুণ হবে। (y)
ধন্যবাদ। অনেক। অনেক।
উপস্থিতিতে কৃতজ্ঞতা জানবেন।
জানবেন শুভকামনাও। অনিঃশেষ।
ভালো থাকবেন। অনেক ভালো। সবসময়।
বরাবরের মতই অসাধারণ 🙂 (y)
কৃতজ্ঞতা এবং কৃতজ্ঞতা।
অনিঃশেষ শুভকামনা জানবেন ভাই।
সবসময় ভালো থাকবেন। অনেক ভালো।
পিরিত কি জানিনা
থকেছি তা জানিনা
মন আর আনচান করে না।
ভালই দিলেন পিরিতের জ্বালা
গায়ে কাটা হানে
বুকে আঘাত করে।
হা হা হা হা
অনেক ধন্যবাদ ভাই।
উপস্থিতিতে কৃতজ্ঞতা।
আমার শুভকামনা জানবেন। অনিঃশেষ।
ভালো থাকবেন। অনেক। সবসময়।