ভীষণ বেহাল চলনের দশা যায়নি কে ভাই বুঝে? সামনে ও আড়ে গৃহবাসী আজ নীরবে চলেছে যুঝে। সকলেই দেখি বড় সচেতন ওঝা? তারও অন্তর, ঘ্রাণ শুঁকে তাই দেয় নিয়ে টাকা দূর থেকে মন্তর! ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে।
কখনও ভেবো না দুঃখ যা আনে শুধুই তা ক্ষ্যাপা তলাহীনা আনচান, নিশ্চয় জেনো রসিক তা থেকে হলেও অন্তে পায়ই স্বস্তির তান। অবেলায় জমে ঘন কালো মেঘ কৃষকের বুকে শুধু কি জাগায় ভীতি! ক্ষণকাল পরে তারই চিন্তনে ফের দেয় গড়ে তেজী ফসলের গীতি। তাই বুঝি খুঁজে আঁধারের বুকে পিয়াসী চকোর জ্যোৎস্নার তরে চান। বিনাশী প্লাবন তাণ্ডবে [বিস্তারিত আধারে]
হে বিধি আমার তরে মৃত্যুর রেখো ফরমান, কখনো ভাবার আগে ’এ ধরণী স্বর্গ সমান!’ চাই না মোহের তালে হোক না ক্ষণিক এ ভালে বেহায়া স্বপ্ন দিয়ে দুরাশায় গড়তে দালান, তার চেয়ে ঢের ভালো যায় যাক নিভে এ পরাণ! আমি তো তোমার দাস যদি করি মিছে অভিমান, না হয় অধম জেনে ভেঙে দিও অবলা সোপান! লঙ্ঘন [বিস্তারিত তার চেয়ে ঢের ভালো!]
সুজল গাঁয়ের ধারে, সারা বছর রয় ফুটে ফুল মাচায় সারে সারে। নামলে পাটে বেলা, মাছ করে তার খাল পুকুরে খল বলিয়ে খেলা। শীত এলে শাক সবজি চাষে কৃষক উঠে মেতে, কেউ বা পেয়ে বেতে, বেশ ফ্যালে শ্বাস সুখে ক’দিন তৃপ্তিতে ভাত খেতে। সব ঋতুতেই বয় জেগে হিত ফসল তোলার প্রীতি। থাকলে তবু ভীতি? মাস না [বিস্তারিত সুজল গাঁয়ের ধারে]
ঝাড়ের জোনাকও আজ হারায়েছে খ্যাতি! নিশির বদনে নেই জ্যোৎস্নার ফুল। পাখির স্বপ্ন যতো হয়েছে অরাতি। ঝাড়ের জোনাকও আজ হারায়েছে খ্যাতি! তবুও ঝিঁঝিঁর ডাক উঠেছে কি মাতি, ভুলেছে মশক বলে নালার দু’কূল? ঝাড়ের জোনাকও আজ হারায়েছে খ্যাতি! নিশির বদনে নেই জ্যোৎস্নার ফুল। ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে।
হু হু করে চলছে বেড়ে শিক্ষা বা তার হার, মিলছে তাতে মার্জিত কি আজকে যা দরকার? লিখতে নিতি ভেঙে কলম মাখে যারা বাম বা মলম তারাই যদি কর্মক্ষেত্রের নাশ করে সু-সার! মিলছে তাতে মার্জিত কি আজকে যা দরকার? শিক্ষা থাকে যে’ চলনে শুদ্ধ শ্বাসে মাতি, ঘুন বা জরা সেই ধারে রোজ ক্যামনে নিভায় বাতি? সনদ [বিস্তারিত সু-হারা শিক্ষা!]
(১) বললি কি তুই ‘সেই তো আমার শাশ্বত চির বিশ্বাস, আপন বুকের মধ্যিখানে বন্ধু যেজন করছে বাস?’ ক্যান তবে ফের কাঁদিস রে তুই নড়লে ক্ষণিক সুখের ভিত কিংবা ভেবে হায় কি হবে বন্ধ হলে এ নিঃশ্বাস? (২) ও মনা তুই মাটির উপর স্বপ্ন আশার রেখে মূল, বললি তো কাল যেতেই হবে নেই কোন তার একটু [বিস্তারিত রুবাইয়াত-ই-বোরহান (ছেঁড়া বিশ্বাস)]
ওই পাড়ার এক বদ্ধ পাগল খায় মেঙে সে ভিক, যা বলে সব আবোল-তাবোল নেইকো কথার ঠিক! সেদিন ডেকে কাছে, বলনু ভোলা পারবি কি তুই চড়তে তালের গাছে? বললো হেসে ও সাধু ভাই বেশ তো চালাক তুমি! কও তো মোদের যায় না কি দিন চিল্লাতে আর ঘুমি? তোমরা যারা ধন বা জ্ঞানে আছো কালের সাথে, এক [বিস্তারিত পাগলের প্রলাপ!]
শীত এসেছে শস্য নিয়ে দেখবি যদি আয় রে আয়! ঘুরছে মধুপ ফুল থেকে ফুল দল বেঁধে আজ হিমেল বায়। ধোঁয়ার মতোন হিম কুহেলী করছে পরখ সবুজ ক্ষেত, গম কলাইয়ের বক্ষে বসে কাকতাড়ুয়া সাজছে প্রেত। ছাগ গরু মোষ ভুলছে বাড়ি পেয়েই পথে সবুজ ঘাস, খাল থেকে তা হাসছে দেখে হরেক তালে পাতিহাঁস। খেজুর গাছের গল দিতে [বিস্তারিত শীত এসেছে!]
একই সুরে দু’টি পাখি গায় যদি গান, পুষ্প ছড়ায়ে দেয় সুবাসিত হাসি! জেগে উঠে কিশলয় পেয়ে নব প্রাণ, একই সুরে দু’টি পাখি গায় যদি গান! মৃদুলা বায়ুর বুকে মিশলে সে তান, আলোও স্নিগ্ধ রূপে সাড়া দেয় আসি! একই সুরে দু’টি পাখি গায় যদি গান, পুষ্প ছড়ায়ে দেয় সুবাসিত হাসি! ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে।
পিছে হাসে কালবেলা! যদি করে কেউ বাঁধনের বুকে বিশ্বাস নিয়ে খেলা! বোদ্ধা বুদ্ধু একই অন্তরে আজীবন করে বাস, তবুও চায় না একে অপরের করতে সুখ বিনাশ। হয়তো বলবে কখনো কি হতো আলোর এতোটা দাম, যদি না থাকতো তিয়াসীর বুকে লেখা আলেয়ার নাম! মানছি তা’বলে হোক ছলে দাঁত পিষলে জিভকে সুরে, না বুঝে কি রয় বেদনার [বিস্তারিত কালবেলা]
কেন হে সাজতে চাও মিছে মহাজন? সত্যি বাঁচতে কি তা খুবই প্রয়োজন? তবে যে বোদ্ধা যারা নীরবে নিরালে তারা কাজে-কামে জেগে আছে হয়ে সাধারণ? নয়তো করছো যা তা ভীরু আয়োজন? সত্য কভু কি বাঁচে নত করে শির? কিংবা মিথ্যা হয় চলনে তূণীর? জানি কিছু পরিহাস গড়ে শেষে ইতিহাস তা’বলে হয় কি তারা মহতী সুবীর, হলেও [বিস্তারিত ভাবো একবার!]
অনেক লোকই অন্যকে দেয় পশু বলে গালি, ক্যামনে তাদের বলি, নয় কি তোরা মদক বেচা ঠগ সে কদম আলী? কয়টা পশু পশুর পথে চুপটি পাতে ফাঁদ, বলতো সোনার চাঁদ? কোন পশু তার বক্ষে রাখে চৌদ্দ আনা খাদ? বেশ ক’ পশুর হিংস্র স্বভাব সে তো সবার জানা। বল কে কে তার কানা? গ্রাস করে যে লোভ [বিস্তারিত গালি]
(১) একুশ সালে যা ছিল বিষ চঞ্চলা বা পীড়িত, হোক সবই তা বাইশ পেয়ে রূপান্তরে অমৃত! স্নান করুক সুখ অতল তৃষায় শুদ্ধ দুখের নহরে, নিত্য রূপে মন মানুষের বক্ষে হয়ে জাগ্রত! (২) উড়াল দে রে কাল পাখি তুই বল গিয়ে ওই একুশকে, যা ছিল তার ঘুন বা জরা দেয় যেন তা সব ফুঁকে! আমি বাইশ [বিস্তারিত রুবাইয়াত-ই-বোরহান (বাইশে বন্দনা)]
ছোট্ট মোদের রাজকন্যা বয়স যখন, নয় বেশি তার অতো, বুড়ির মতোই বলতো কথা ভর দিনমান, গল্পে অবিরত। স্পর্শতে তার ঝরতো মায়া সবুজ গাছের, স্নিগ্ধ ছায়ার তুল, শান্ত সুর আর সরল আভায় মুখ ছিল তার, সদ্য ফোটা গুল। গুন গুনিয়ে গাইতো সে গান আঁকতো বসে, মনের সুখে ছবি, উঠতো নিতি খুব সকালে পূব আকাশে, মেলতে না [বিস্তারিত রাজকন্যা]