কেউ জেগে নেই কেউ ঘুমিয়ে নেই

অতঃপর রাত্রিকে সঙ্গী করে কেটে যাচ্ছে দিন গুলি নিঝুম রাতে নির্ঘুমের সঙ্গী হয় ঝি ঝি পোকা আর দূরের ল্যাম্পপোস্ট- কেউ বা জেগে আছে কেউবা অচেতন অঘোরে বেঘোরে সাদা কালো শহরে — ও ব্লকের এক একটা রুমের লাইট ডিউটি শেষে নির্লিপ্তের মত ওরাও ঘুমিয়ে যাচ্ছে; ঘুমিয়ে পড়ছে মানুষের চিন্তা চেতনা যেন কোন দিন জেগেছিল না সে [বিস্তারিত কেউ জেগে নেই কেউ ঘুমিয়ে নেই]

গন্ধ

কে দাড়িয়ে, কে তুমি? ভেজা চুলের গন্ধ ছড়াও মোহিত করে এই ভর দুপুরে- মেখেছ  কি শ্যাম্পু কোন বিদেশী ব্র্যান্ডের ? কত কৌশলী হেয়ার ড্রাইয়ার তোমার আলামারিতে শুকিয়ে নিয়ো চুল যখন খুশি ভিজিয়ে নিয়ে সোহাগ শেষে দিন দুপুরে রাত দুপুরে ভোরের আড়মোড়ার পূর্ণতা এঁকে; সাথে স্যান্ডেলিনার ছোঁয়াও নিয়ো তোমার কোমল গালে –   তবু দোহাই তোমার [বিস্তারিত গন্ধ]

ইচ্ছে ঘুড়ি

আমার প্রিয় কবিতার প্রতিটি শব্দে তোমাকে রাখতে ইচ্ছে করে তুমি মিশে যাও আমার কবিতার প্রতিটি বর্ণে তুমি তুমি করে গেয়ে যাবে আমার কবিতার প্রতিটি চরণ প্রচণ্ড ভিড়ের মাঝে যে কথা স্মৃতি আমাকে নাড়া দিয়ে যায় সেই স্মৃতিতে তোমাকে রাখতে ইচ্ছে করে তুমি ডায়েরি হয়ে মিশে যাও বুকের বাম কুঠিরে তপ্ত রাজপথে চলতে চলতে যদি প্রশান্তির [বিস্তারিত ইচ্ছে ঘুড়ি]

স্বপ্ন মধুর স্পর্শ

ভীষণ ব্যস্ত এখন ভালবাসার সময় নেই আর;এক বিন্দুও একটু ক্ষান্ত দাও এখন তোমার মত করে পথিক কবির পথ চেয়ে থেকোনা আরগ ঠিক না বলা কথার মত- শুধু বলবো তোমায় ‘লক্ষ্মী সোনা ঘুমও এখন’ চোখের পাতা স্পর্শ কর চোখের পাতায় তাতে যদি ঘুম না আসে স্মৃতি গুলো স্বর তোমার লক্ষ বছর পাড়ি হবে স্বপ্ন মধুর স্পর্শে।

অসমাপ্ত কবিতা

প্রথম পৃষ্ঠায় রেখেছি রূপার জন্য ষোল লাইনের আড়ালে দাড়িয়ে চোখাচোখির কবিতা চব্বিশ পৃষ্ঠায় রেখেছি মাধবী জন্য সাত লাইনের এলোমেলো কিছু শব্দের ছড়া কবিতা পঁচিশ পৃষ্ঠায় রেখেছি বৃষ্টির জন্য সতের লাইনের বিক্ষিপ্ত গোলাগুলির রক্তাক্ত কবিতা বাসন্তী তোর জন্য রেখেছি বুকের ভেতর ছাব্বিশ লাইনের অসমাপ্ত কবিতা- খুলে নে মোড়ক একুশের বই মেলায় তুই রূপা তুই মাধবী তুই [বিস্তারিত অসমাপ্ত কবিতা]

তুমি আছো বলে

বিষণ্ণ দুপুরটাকে বেশী ভালোবাসি তোমায় মনে পড়ে বলে কুয়াশা ঘেরা সকাল বেশী ভালবাসি লুকিয়ে থাকো সেথায় বলে ঝিমিয়ে পড়া বিকেল ছুঁয়ে যায় দুচোখ নিঃসঙ্গে তুমি সঙ্গী বলে নিজেকে বড্ড বেশী ভালো লাগে তুমি আমার আছো বলে।

কবিদের পরিচয়

আমি যা লিখি আমি যা বলি তা কবিতা নয় আমি যা ভাবি আমি যা গাই তা কবিতা নয় আমি যা বলে যাই মানুষ আর অমানুষের ভিড়ে তাও কবিতা নয় বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে যায় আমার দুরন্ত শৈশব,কৈশোর দীপ্ত যৌবন আমি শৈশবের জয়গান গাই আমি কৈশোরের শ্লোক গাই আমি যৌবনের মিছিল করি দৈনিক ভাত আর মাছের মত [বিস্তারিত কবিদের পরিচয়]

হঠাৎ পাওয়ায় সুখ

ভরে উঠে বুক, হঠাৎ পাওয়ায় সুখ, হাসি মাখা মুখ,বিদায় জানায় দুঃখ। চোখে আসে জল,হঠাৎ পাওয়ার ফল, আমার সাথে ছল,লাভ কি তোর বল? খেলিস লুকোচুরি,দেখিস উড়ায় ঘুড়ি, মিষ্টি মুখেই ছুরি, দুঃখের সুখে পুড়ি। যদি আসে রাতে, কাটায় যদি সাথে, চোখে বিছানা পেতে,ছন্দ মালা গাথে। টাটা জানায় ভোর,ইচ্ছে খুশি তোর, কাটেনা ঐ ঘোর,হঠাৎ তুই যে মোর।

শুভেচ্ছা

এগার-বার-তের ছন্দ নিয়ে ফের। তের-বার-এগার ইচ্ছে করলে পার।   দুই হাজারের তের পাপকে তুমি মের। ডিসেম্বর মাস বার অসৎ সঙ্গটা ছাড়। আজ এগার দিন বাজা খুশির বীণ। হৃদয়ের কষ্ট ভুলে হাস তুই মন খুলে। থাকবে মোর দোয়া লাগুক সুখের ছোঁয়া। পূরণ হোক সব ইচ্ছা আমার হতে শুভেচ্ছা।  

কম্পাংক হীন শব্দের জালে

বাড়ির পিছনের দেবদারু গাছ হতে পাখিটা ডেকে উঠলো; কাক ঘুমে চিমটিতে চিত্ত জাগিয়ে দেওয়া প্রেয়সীর ক্ষণিক বিস্ময় ,ভয়,আর প্রণয় অনুরাগের মত। গোধূলি বেলায় ওর আনাগোনা বেশী। আচেনা পাখি, কোনদিন দেখিনি ওকে। তবে মনের রং তুলিতে ওকে একেছি অনেকবার কখনো ঘিয়ে রঙে কখনোবা কচি কলার পাতা রঙে, মাঝে মাঝে সাত থেকে সাতশো রঙে রাঙ্গিয়েছি ওকে কিংবা [বিস্তারিত কম্পাংক হীন শব্দের জালে]