স্থিত শীত

কবে থেকে রাত দিন সমান হয়ে গেছে! গুণে রাখিনি। সকাল হবার আগেই বেমক্কা সোজা দুপুর গড়িয়ে আসে!  লোকে যারে নিশি রাত বলে! প্রহরী হয়ে থাকি তারে সাথে। মাঝরাতেও কাকেদের কান্না ভেসে আসে জানলার ওপাশে…

নাকি কোকিলের ডিম চিনতে পারেনি বলে, ওই মাঝরাতে কোকিলের প্রতারণায় চিৎকার চেঁচামেচি  করে?

হতেও পারে!

আমি শুধু কালো কাঁচের এপারে চুপচাপ একটা বৃক্ষ খুঁজি….. একটা মৌণ পাহাড়কে প্রায়ই টেলিফোন করি….জানো!! পাহাড় মৌণই থেকে গিয়ে ফোনটা আর রিসিভ করে না।  কয়েকটা প্রশ্ন জমে জমে বড্ড জিদ্দি হয়ে আছে….

আমার আর কোনোকিছুর দিকে ফিরে তাকাতেও চোখ সরে না….।

চন্দ্রভূখ অমাবশ্যায় আমি হাঁটি খালি পায়ে,,,,,একতাল স্বপ্নকে গলায় ঢেলে,  হিম জড়াই কোল টেনে…..

 

ছবিঃ নিজ

 

মোট পড়েছেনঃ ১,৮২৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৭টি মন্তব্য

  1. মনে হলো বহ্নিমান কথাকলি
    অস্ফুট আর্তনাদে যা অনায়াসে ঘুরে
    হৃদয়ের অলিগলি!
    আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানবেন সতত।

  2. স্থিত শীত চেপে আছে হয়তো মৌন পাহাড়ে।
    শীতার্ত হয়ে সে পাহাড় রিসিভ করতে ভুলে গেছে!
    মানুষ যতবার নদীকে ছুঁতে চায় ততোবার পাহাড়ের দিকে তাকায়।
    অনেক কথা অব্যক্ত রয়ে যায়।

    যথার্থ লেখা, দিদি।

    1. তুমি এত আইলসা ক্যান দাদা ভাই? কি চমৎকার মন্তব্য করো তুমি। তোমার মন্তব্য পড়লেই বোঝা যায়, তুমি লেখা কতটা গভীর বোধ নিয়ে পড়ো।
      ” মানুষ যতবার নদীকে ছুঁতে চায় ততোবার পাহাড়ের দিকে তাকায়।” এরপর আর কথা থাকে না…. আশীষ জেনো।

  3. এইসব রাত-বিরেতের লেখা পড়লে কেমন জানি ভয় লাগে। মনে হয় কেউ আমার দিকে বড় বড় চোখে তাকিয়ে আছে, কি পড়লাম/কি বুঝলাম সে সব বুঝে ফেলতে চায় আমার সমস্ত অভিব্যক্তি দেখে…
    কিন্তু আমি কিছুই বুঝিনি, আমাকে লেখা বুঝিয়ে দাও।

  4. পাহাড় বড় অহংকারী,, হাজার বাক্যস্রোতেও টলে না একদম,
    তাই বরং গোধূলি ভালো,,, রাত্রি দিনের মিলন দেখি।
    আমি আজকাল আর দূর বৃক্ষ খুঁজি না, নিজের মনকুটিরে এক বনসাই করেছি। তাকে কেটে ছেটে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি, যেটুকু নিঃশ্বাস পেলে ঠিক বেঁচে থাকা যায় সেটুকু অক্সিজেন সাপ্লাই এর ব্যবস্তা করেছি। ছায়ার মায় বড্ড বেখেয়ালি, আলো পেলেই কেবল ছায়া ফেলে, বড় স্বার্থপরও৷ তাই তাকেও মুক্তি দিয়েছি।
    লেখাটা ভালো লাগলো খুব।

    1. মনকুটিরে বনসাই বৃক্ষ…. বাহ্…. পরিমিতি অক্সিজেনে বেঁচে থাক অবশিষ্ট নিঃশ্বাসের সনদ।
      এ বড় শাব্দিক ঝড়!!
      ছায়ার মায়া প্রবেশের সীমিত অধিকার।
      থাক বেঁচে থাক তারা মিছিলে যাবতীয় বাস্ত সংসার…..

      অফুরন্ত ধন্যবাদ। বহুদিন পরে এলেন উঠোন বাড়িতে। নিয়মিত হোন!!!
      এইতো আমাদের সিমীত অক্সিজেনের ঠিকানা।

মন্তব্য করুন