হরর গল্পের দিনরাত্রি

 

ব্যস্ত দিনের ত্রস্ত ফর্দনামা হাতে দোর খোলে ভোর।

দিনভর কাজের মাঝে অকাজের আবক্ষ ভাস্কর্য,

নাক চোখ গড়তে গিয়ে জেরবার!

নিষ্পাপ শিশিরের শিরশির অনুরনন ছোঁয় না আর!

 

সন্ধ্যা নামার আগেই আঁধার নামায় মনো মেঘ!

রাতটা আলস্যভরা কৈশোরের দিঘল চুলের মতো জটপাকানো,

সন্তর্পণে মা’র হাতে চিরুনি চালায় নির্বোধ আবেগ!

 

মধ্যরাতে কে যেন নিক্কণ ধ্বনি তুলে এগিয়ে আসে,

“কে?  কে ওখানে? স্মৃতি!

ফিরে যা, তোর বাগ্মিতায় আর ভোলাসনা!”

মুহুর্তেই মিলিয়ে যায় স্ব শব্দ আওয়াজ।

 

লাগোয়া ব্যলকনির ঝুলন্ত খাঁচা নড়ে উঠে; ময়না আপন মনে  বলে_ “আমি তো উড়ন্ত বলাকা, ছেড়ে দে এক্ষুনি! কে দিচ্ছিস খাঁচায় টোকা।

খাঁচার ভেতর বাঁচা কি বাঁচা?”

 

প্রিয় কলমের নিনাদ শুনি আর ভাবি __

যদি হরর গল্পের সফল উপসংহার লিখতে পারতাম!

উধাও হতো ভয়,

অজেয় হবার আগেই হতাম জয়ী।

 

একদিন নিশ্চয়ই ‘রেভেঞ্জ অফ নেচার’ প্রতিষ্ঠা পাবে, হবে সকল অনুক্তের  উন্মীলন।

 

সে দিনটি কার? খুব সম্ভবত সত্যের, সুন্দরের, পবিত্রতার !

এক নিষ্কলুষ সঙ্গীতের! একটি পদাহত ভালোবাসার!

 

বিস্ময়ে চেয়ে রবে __

বেয়নেট উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা চেনা জগত।

মোট পড়েছেনঃ ১,২৩৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

    1. ফাঁকি দেওয়ার ইচ্ছে ছিল,কিন্তু পারিনি। ষড়ঋতুর নিখুঁত বর্ণনা পড়বো বলে ফিরে ফিরে আসি।
      আপনি বলেছিলেন, ” কাব্যেও পার্থনা করা যায় ” সেইটেই মাথায় গেঁথে আছে।
      তাই এখানেই থাকতে চাই,
      হোক নদীতট কিংবা বালুকাবেলা।

  1. সত্য কঠিন, তেতো, পরিচ্ছন্ন তাই সত্যকেই বারবার বুকে টেনে নেই, আমন্ত্রণ জানাই। সুন্দর আগামী দিনের অপেক্ষায় আমরা সবাই। শুভ রাত্রি

মন্তব্য করুন