মুক্তো খুঁজে নেয়া

শোরগোল/নিস্তব্ধতা বাঁচিয়ে একাকীত্বকে এক সুতোয় গেঁথে ফেলবো
হাত-স্পর্শের উষ্ণ নিঃশ্বাসে, ভাবি,
অনিচ্ছুক দাসের রূগ্ণ/দুরন্ত/সাহসী হৃদয়-বিস্তারে;

নেশার মত অনিদ্রারা দেবদূত নয়, দূরাভাষি/দূরসন্ধানী কুহেলিরা
কুয়াশা ছুঁড়ে দেয়,
রুপোর শিমুল তুলো ভেবে তুলে নিতে গিয়ে দেখি
একরাশ নিষ্প্রাণ ফুলের অক্ষর।

পরিব্রাজক হয়ে অরণ্য-পথে অজস্র পায়ে পায়ে
হেঁটে যেতে যেতে খুঁজি তৃষ্ণা-জলের খনি,
অসতী আলোয় পথ হারিয়েছি, বুঝেও অযথা হৈ রৈ করি;

পরিক্রমার পদব্রজে এ এমন কিছুই না,
শুধু চাঁপা পড়া শব্দ-পাহাড় থেকে কিছু মুক্তো খুঁজে নেয়া,
অসম্পূর্ণতায়-ও একটুখানি ছুঁয়ে থাকা।

“I can’t write in the way, it need to be written.” (স্মৃতি)

গান ও ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৭৮০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২০টি মন্তব্য

  1. অবশেষে শেষের কবিতাও শুরুতেই সান্ধ্যব্রত মাগে –
    পথের সন্যাস পথ ভোলে কুহেলী কুয়াশা মেখে,
    দায় ঠেলে মুখ ফেরাতে চায় আলোকের পানে – অদ্ভুত
    ব্রত ভুলি বলে সব অসতী আলেয়ার খেল
    অনির্বাণ- তোমার মাস্তুলের নিশানা কি আজ হেরফের ।।

    1. এত সুন্দর করে মন্তব্য লিখলে কী আর উত্তর দেয়ার থাকে!!
      নিশানা হেরফের হলে মাঝ নদীতে সলিল সমাধি ভিন্ন আর কিছুই থাকে না, থাকবে ও না।
      ভাল থাকুন।

  2. পথ চলতে চলতেই মুক্ত খুঁজে নিতে হয়, ভাগ্য ভালো হলে হীরা ও পেয়ে যাবেন । কবিতারা আরো জ্বলজ্বল করুক হীরকের মতো। অফুরান শুভ কামনা

  3. শিমুল তুলা যদি হয় ফুলের অক্ষর, সেই অক্ষরে ভরে উঠুক কবিতার খাতা। তৃষ্ণায় খুঁজে পাওয়া জলের খনি, সেতো মুক্তার চেয়েও দামি রত্ন জানি। শুভ কামনা রইলো।

মন্তব্য করুন