দূরান্তের নীলাকাশ

 

স্তব্ধতার বাণ-ডাকা সময়ে এখন আর ভ্যাবাচেকা খাই না,
মাশাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ বলতে শিখে গেছি প্রায়!
সুখ-দুঃখের বিকার-কে না-বলে-বলে।

কারণে অকারণে তন্ময়তাটুকু কেটে গেলে
হা-পিত্যেস করি না, চিৎকার চেঁচামেচি-ও-না
ধস্ততায় আকুল হতে হতে ঘাড় বেঁকিয়ে ভাবি
স্মরণে থাকুক, স্মরণে রাখুন, হে বিধাতা;

ঐ দূর-দূরান্তের নীলাকাশ আমার হবে,
আমিও নীলাকাশের, ব্যাঘ্র অসন্তোষগুলো গুলে খেয়ে।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৭১৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. আশা নিয়ে বাঁচি, আশা-ই বাঁচিয়ে রাখে। স্বচ্ছ নীলাকাশ ছুঁয়ে যাক সবার জীবনে। অবিরাম শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন নিরাপদে থাকুন

  2. আসলে হাপিত্যেশ করেই লাভ কি? জীবন জীবনের নিয়মে চলে যায়…. ……….
    কখনো কখনো মেনে নিতে হয় জীবনের কঠিন বাস্তবতা।
    একমাত্র মহান সৃষ্টিকর্তাই ভরসা।

    1. দেখুন ইচ্ছে করে হাপিত্যেশ করার কিছু নেই, এসে যায় নিজ নিয়মে।
      হাহাকার বেড়িয়ে আসে নিজের অজান্তে।
      তাই আমদের একমাত্র ভরসা, বিধাতার কাছেই সাহায্য চাই।
      অনেক ধন্যবাদ।

  3. সুবহানাল্লাহ, আপনি দেখি সে-ই রকম বিদ্যা শিখে যাচ্ছেন! আলহামদুলিল্লাহ শুনে খুশি হলাম। ইনশাআল্লাহ আকাশটা একদিন আপনার হবে, যেভাবে চান তেমন করেই পেয়ে যাবেন। দ্রুত আপনি সর্ব বিদ্যায় সার্টিফিকেট নিয়ে নিন। শিক্ষা চালু রাখুন মহারাজ।
    আমাদেরও স্বরণে রাখুন, স্বরনীয় সব বর্ণ-বর্ননায়।

    1. সব ই আপনি/আপনাদের সঙ্গ গুণ, শিখতেই আছি, দোলনা থেকে শুরু, শেষেও।
      আপনাদের স্বরণ না করে উপায় তো দেখছি না।
      দোয়ায় রেখে ভাল থাকুন।
      ধন্যবাদ।

  4. মানুষ যখন ধাক্কা খেতে খেতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায় তখন মন আপনাআপনি প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে কঠোর হতে শিখে যায়। সৃষ্টিকর্তার দেয়া সব কিছুকেই তখন সহজভাবে গ্রহণ করতে পারি আমরা।

    শুভকামনা ভাই।

মন্তব্য করুন