প্রথম হিম-কুয়াশা-শিশির

এ ক্ষণিক জীবনের যাপনে সারাক্ষণ হ্যাঁ বা না এর নিদারুণ টানাপড়েন, করবো কী করবো-না, যাবো কী যাবো-না, এটা ন-কী ওটা,
খাব কী খাব-না, খেলবো কী খেলব-না, ঘুমাবো কী ঘুমবো-না, নিরামিষ ব্লগ না-কী মজা-মজা ফেসবুক, মেসেঞ্জার না হটসএ্যাপ,
ভিডিও না অডিও, এফোঁড় না ওফোঁড়, জেণ্ডার না ট্রান্স জেণ্ডার , ফেক না অরিজিনাল , বাবু খাবা না খাওয়াবা, এমুড়া না ওমুড়া,
এসপার না ওসপার;

এই সম্ভব-অসম্ভব সব দু’য়ের মধ্যে হাবুডুবু, কোঁখে রাখা কোঁ কোঁ চেপে!!
আদিখ্যেতা আর গোঁজামিলের এ জীবন;

নিরন্তর এই ভাগ দৌড়ের সমারোহে বিবেকের সন্দিহান থতমত অট্টহাসির মগ্নতা,
ভাষা শূন্য বিশুদ্ধ মনো-দেশের অলিতে গলিতে ঘুরপাক খায়, শুদ্ধতার মোহে ,
শুদ্ধতার খোঁজে;

প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প/ঘূর্ণিঝড়ের শেষেও শব্দ-ভীরুতা নিয়ে অতীন্দ্রিয়তার দিকে
চোখে চোখ রেখে ভাবি, জীবিত না মৃত এই সময়ে।

সহসা যদি দৈব এসে এক ফুৎকারে সব-সব নড়নড় নগ্নকান্তি নাঁচ-কোদনের না-গুলোকে প্রচণ্ড হ্যাঁ করে দেয়,
নিমেষ-পলকের ফুস মন্তরে,সব ফুল-ফল গুলোকে ত্রিগুণ/চতুর্গুণ করে দেয়, হি হি হা হা গুলোকে, নাকিকান্নাগুলোকে-ও!!

তখন এই ধ্রুব সত্যদের লইয়া আমরা কী করিবো!! কোথায়-ই-বা যাইবো!!
এই প্রথম একটু হিমের কুয়াশা-শিশির সকালে?

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৭৭২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. প্রথম হিম- কুয়াশা-শিশিরে মাথা দেখি খালি ঘুরছে এমুড়া না ওমুড়া!! আদিখ্যেতা আর গোঁজামিলের জীবন এভাবেই চলছে, চলবে । মহা নবমীর শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো

    1. বিসর্জনের কাঁদো কাঁদোর মিহি সুরে আপনাকেও মঙ্গল শুভেচ্ছা।
      গোঁজামিল আর আদিখ্যেতার মিশালে।
      ভাল থাকবেন আপনি।

  2. যাক রম্যতে ও আমাদের মহারাজের সমান দখল।
    পড়ে মজা পেলাম। সত্যি তো ব্লগ না ফেসবুক!
    কয়েকজনকে ভুলিয়ে ভালিয়ে আনলাম দু’একটা লেখা দিয়ে কি জানি কি হলো ফেসবুক নিয়ে পড়ে আছে।
    ব্লগে ধরে রাখতে পারলামনা।
    রম্য হলেও কথাগুলো নিদারুণ সত্যি। জীবনটা সত্যি গোঁজামিল ছাড়া কিছু নয়।

    1. যখন যা মনে আসে তাই লিখি, তাই-ই লিখি। আদিখ্যেতা ছাড়াই। অবশ্য গোঁজামিল দেই/আছে।
      জোর করে আসলে কাউকে ধরে রাখা যায় না। আপনাপন ঠিকানায় ফিরে যায়।
      বাঁক বদলের জীবনে সিব কিছুই কেমন যেন এলোমেলো, তবুও জীবন তো এই একটাই।
      সুন্দর করে বলার জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ, যা আপনি সব সময়ই বলেন।

  3. শুধু বলতে চাই আমরা সবাই এই হ্যা আর না এর মাঝেই সীমাবদ্ধ। হ্যা/না শব্দ ইজি কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বটে। একটা হ্যা জীবনকে আনন্দে ভরিয়ে দেয়, আবার একটা না জীবনকে এক নিমিষেই বিষিয়ে দেয়। হিম কুয়াশার শিশিরেই আপাতত গা ভিজাই। শুভকামনা।

    1. জীবনের কোনটি যে হ্যাঁ আর কোনটি যে না তা বুঝতে বুঝতেই জীবনের রাত চলে আসে।
      তবুও জীবন চলে যায় জীবনের নিয়মে, আমরা শধু দেখি আর দেখি।
      হেমন্তের শুভেচ্ছা আপনাকে -ও।

  4. এ ক্ষণিক জীবনের যাপনে সারাক্ষণ হ্যাঁ বা না এর নিদারুণ টানাপড়েন, করবো কী করবো-না, যাবো কী যাবো-না, এটা ন-কী ওটা,

    দাদা, শারদীয় শুভেচ্ছা রইলো /

  5. বেশ ভাল লাগলো পড়ে। জীবন তো টানাপোড়েনের বেড়াজাল। তার থেকে নিস্কৃতি পাওয়া তো অনন্য উপহার হবে।
    এর মাঝেই পথা চলতে হয়,সবাই হয়তো প্রয়োজন বুঝেই কাজ করে চলে।অফুরান শুভ কামনা সব সময়।

  6. যাবার জায়গা নাই। তাই সকালে হিম হিম কুয়াশায় আবছা আলোয় নিজেকে খুঁজি। সবই তো বদলে যায়।
    ” পৃথিবী বদলে গেছে, তবুও নতুন লাগে। “

    1. বদল ই জীবনের নিয়তি, আমরা বুঝি বা না বুঝি। আর এর মধ্যে হারিয়ে যেতে যেতেই নিজেদের খুঁজি।
      এই নতুনত্ব আমাদের সামনে এগুবার পথ দেখায়।
      ধন্যবাদ আপনাকে।

মন্তব্য করুন