কাশবনে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট পাখির ডাক
শুধুই শুনে যাই, সকাতর সে ডাক,
ঠিক-ঠাক বুঝতে পারিনা/পারিনি;
ঘিরে থাকা চিহ্নবিহীন নৈঃশব্দের উসখুসকতায়
বন-গর্ভের স্তূপে, কখনও চড়া গলার সকাতর ডাক
নিস্তব্ধতা খান খান হয়;
এবারে কাশবন আমশি হয়ে হেলে আছে
এ ওর গায়ে, ন্যাতানো মরন্মুখের মত,
আজ ভিখিরি-বেশে অষ্টপ্রহর শুধুই ধুকছে,
দীর্ঘ-উপবাসের সিঁড়িতে বসে;
একটু জ্যোৎস্না গুনগুনানি হৃদকাঁপনে
সে এবার বর্তে যাবে,
ঝুঁকে ঝুঁকে হেঁটে চলা শরত-দুপুর।
ছবি নেটের।
মোট পড়েছেনঃ ১,৪৮৪জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
কাশবনের চড়ূই পাখির ডাক ভারি মিষ্টি আজও কানে ভাসে কবি দা
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
মিষ্টি কবিতার জন্য ধন্যবাদ ও শারদীয় শুভেচ্ছা। অপেক্ষায় থাকলাম আগত শীতে কবিতার উষ্ণ ওমের।
শুভেচ্ছা আপনাকেও, বর্ষার ও শরতের ,
শীতকে হাতের নাগালে আগে পাই, তারপর মিলেমিশে কিছু একটা হবেই।
কাশবনের ছোট পাখির ডাক দীর্ঘ উপবাসের সিঁড়িতে বসে শুনতে ভালোই লাগে। শরৎ দুপুরের শুভেচ্ছা রইলো। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন শুভকামনা রইলো
দুপুর শুভেচ্ছা আপনাকেও এই আমশি শরতে।
আপনি যে এইসব ডাকাডাকি শোনেন তা কিন্তু আমাদের বলেন্না !!
পাখিরা ডাকবে। আপনি শুনতে না চাইলে কানে কিছু কাশফুল গুঁজে দিন।
আর হ্যা, কাশবনে করোনা ছড়িয়ে দিয়ে এভাবে নেতিয়ে না দিলোও চলতো। বছরের কটা দিনই বা দেখি। একটু সতেজ ভাবেই দেখি না হয়।
পাখি তো আমাদের কে কিছু বলার জন্য ই ডাক-ফাক দেয়,
না শুনে কী তা পারা যায় !!
আহা করোনা !! আমাদের কাশবন আমশি করে দিল!!
তা কবি !! কবিতার কী হাল!!
শুনুন, ডাক হোক আর চিল্লাচিল্লিই হোক। শুনে প্রান জুড়াইয়া ফালান।
কবিতা ছাপাখানায়। এলেই পেয়ে যাবেন।
জুড়ানো প্রাণ কৈ যে পাই!!
ছাপাইতে থাকুক, এই অবসরে কিছু একটা চালিয়ে দিন।
ছোট কবিতা কিন্তু সুন্দর।
ধন্যবাদ আপনাকে।
কাশবনে ছোট পাখিদের আনাগোনা শরতে বেশী বাড়ে। কেন বেড়ে যায় তার তথ্য এখনো পাইনি। তবে মনে হয় শরত থেকে শুরু হয় অধিকাংশ পাখির প্রজননকাল। ছেট পাখিরা ঘন কাঁশবনে বাসা বানানোটা নিরাপদ মনে করে বলে হয়তো ছোট পাখিদের বিচরন বেশী হয়। কবিতাটি ভাল লাগলো। শুভ কামনা রইলো ভাইজান।
পাখিদের সাতকাহন সে আপনার বিষয়, আমরা শুধুই তার ডাক শুনি মাত্র।
সুন্দর করে বলার জন্য অনেক ধন্যবাদ অবশ্যই।
যদি তোর ডাক শুনে না আসে
তবে একলা চলো রে
ভাইজান ডাক শুনার পর ওদের সঙ্গে প্রেমটাও দরকার।
পাখি-প্রেম সবার হয় না, সয়-ও না।
সে-কাজে পাখি ভাইয়েরা যোজন যোজন এগিয়ে।
***একটু জ্যোৎস্না গুনগুনানি হৃদকাঁপনে
সে এবার বর্তে যাবে,
ঝুঁকে ঝুঁকে হেঁটে চলা শরত-দুপুর।****
বেশ ভালো লাগলো।
শুভ কামনা।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
কাশবনে ছোট্ট পাখি
দেখতে ভাল লাগে
বন্ধুর চোখে পড়ল তাই
কবিতা আসলো আগে।
ভাল লাগলো। শুভ কামনা।
ঋতুদের সাথে অনেক কিছুই আমাদের কাছে ধরা দেয়,
আমরা একটু দেখে-টেখে রাখি মাত্র।
ভাল থাকবেন ভাই।
কাশবনে আরো একধরনের ছোট্ট পাখি মুনিয়াও দেখা যায়। এবারে বুঝি কাশবন আর দেখা হলোনা আমার।
মনের মত শরতের দেখা এবার এখন ও পেলাম না।
তবে অপেক্ষা ছাড়ছি না।
ধন্যবাদ দিচ্ছি।
এভাবে কাশবনে ছোট পাখির ডাকাডাকি মানে নিঃসঙ্গতা বুঝায়। ছবিটি আজকের প্রাণচাঞ্চল্য এই শহরের মিয়িয়ে পরার দৃশ্যও। ছোটাছুটি নেই। শুধুই বিলাপ। হাহাকার।
জাগুক প্রাণ প্রকৃতিতে, সাথে মানুষের মনেও।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন, মনের মত করে পাচ্ছি-না,
আমার শরৎ যেমন, তাই হাহাকার মিশে আছে অবশ্যই।
ভাল থাকবেন আপনি।
ধন্যবাদ অশেষ
আপনাকে শুভেচ্ছা।
ঝিমিয়ে পড়া শহরে,নেই কোনো আগের সেই চাঞ্চল্যতার দৃশ্য।প্রকৃতির অপরুপের মাঝেও তার উপস্থিতি। কাশবন,ছোট পাখি,শরতের সাদা মেঘ এসব কিছুই উপভোগ করার মত। অনেক সুন্দর লেখা আপনার। আন্তরিক ধন্যবাদ।
আসলে শহুরে জীবনে কিছুই ঠিকঠাক ধরা দেয় না,
আক্ষেপ-অপেক্ষা থেকেই যায় প্রকারন্তরে।
ভাল থাকবেন, সুস্থ ও হবেন দ্রুত।
কাশবনের পাখির কুঞ্জন বড়ই মধুর। আপনার উপস্থিতি কাশফুলের উড়ন্ত বাড় বাড়াবে। গেলেও দেখবেন উড়ছে আর উড়ছে।
এবারে কাশের বন শুধুই কল্পনায়, দেখা পাইনি এখন ও।
ভাল থাকবেন।
আল্লাহ ভরসা। দোয়া করিবেন আল্লাহ সুস্থ রাখে।
ভাল থাকবেন আপনি।
কাশবনে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট পাখির ডাক
শুধুই শুনে যাই, সকাতর সে ডাক,
ঠিক-ঠাক বুঝতে পারিনা/পারিনি;
ঘিরে থাকা চিহ্নবিহীন নৈঃশব্দের উসখুসকতায়
বন-গর্ভের স্তূপে, কখনও চড়া গলার সকাতর ডাক
নিস্তব্ধতা খান খান হয়;
কাশবনে পাখির ডাক নিজেকে ক্ষণিক মোহিত করে।
চমৎকার লিখেছেন ভাইজান।
কাশবন আর পাখি দুজনে দুজনার এই শরতে,
তাই মোহিত হওয়ার ই কথা,
ভাল থাকবেন ভাই।
আপনিও ভালো থাকবেন ভাইজান।
অনেক অনেক ধন্যবাদ, ভাই।
বুঝতে না পারার অযুহাতে
ছোট্ট মিষ্টি পাখিটার সকাতর ডাকে
সোড়া না দেবার দারুণ ফুন্দি
করোনা কালের কাশফুল
প্রেয়সীদের স্পর্শের অন্তরালে থাকলে
নেতিয়ে থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক
সব ডাকে সবাই সমান সাড়া দিতে পারে না,
করোনা আমাদের অনেক কিছুই কেড়ে নিয়েছে।