জ্যৈষ্ঠের ডাক

 

বাঁচার আনন্দে ভাগ বসাতে মূক হবো
তর্ক-হীনের গোমরা-মুখ নিয়ে
চাঞ্চল্যে-ভরপুর-সময় হাতরে;
প্রত্যহের রুটিনে পরিপাটি থাকবো
ইচ্ছানুসারে ঈষদুষ্ণ মধু-জলে ভিনিগার মিশিয়ে
ঢক-ঢক করে গিলে নেব
যতক্ষণ যতটুকু পারা যায়,
সাধ, বেঁচে-থাকার বেঁচে-যাওয়ার;

এ্যালোভেরার সুতীব্র সাধ ব্রহ্মতালুতে চেপে
ঝাঁক-ঝাঁক নাছোড়-বান্দা জ্যৈষ্ঠ-ডাক
রঙ্গন-পাখায় ঝরবে অবলীলায়।

মোট পড়েছেনঃ ৭৪৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৬টি মন্তব্য

    1. আহারে কি সুন্দর জৈষ্ঠ্যেরে ডাকে। সেতো গত হয়েছে আষাঢ় এসেছে তল্পিতল্পা সহ। বাঁচার আনন্দে মূক হবেন সেটা আমরা চাই না।কিটো ডায়েট মনে হয় ভালোই চলছে! ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন

      1. পাকা-ফলের রঙ্গীন জৈষ্ঠ শুধুই মাসের মধ্যে আটকে থাকে না।
        ডায়েটের মধ্যেই থাকি, তাও কাজ হয় বলে মনে হয় না।
        আপনি ভাল থাকবেন।

  1. এ্যালোভেরার সুতীব্র সাধ ব্রহ্মতালুতে চেপে
    ঝাঁক-ঝাঁক নাছোড়-বান্দা জ্যৈষ্ঠ-ডাক
    রঙ্গন-পাখায় ঝরবে অবলীলায়।
    মাথার উপর দিয়ে গিয়েছে দাদা!
    কিন্তু আষাঢ় কে স্বাগতম জানান নি যে?
    এমন লেখা পাঠকে আকর্ষণীয় করে নির্দ্বিধায় তুলবে।

  2. কবিতা / লেখা ভালো হয়নি।
    বর্ষা-দিনের লেখা মনোযোগ দিয়ে লিখতে হয়।
    এইসব এ্যালোভেরায় চড়ে/ ডুবে শীতের ফাটা ত্বক ভালো হয়, বর্ণেরা না।

    গুচ্ছ গুচ্ছ কদম ফুল দিয়ে বর্ষা বরণ করুন মহারাজ 🙂

    1. কেমনে আর ভাল হয়!!
      বেশী ভাল অবশ্য ভাল-না।
      তিতকুটে স্বাদ আমাদের হামেসাই নিতে হয়, সে করোল্লা বা এ্যালোভেরা!
      কদম ফুল পাবেন, রেডি আছে।
      নিরাপদে থাকুন।

      1. হু, তিতার অনেক গুণ জানি,
        বহু উপাদানে পানসে বেগুন হয় গুণী,
        তাও মানি;
        তো! রাশি-রাশি কদম্ব লুকিয়ে,
        আষাঢ়ের বৃষ্টি এড়িয়ে
        জৈষ্ঠ্যমাসের গীত কেন গাইছেন মহারাজ?

  3. সামনের জৈষ্ঠ্যমাস ভাগে পাবো কিনা জানা নেই। তবুও কবি মহারাজ-এর কবিতা পড়ে জৌষ্ঠতে ষষ্ঠীপূজার আশায় থাকি।
    শুভকামনা থাকলো শ্রদ্ধেয় কবি মহারাজ।

মন্তব্য করুন