যে সমস্ত ছবিতে বন্দী আমি : পর্ব এক

ভ্রমনে গেলে প্রচুর ছবি তুলি আমি। নিজের ছবি খুব কম তোলা হয়। জ্ঞাত বা অজ্ঞাত ভাবে আমার কিছু ছবি তুলে রাখে ভ্রমন সংঙ্গীগন। পরে এসব ছবি আমাকে দিয়ে দেন। এরমধ্যে কিছু ছবি আমার কাছে এপিক ছবি হিসেবে বিবেচিত হয়। মাঝে মাঝেই স্মৃতির এলবাম খুলে দেখি এসমস্ত ছবি। এইসব ছবিতে নিজকে আজীবন বন্দী রাখতে ভালো লাগে। এমন কিছু ছবি নিয়ে আমার এই ধারাবাহিক পোস্ট এর আয়োজন।

ছবির সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ
২০১৪ সনে ব্যাবসায়ীক কারনে সিলেট যাই। সাথে ছিলেন ছোট বেলার বন্ধু ছাইরাছ হেলাল। সিলেটের লালাখাল দেখার জন্য দুজনে খুব সকালেই বের হই। ইঞ্জিন চালিত নৌকায় চড়ে নীল পানির লালাখাল অতিক্রম করছি আর নদী, দুই পারের প্রাকৃতিক দৃষ্যে মুগ্ধ হতে হতে সামনে আগাচ্ছি। শেষ প্রান্তে এসে থামি একটি সুন্দর চা বাগানে। এত সবুজের সমারোহ আমি আর দেখিনি ইতিপুর্বে। সারাদিনই কাটিয়েছি সবুজের সাথে।

ছাইরাছ হেলাল এই ছবিটি কখন তুলেছেন জানিনা আমি। হোটেলে এসে ছবিটি আমাকে দেখালে ছবিটির দিকে মুগ্ধ নয়নে তাকিয়েই থাকি। বন্ধুর তোলা অসাধারন সুন্দর এই ছবিটির প্রেমেই পরে যাই ।
===================================

সবুজ টানে সব সময়ই আমাকে । ইচ্ছে করে জীবন কাটিয়ে দেই এই সবুজের মাঝে ।
ইচ্ছে করে গাছ হয়ে যাই – ছায়া দেই মানুষকে
ফল হই – বেঁচে থাকুক পাখিরা সেই ফল খেয়ে
গাছের ডালে এসে বসুক – টিয়া , ময়না , ঘুঘু , শালিক , কাকাতুয়া
অথবা কেটে জ্বালানী বানাক বনে থাকা মানুষেরা , বেঁচে থাকুক ।
ইচ্ছে করে বন্য ফুল হই –
আরো কত ইচ্ছে সবুজকে নিয়ে,

মোট পড়েছেনঃ ১,১০১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৩টি মন্তব্য

  1. প্রথম প্যারা পড়ে ভাবছিলাম ভ্রমন কাহিনী নিয়ে সিরিয়াল লেখা শুরু করলেন। খুশী হলাম। ভাবলাম পড়তে পারবো আর জ্ঞানও বাড়বে বিভিন্ন কাহিনী শুনে। পরের প্যারায় দেখলাম সুন্দর একটি প্রকৃতিঘেরা কবিতা। দারুন লাগলো কবিতাটি পড়ে। আপনার মতন সবাই যেন মনকে এমন বিসর্জন দিতে পারে প্রকৃতির অলংকারদের জন্য। সবুজকে নিয়ে আপনার ইচ্ছা পূরন হোক। শুভ কামনা রইলো ভাই।

  2. “ইচ্ছে করে গাছ হয়ে যাই – ছায়া দেই মানুষকে
    ফল হই – বেঁচে থাকুক পাখিরা সেই ফল খেয়ে “
    বন্ধু আমার স্বপ্ন বুনে
    হরেক রকম ইচ্ছে গুনে
    আমরা ও তাই আশায় থাকি
    সকল আশার পূন্য গুনে।
    ভাল লাগলো। শুভ কামনা।

  3. ধারাবাহিক পর্বটি সুখপাঠ্য হবে বুঝতে পারছি। নয়নাভিরাম সবুজের মাঝে এই ছবিটি সত্যিই মনোমুগ্ধকর লাগছে। হেলাল ভাইয়ের ছবি তোলার হাত যথেষ্ট ভালো নিঃসন্দেহে। যাক আপনার লেখায় অদেখা প্রকৃতি দেখে আসবো নিজেও ভেবে রোমাঞ্চিত হচ্ছি ভাইজান।

    শুভকামনা সবসময়।

    1. ছাইরাছ হেলাল অত্যন্ত ভালো ছবি তোলেন। ছবি তোলায় তার ধৈর্য্য দেখে মাঝে মাঝে খুব অবাক হই। তার তোলা এই ছবিটি আমার অত্যন্ত প্রিয় একটি ছবি।
      তার এবং অন্যদের তোলা আমার কিছু ছবি দিয়ে সিরিজ পোস্ট দেয়ার চিন্তা এলো কয়েকদিন আগে।

      ভালো থাকবেন ভাই।

  4. দারুন হবে দাদা ভাই। লিখুন সাথেই আছি। আপনার বর্ণনায় ভিন্নতা পাই। মহারাজ যে ভালো ফটোগ্রাফার বুঝলাম। আসলে ওনার গুণের নেইকো শেষ। চলুক সিরিজ। শুভ কামনা রইলো

  5. সবুজ শ্যামলে আচ্ছাদিত প্রকৃতিকে নিয়ে ধারাবাহিক আকারে লিখুন দাদা।
    সাথে আছি।
    অগোচরে ছবিটা খুবি সুন্দর হয়েছে দাদা।

  6. প্রিয় জিসান ভাই!
    একটা নয় প্রতিপর্ব একাধিক ছবি চাই।
    একজন প্রকৃতিপ্রেমি হিসেবে আপনাকে আরও
    ফ্রেমবন্দী দেখতে চাই!
    শুভেচ্ছা অবিরাম!

  7. ‘১৪ সাল থেকেই ছবিটি বেশ অনেকবার দেখেছি এবং বারবার মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকি, প্রিয় সিলেটের লালাখাল এবং এই রাস্তাটি আমারও বেশ পছন্দের বলেই হয়ত মুগ্ধ হয়ে চেয়ে থাকি ভাইজান।

  8. লালখালের নীল পানির সৌন্দর্য কেউ ভুলতে গিয়েও ভুলতে পারবে না।আপনার এপিক ছবি ও চায়ের বাগানের সবুজের সমারোহ সত্যিই প্রকৃতিকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
    অন্যান্য পর্বগুলো পড়ার অপেক্ষায় রইলাম,প্রিয় বড় ভাই।

  9. সত্যিই ছবিটি মুগ্ধতা নিয়ে তাকিয়ে দেখার মতো
    ফটোগ্রাফারের ধন্যবাদ অবশ্যই প্রাপ্য
    আর থাকলো লেখা সেটিও দারুণ
    দারুণ স্মৃতি রোমন্থন

  10. ছবি তোলারও বিশেষকিছু দিকনির্দেশনা থাকে মনে হয়! কিন্তু তা আমরা ক’জনে-ই-বা মেনে নেই। যাঁর যাঁর মনের ইচ্ছেমতোই ছবি ওঠাতে থাকি। কিন্তু আপনার বেলার দেখা যাচ্ছে যে, ছবি তোলার নিয়ম মেনেই ছবি তুলেছেন। তবে গন্তব্য অতিদূর?
    শুভকামনা থাকলো।

মন্তব্য করুন