গাঢ় অন্ধকার বা রৌদ্র-উজ্জ্বলতায়
কিছু কিছু অনুভূতি সত্য-স্বপ্নের মত
সঙ্গে সঙ্গে যায়, রয়ে রয়ে ও যায়;
টু শব্দ না করে হেঁটে যাওয়া,
ইচ্ছে করে, অনিচ্ছুক ভাব নিয়ে
আলগোছে ছুঁয়ে দেওয়া, ছুঁয়ে যাওয়া,
এই খর রৌদ্রে, এই হঠাৎ হঠাৎ
বজ্র সমেত বৃষ্টি পেরেকের
অবিদ্ধ কিছু অনুভূতি পিছু নেয়,
পিছু ডাকে;
নীলাকাশ জুড়ে ঝুলে থাকা
নিরুত্তরের গিজগিজে প্রহরগুলো,
টানটান অনুভবে জ্বলজ্বল-মান এখনও
যা সেঁটে আছে প্রচণ্ড বিষণ্ণতার
প্যাঁচা এড়িয়ে।
প্রেত ও প্রেতিনীর যুগল বন্দিত্বের
হুলাহুলা নৃত্য-উল্লাস মনে পড়ে,
স্বর্গ-দূতের নেমে আসার স্বস্তি
এখন ও অনুভবে।
মোট পড়েছেনঃ ৮১৩জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
রোল নং ১ 😀
অবশ্যই অবশ্যই, বাঙ্গি শুভেচ্ছা।
বাঙ্গি শুভেচ্ছা টা ভাল লাগছে
তাই-ই!
স্বর্গ থেকে দূত নেমে আসবে কবে সেই অপেক্ষায়ই আছি। নানা রঙের করোনা ভুত-প্রেতের ভয়ে বন্ধি থাকতে আর ভালো লাগছে না।
ব্যাপার না, স্বর্গবাসীরা আমাদের সাথে/পাশেই থাকে।
ভূতেদের হাউ-কাউ শুধুই সাময়িক ।
ভাল থাকবেন।
স্বর্গদূতের অপেক্ষায় আছি। ইদানিং ভূত-পেতনীর আছড় বেশি পড়লো কেমনে? অবশ্য সুনশান নিরবতায় এদের আগমন ঘটে বেশি। হঠাৎ বৃষ্টি , হঠাৎ ঠাডা নিয়েই ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন
অবশ্য ডাইনি সখ্যতা খুব পুরোন, টের পাবেন অচিরেই।
স্বর্গদূতের কৃপা আমাদের লাগে, থাকেও।
নিরাপ্ততা নিশ্চিত করুন।
সাবলীল সুন্দর উপস্থাপন । ভালো থাকুন।
নিয়মিত পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
প্রেত ও প্রেতিনীর যুগল বন্দিত্বের
হুলাহুলা নৃত্য-উল্লাস মনে পড়ে,
স্বর্গ-দূতের নেমে আসার স্বস্তি
এখন ও অনুভবে।
——————-ভাল লাগল।
অভিনন্দন প্রিয় কবি।
দু-দুবার পড়লাম দাদা।
প্রেত ও প্রেতিনীর যুগল বন্দিত্বের
হুলাহুলা নৃত্য-উল্লাস মনে পড়ে,
আজও মনে পড়ে এদের কথা?
দেখুন ক্ষত নিরাময় হলেও দাগ থেকে যায়, রয়ে যায় চিহ্ন।
ঠিক এক বছর আগে এখানে প্রেত-নৃত্য হয়েছিল, ভুলি কেমনে!
ধন্যবাদ।
“প্রেত ও প্রেতিনীর যুগল বন্দিত্বের
হুলাহুলা নৃত্য-উল্লাস মনে পড়ে,
স্বর্গ-দূতের নেমে আসার স্বস্তি
এখন ও অনুভবে।”
এত সুন্দর স্বপ্ন দেখলে শুধু স্বর্গ-দূত নয়
সবার স্বস্তি নামে।
আপনি তো বটেই।
শুভ কামনা।
স্বপ্নটুকুই বেঁচে থাকার প্রেরণা।
আপনি ভাল থাকবেন ভাই।
ভাইজান কি কমু আপনেই কইয়া দেন। দারুন লাগলো।
ব্যাপার না, আমরা তো আমরাই এখানে। ভাই।
দিন চলে যায়, স্মৃতিরা ম্লান হয়না। খুবলে খাচ্ছে অস্থির সময়ে।
এই অস্থির সময়ে ও কিছু স্মৃতি অম্লান।
নিরাপদে থাকুন।