করোনালাপ….(৭)

 

স্পর্শ-কিরণের সূর্যমুখী

আমাকে স্মরণ করিয়ে দেও
একমাত্র তোমার-ই মহিমা কীর্তন,
যেন থেমে যায় ধেয়ে আসা
বাঁকানো হলুদ দাঁতের নির্মম মৃত্যু-উল্লাস ধ্বনি;
যেন অব্যাহতি পাই মৃত্যু-সান্নিধ্যের
অবশ-বিবশ বিষণ্ণ বাতাসের;

হেলান দিতে দাও, দূরবর্তী ঐ সবুজের ব্যালকুনিতে,
ডুবে যেতে দাও, সুস্থির আবেগের গোধূলিতে,
টুকে রাখতে দাও আমার, আমার-ই একান্ত ভাবনা গুলো
একটু একটু করে,
একবার বাঁচতে দাও, স্পর্শ-কিরণের সূর্যমুখী হয়ে,
আক্ষেপ অপেক্ষার বছর পার করে হলেও, শেষ একবার;

হে প্রভু, তোমাকেই স্মরি জল-চোখে,
ক্লান্তি-বিহীন একান্ত নিশি-জাগরণে।

মোট পড়েছেনঃ ৯৬৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. ঈশ্বর আপনার সকল আশা পূরণ করুক, সুস্থ রাখুক, বাঁচিয়ে রাখুক আরো বহু বছর। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য। শুভ সকাল

  2. একবার বাঁচতে দাও, স্পর্শ-কিরণের সূর্যমুখী হয়ে,
    আক্ষেপ অপেক্ষার বছর পার করে হলেও, শেষ একবার;

    মৃত্যু ভয় খুব খারাপ।
    মানুষ বোধ শক্তি হারায়।
    মনোবল হারানো যাবে না বন্ধু।
    শুভ কামনা।

  3. তোমারই স্মরণে আজি
    দুহাত তুলে দোয়া মাঙি
    হে দয়াময় দয়ার সাগর কৃপা করো যদি
    তোমার অধম বান্দা মোরা প্রাণে বাঁচি

    এই বিপর্যয়ে একমাত্র তিঁনিই ভরসা। তিঁনি কৃপা করলেই বেঁচে যাবে তাঁর সমস্ত সৃষ্টি

    1. আপনার এমন কবিতা-মন্তব্যের উত্তর কী করে দেই!!
      তবে প্রার্থনা একমাত্র তার কাছেই, বেঁচে যাওয়ার বাঁচিয়ে রাখার।
      ভাল থাকবেন,আপনি।

  4. একবার বাঁচতে দাও, স্পর্শ-কিরণের সূর্যমুখী হয়ে,
    আক্ষেপ অপেক্ষার বছর পার করে হলেও, শেষ একবার;

    (শেষটাই ই তো বর্তমান) যে জীবন চলছে ।
    থামলেই হবে ইতিহাস।

    আমি আসলে এরচেয়ে ভালো বুঝিও না।

  5. “হেলান দিতে দাও, দূরবর্তী ঐ সবুজের ব্যালকুনিতে,
    ডুবে যেতে দাও, সুস্থির আবেগের গোধূলিতে,
    টুকে রাখতে দাও আমার, আমার-ই একান্ত ভাবনা গুলো
    একটু একটু করে”
    ———- আপনি চমৎকার লিখেন ভাই।

    1. হন্যে হয়েছি সেই চমৎকারে,
      পাইনি খুঁজে তারে, এখন-ও;
      পাবো।

      আপনি একটু বেশি বেশি-ই বলেন।
      শুনতে ভাল-ই লাগে, তা।
      নিরাপদে থাকুন।

  6. আপনি তার বাঁকানো মুখের হলদে দাঁত কেন দেখছেন মহারাজ? এসব দেখলেতো হলুদ সূর্যমুখীর হাসিটাও ভয়ংকর লাগবে! তার চেয়ে আসুন অন্যকিছু দেখি।

    স্মরণের দিন গুলো মেলে দেই এক-এক ভাবে
    একটু-একটু জমানো স্মৃতি,
    যেখানে জমে আছে রাশি-রাশি মায়ার আঠায়
    স্পর্শ-সুখের আলোয় স্মৃতিরা বলছে কথা
    অনূর্ধ্ব স্বরে,
    কান নয়, মন পেতে দিন ;
    আসবে সুদিন আলোকিত দিনে,

    প্রভু! তিনিও থাকবেন সাথে-যেমন থাকেন চিরদিন,
    তিনি স্মরণে থাকেন-স্মরণে রাখেন..

    1. জমে থাকা স্মৃতির মায়া
      নিরক্ত হয়ে পিছলে পড়ে,
      বিষাদের পিচ্ছিল পথে!
      গভীর ক্লান্তির ঝিলিকে।

      হে প্রভু স্মরণে থাকুন, রাখুন।

মন্তব্য করুন