আত্মাহুতি

কৃষ্ণকালো জলে মেয়েটি আত্মাহুতি দিলো-
তার সাথে তার সাজানো স্বপ্ন,ভালোবাসা ও ছিলো।
মনের ব্যাস-ব্যাসার্ধের হিসাবটা তার জানা না ছিলো।
তাইতো সূলভেই সবার আপন হয়ে যেতো;
অন্ধের মতো সবাইকে বিশ্বাস করতো-
পাপ-পূণ্যের খতিয়ানটা মেলাতে পারলো না।
সমাজের কদর্যতা ধরতে পারলো না।
ভালোবাসা, ঘৃণার জ্যামিতিক নকশা অবোধ্য রয়ে গেলো ।
হীরকখন্ড আর পাথরের কাঠিন্য অজানাই রয়ে গেলো।

বেগ-আবেগের নির্যাসটুকু ধারন করতে পারলো না।
নরম-শক্তের ভেদাভেদ বুঝলো না।
সত্যমিথ্যার লুকোচুরিতে নির্বাক দর্শক হলো।
সুখ-দুঃখের বৃত্তাকারে জীবনটা চক্রবদ্ধ হলো।
আলো-আঁধারের উত্তাপটা ধরতে ব্যর্থ হলো।
কূপ, সমুদ্রের গভীরতা একাকার হয়ে গেলো;
খেই হারিয়ে অতল-গহবরে বিসর্জন দিলো।

মোট পড়েছেনঃ ১,২১৫জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৩টি মন্তব্য

    1. প্রথমেই অসংখ্য ধন্যবাদ প্রথম মন্তব্য করার জন্য। পুরোপুরি সত্যি টাই বললেন। ভালো লাগলো। শুভ কামনা রইলো

  1. সত্যিই জীবনের জটিল হিসেব বুঝে উঠাটা বেশ কঠিন, তার উপর বাচ্চা মেয়েদের বেলায় বলতে হয় একটু বেশীই কঠিন। তবে আত্মাহুতি কাম্য নয়।

  2. “কৃষ্ণকালো জলে মেয়েটি আত্মাহুতি দিলো-
    তার সাথে তার সাজানো স্বপ্ন,ভালোবাসা ও ছিলো।”

    বিরহ বেদনায় মন ছুয়ে যায়
    সুন্দর কবিতাখানি।
    শুভ কামনা।

  3. কোনকিছুই মেলে না, আমরা মানিয়ে নিই। তবু জীবন সুন্দর। অসুন্দর মৃত্যুকে স্বেচ্ছায় বরণ করা মানে মানাতে ব্যর্থ হওয়া। ব্যর্থ হবো না, এই মনোবল রাখতে হবে।
    লিখেছেন বেশ।

মন্তব্য করুন