বিসর্গ

 

হাসপাতালে দরজার করিডরের কাছাকাছি যেতেই কান্নার শব্দ কানে এসে মুখটা শুকিয়ে চুপসে গেলো। বুকের ভিতর ধুকপুকানি শব্দের জাতাঁকলে হৃৎপিণ্ডটা পিষ্ট হয়ে গলাটা শুকিয়ে ধম বন্ধ হওয়ার উপক্রম। শুধু দমকা হাওয়ার মতো নিশ্বাস টুকু উড়াউড়ি করছিলো বিধায় শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে যুদ্ধ করে স্বাভাবিক আছি।
মাটিতে লুটে পড়ে দুজন হাউমাউ করে কাঁদছে। এ কান্না ঝড়ের আঘাতে ব্যাঘাত ঘটাতে দ্রুত বেগে চলছে। থেমে যাওয়ার কোন উপায় নেই। নিরুৎসাহিত নিদারুণ নিরুপায় মানুষের সাথে কিছু ঘটনা কার্যক্ষমতা হারিয়ে ডোবাজলে মুখ লুকিয়ে কাঁধে। যার ধারণক্ষমতা এ পৃথিবীর আছে বলে মনে হয় না।
চোখ দুটো প্রয়োজনের প্রিয় মানুষটিকে খোঁজাখুঁজির অনুসন্ধানে বিভোর ভাবে ব্যস্ত থাকলেও আত্মাটুকু পরে আছে অচেনা অপরিচিত হাউমাউ করে কান্নাকাটির ভিড়ে হাড়িয়ে যাওয়া মেয়ে দুটোর কাছে। এ কলিজা ফাটা কান্না বাবার জন্য মেয়েরাই কাঁদতে পারে। আর কেউ কাঁদবে বলে মনে হয়না।

চলবে…

ছবিঃ (সংগৃহীত ও এডিটিং করা)

মোট পড়েছেনঃ ১,৫৫২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. “এ কলিজা ফাটা কান্না বাবার জন্য মেয়েরাই কাঁদতে পারে। আর কেউ কাঁদবে বলে মনে হয়না।”

    মেয়েরা বাবার আদর যত্নে বড় হয়ে উঠে
    এবং বিশ্বস্থ বন্ধুটির নাম বাবা তাই মেয়েরাই কাঁদে।
    ভালো লাগলো। শুভ কামনা।

  2. চিরন্তন সত্যি এটা
    ///এ কলিজা ফাটা কান্না বাবার জন্য মেয়েরাই কাঁদতে পারে

    চমৎকার এগিয়ে যাচ্ছে উপন্যাসের গতি।

    শুভকামনা রইলো।

  3. নিরুৎসাহিত নিদারুণ নিরুপায় মানুষের সাথে কিছু ঘটনা কার্যক্ষমতা হারিয়ে ডোবাজলে মুখ লুকিয়ে কাঁধে। যার ধারণক্ষমতা এ পৃথিবীর আছে বলে মনে হয় না।

    দারুন লিখেছেন ভাই ❤️

  4. এ কলিজা ফাটা কান্না বাবার জন্য মেয়েরাই কাঁদতে পারে। আর কেউ কাঁদবে বলে মনে হয়না।

    এই বিশ্বস্থ বন্ধুটির নাম বাবা তাই মেয়েরাই কাঁদে।
    ভালো লাগলো। শুভ কামনা।

মন্তব্য করুন