রিংটোন বেজে উঠলো। বলল, ‘…আর নেই’।
হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ির উঠানে পৌঁছাতেই বেহুঁশ (অজ্ঞান) হয়ে মাটিতে লুটে পরলাম।
চোখের পর্দা খুলে দেখি পৃথিবীটা ঘোলাটে বিবর্ণ রঙমহলে আলোকোজ্জ্বল। ধীরে ধীরে সন্ধ্যা বেয়ে বেয়ে রাতের আহাজারি পায়চারি বাড়ছে।
কে যেন চোখেমুখে পানি ছিটিয়ে দিতেই হুঁশ বেহুঁশের তালা খুলে পৃথিবী রঙ্গমঞ্চের নিদ্রা কাটতেই দেখি – ‘দুটো লাশের খাটিয়া ‘।
বাবা বরাবরই মাকে বলতো, ‘আমি চলে গেলে তুমি থেকো না। তোমার নিশ্বাস, তোমার কলিজার টুকরোরা তোমার দেখবাল করবে না। ‘
সত্যিই তো! ‘এ ঋণ শোধরাব কিভাবে? কোন ক্ষণকালে?’
মোট পড়েছেনঃ ১,০০৮জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
ভালো লিখেছেন।
ভালো লাগলো
ধন্যবাদ প্রিয় কবিবর
শুভকামনা রইলো ভাইয়া ।
হুমম, সেই তো
“বাবা বরাবরই মাকে বলতো, ‘আমি চলে গেলে তুমি থেকো না। তোমার নিশ্বাস, তোমার কলিজার টুকরোরা তোমার দেখবাল করবে না। ‘ “
সন্তানেরা আজন্ম রাখুক মনে
শুভ কামনা।
হুমম, শুভ কামনা রইলো।
সন্তানেরা ভুলে যায় বাবা-মায়ের ঋনের কথা। যে ঋন কখনো শোধরাবার নয়। শুভ কামনা রইলো
দোয়া করবেন প্রিয়
কিছু ঋণ ঋণেই থেকে যায়।
হুমম, তাই।
সুন্দর ও চমৎকার উপস্থাপন।
একদম ঠিকবলেছে….,
বাবা মায়ের ঋণ কি শোধ হয়?
না, কখনো না…
কিছু ঋন শোধ হয়না। তবুও আমরা অনেকেই অকৃতজ্ঞ থেকে যাই।
লেখা ভালো লেগেছে।
Tbx a lot
বাবা মায়ের ঋণ কি শোধ হয়?কেননা আমরা অকৃতজ্ঞ থেকে যাই।
হয়না, আমরা অকৃতজ্ঞ থেকেই যাই…
এমনটা সহ্য বড় কঠিন, তবু বাস্তবে এমন ঘটনা ঘটছে, আর তা না মেনে আমাদের কোন উপায়ও নেই……….শুভ কামনা সব সময়।
ধন্যবাদ প্রিয়, হরহামেশাই এরকম ঘটনা ঘটে। আর এটা আমার ভাবনার গল্প, চিন্তার গল্প।
হুমম, ধন্যবাদ ভাই
হৃদয় নাড়া দিল। দিন শেষে আমি একা।
সত্যিই তাই, এ পৃথিবীতে আমরা সবাই একা।
বাবার মৃত্যুর সাথে সাথে মায়ের ওকি মৃত্যু হয়েছে ?
এটা আমার কল্পনার গল্প, একান্তই নিজস্ব চিন্তাধারার গবেষণার..