অমিত আর লাবণ্যের কথোপকথন

অমিত : হ্যালো! লাবণ্য বলছো?

লাবণ্য : কণ্ঠস্বর কি ভুলে গেছো?

অমিত : না, একদম নয়।

লাবণ্য : কতোদিন পর ফোন করলে?

অমিত : আট বছর!!

লাবণ্য : কেমনে ভুলে ছিলে?

অমিত : তোমার উপস্থিতি আমি বুঝতে  পারি। ঐ পুব আকাশে সূর্য যখন আলো ছড়ায়। তখন তুমি বৃষ্টির ছোঁয়া হয়ে আসো। আমায় স্পর্শ করো। আর —

লাবণ্য : আর কি?

অমিত : যখন মৃদুমন্দ বাতাস এসে আমার চোখ দুটোতে দোলা দেয় ; তখন বুঝি, আমি জড়িয়ে ছিলাম তোমায়।

লাবণ্য : তাই বুঝি?

অমিত ; হুম! আচ্ছা—-

লাবণ্য : আচ্ছা কি?

অমিত : এখনও কি খোলা চুলে বারান্দায় দাঁড়ালে অবাধ্য বাতাস,  তোমার চুলগুলো এলোমেলো করে?

লাবণ্য : আমি তো আরও ইচ্ছে করেই দাঁড়াই।

অমিত : তাহলে চুল বাঁধো না?

লাবণ্য : বাঁধবো কেনো?  ঐ চঞ্চল, উতালা বাতাস, এই চুলের আনমনা করা সুবাস তোমায় পৌঁছে দেয়।

অমিত : ঠিক বলেছো। তখন উদাস হয়ে যাই।

লাবণ্য : আজ রাখি।

মোট পড়েছেনঃ ৩,২৫৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৭টি মন্তব্য

  1. বাহ্ ! দারুন কথোপকথন তাও ‘শেষের কবিতার’ অমিত আর লাবণ্য। বোনাস দিলেন আপু। শুভ কামনা রইলো ও শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা

  2. সুধু কথাই বলবে দুজনে?
    দেখা সাক্ষাৎ হবেনা?
    সুধু কথায় চিড়ে ভিজবে?

    লেখা কিন্তু বেশ ভালো হয়েছে,
    তোমাকে কম দেখি কেন ব্লগে?

    1. দেখি পরের পর্বে দেখা করাতে পারি কিনা।
      আমার বাংলালিংক। মনে হয় কিছুদিন ধরে নেট প্রবলেম চলছে। তাই।
      শুভকামনা জানবেন।

  3. আজকে যদি পত্রিকার হেডলাইন হতো তাহলে কেমন হতো ? দেখে নেওয়া যাক-

    সাংবাদিক মনে করুন নাজমুল হুদা:
    আরজু আপার কথোপকথন ফাঁস। কথোপকথনে লক্ষণীয় ও শিক্ষণীয় বিষয় হলো প্রেমের ক্ষেত্রে এখন পিছিয়ে আছে মেয়েরা একটু বললে ছেলেরা পুরো গরুর রচনা বলতে থাকে। এই সমস্যার উত্তরণ চাচ্ছে নাগরিক প্রেমিক সমাজ।

  4. কথোপকথনে কত ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে যা অনুভবের বিষয়। প্রেমিক যুগলের দেখা করাবেনতো নাকি শুধু ফোনেই লিলুয়া বাতাস উপভোগ করবে তারা?

  5. এত তারাতাড়ি কথা শেষ!
    চুলে কোন ব্রান্ডের শ্যাম্পু দিয়েছিলো সেটাও জানতে পারলাম না। জানলে ট্রাই করতাম। আমারও একটা মন-উদাস প্রেমিক লাগবে।

    বাকিটা তারাতাড়ি দিন,

মন্তব্য করুন