হে পিতা ফিরে এসো

 

অতিকায় রক্তনদী পেরিয়ে এসে স্বাধীনতা তুমি কেমন আছ?
সুখের নীরব নিঃশ্বাসে, সূর্যের চোখে চোখ ফেলে জানতে চাই,
এক বিশ্বস্ত সারস-বেলার শূন্য কোলাহলের অ-রূঢ় চিৎকারে,
এক বুক শান্তি আর অফুরান আনন্দে।

অনুভূতিহীন নিষ্প্রাণ প্রাণানন্দের সিডর ছুঁয়ে ছুঁয়ে বিড়াল ধ্বনি শুনি,
কৃতজ্ঞতার চকচকে আস্তরণে নিখুঁত নিংড়ানো মধু চাখি;
রমণীয় আনন্দ-স্রোত-প্রতীক্ষা দীর্ঘায়ত হয় না আর
লাগামহীন ঔদ্ধত্যের চকিত গুঞ্জনে;

হে স্পষ্টভাষী পিতা ফিরে এসো সজীব ক্যানভাসে,
উপচে-পড়া রঙের রঙিন নূতন বিন্যাসে, শুভ্র সকালের বিশুদ্ধ অনুভবে।

মোট পড়েছেনঃ ৯৮০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৬টি মন্তব্য

  1. হে স্পষ্টভাষী পিতা ফিরে এসো সজীব ক্যানভাসে,
    উপচে-পড়া রঙের রঙিন নূতন বিন্যাসে, শুভ্র সকালের বিশুদ্ধ অনুভবে।

    -আমরা আশাবাদী মানুষ, একবুক আশা আছে বলেই আমরা রাষ্ট্রীয় অরাজকতা সামাল দিয়ে নতুন কারো অপেক্ষায় আছি।

  2. তিনি যদি আবার ফিরে আসতেন তাহলে এদেশের পটভূমি নতুন করে রচিত হতো। পিতা ফিরে আসুন আরও একবার, হয়তো অন্যরুপে, নয়তো কালপুরুষ হয়ে।

    বিজয়ের এমন কবিতা পড়ে শিহরন জেগে ওঠলো মনে। স্যালুট জানবেন মহারাজ।

    1. আপনাকেও মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
      কে আবার আসবে, বা আসবে না, এমন না, এটি আশাবাদের জায়গা মাত্র।
      আমরা উত্তরণ চাই, তাই এমন ভাবনা।

  3. আর কি আসবে ফিরে কখনো? আসবে না কোনদিন! স্বপ্নের সোনার বাংলাও গড়া হবে না কোনদিন। যদিও হয়, তাহলে সময় লাগবে বহুদিন!
    আপনার কবিতা পড়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

  4. অতিকায় রক্তনদী পেরিয়ে এসে স্বাধীনতা তুমি কেমন আছ?
    সুখের নীরব নিঃশ্বাসে, সূর্যের চোখে চোখ ফেলে জানতে চাই,

    ………….জবাবে খুব ভালো কিছু হয়তো শোনা যাবেনা, তবু আমি বলবো এইতো আমরা স্বাধীনতা পেয়ে ভালোই আছি এক প্রকার।

  5. হে স্পষ্টভাষী পিতা ফিরে এসো সজীব ক্যানভাসে,
    উপচে-পড়া রঙের রঙিন নূতন বিন্যাসে, শুভ্র সকালের বিশুদ্ধ অনুভবে।

    সত্যিই তাঁকে খুব দরকার এই ছন্নছাড়া অগোছালো দেশটাকে সামলাতে। চমৎকার উপস্থাপন

  6. অতিকায় রক্তনদী পেরিয়ে এসে স্বাধীনতা তুমি কেমন আছ?
    সুখের নীরব নিঃশ্বাসে, সূর্যের চোখে চোখ ফেলে জানতে চাই,……….

    আজো জানতে চাই- স্বধীনতা তুমি কেমন আছো? এমন পিতা আর আসবে কি এ বিদ্ধস্ত মাটির বুক চিড়ে?

  7. পরাধীনতার স্থান পূর্ণ হয়েছে স্বাধীনতায়,
    পিতার স্থানও অপূর্ণ থাকবে না।
    কালজয়ীরা ফিরে ফিরে আসে
    সময়-কালের আবর্তনে,
    আমরা অপেক্ষায় থাকি
    অপেক্ষাতেই বাঁচি…

  8. বয়স হলো আটচল্লিশ, মাজা খাড়া কইরা দাড়াতে না পারস, আর কতকাল কতযুগ ধরে স্বাধীনতার ফলের অপেক্ষা করতে হবে! স্বাধীনতায় কি অমঙ্গল না পরাধীনতা? গেছে তিরিশ লক্ষ্য জীবন, সাড়ে আড়াই লক্ষ্য ইজ্জত তবুও স্বাধীনতা তুমি মুক্তি পেলেনা। কত মরবে, কত ইজ্জত যাবে সোনার বাংলার আশায়? আর ক্ত জমিন রক্তাক্ত হলে তুমি আমজনতার মুক্তি দেবে? বাঙ্গালাী জাতির কান্ডারীর কি এই আইন , এই দেশ চেয়েছিল??? না শোসনহীন ও দুর্নিতিমুক্ত দেশ???
    জাতির কান্ডারী দেখে যাও উর্বর, সোনেলা ধাঙ্কখেত রক্তে রাঙ্গা, দেখে যাও ইজ্জতের পর ইজ্জত গেলেও কেউ প্রতিবাদী হইনা।

      1. আর কত অপেক্ষা আর কত অন্যায় হলেও আমরা চুপ। ১৯৭১ সালে রাজাকাররা অন্যা করেছে ঘৃণিত লাঞ্চিত তবে এখন এরা অপরাধ করলে কেন হবেনা???
        একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে রাজাকারের তালিকায় আনা হচ্ছে কিসের মন্ত্রী আকাম্যা মোজাম্মেল??? এটা প্রকাশ করার জন্যই কি প্রকাশ না সরকারকে তুচ্ছ তাছিল্য করাই উদ্যেশ্য??? অনেক ভাবা লাগে??
        এটা পাব্লিশের পুর্বে কেন প্রতি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারদেরে দিয়ে যাচাই বাছাই করা হলেনা, হলে এই বিতর্ক হতনা। আমি মনে করি।
        এটা আওয়ামিলীগের জন্য একটা বড় লজ্জার, বড় অপরাধ!! নয় কি???
        কার পিছু ছুটে ভাল করার স্বপ্ন দেখব বলুন ভাই।

মন্তব্য করুন