কোনো এক গোধুলী বেলায়
একঝাঁক বুনোহাঁস উড়ে যায় দূরে
কোন এক বুনোহাঁস
একটি পালক রেখে যায় চলে…
কোনো এক দিন
কোজাগরি চাঁদ পৃথিবীকে প্লাবিত করে মোহময় করে দেয়
আকাশের একরাশ নীল আল্পনা এঁকে দেয় চোখের তারায়।
দুর থেকে ভেসে আসা শিউলি সুবাস
পূর্ণিমা রাতে চাঁদের আলো সিঁড়ি বেয়ে সমুদ্রে মিশে যায়…
কোনো একদিন
সবুজ ঘাসের প’রে শিশির জল
গাঁয়ের বধু ঘোমটা টেনে পুকুর ঘাটে
বাজায় বাঁশি রাখাল বালক
সন্ধ্যে হলে কৃষাণ ফিরে আপণ গৃহে…
কোনো একদিন
নবান্নের উৎসবে পিঠের সমারোহ
খই আর মুড়ি নাড়কেল ঝুড়ি
পায়েস নিয়ে মাতোয়ারা।
শীতের আমেজ সন্ধ্যে বেলা খড়কুটো পুড়ে তা দেয়া…
কোন একদিন
বর্ষণ মুখর ক্ষনে বিষণ্ণ বিকেলে
আয়োজন কত …খেলবার মত আছে আর কী..
পাঁচ গুটি, লুডো, আড্ডা গল্পের বই যতো…
একদিন হারিয়ে ফেলেছি সেই কবে
চাওয়া পাওয়ার হিসেব কষি
আজ একলা বিহানবেলা।
বাহ্ অনেক সুন্দর একটি কবিতা আপু। শৈশবরের কিছু অপরাগ স্মৃতি আর মজার কিছু বিষয় ফুটে উঠেছে কবিতায়।বেশ ভালো লাগলে,
শুভ কামনা এভাবেই লিখে যান।
ধন্যবাদ
সেই গ্রামে ফিরিয়ে নিলেন।এ যান্ত্রীক শহরে এ সব কল্পনা মাত্র।শিশির ভেজাঁ ঘাস, সাপ লুডুর আড্ডা সবিই এখন এ শহরে অচল।খুব সুন্দর কবিতা।ভাল লাগল।
মন্তব্যে ধন্য হলাম
যান্ত্রিকতা সবুজ কেড়ে নিলেও, মন পরে থাকে বিষণ্নবেলায়।
ভালোলাগা রেখে গেলাম
শৈশবের বর্ণিল স্মৃতি ধূসর দর্পণে আজ হেম।
একদিন হারিয়ে ফেলেছি সেই কবে
চাওয়া পাওয়ার হিসেব কষি
আজ একলা বিহানবেলা।
সত্যিই হারিয়ে ফেলেছি….
ভালো কবিতা দিদি।
ভালোবাসা নিও প্রিয় কবি
অনেক ভালো লাগলো ♥️♥️♥️
ধন্যবাদ
আবার অতিত যা আর জিবনে নাহি পাব
আবার ঐ গ্রামের ডাক হচ্ছেনা পেতে ভাত।
থাকত যদি আহার থাকতাম না এই ধাকায়।
চলের যেতাম বাবা-মা শুয়ে আছে যেথায়।
আর নাহি পাব দেখা তবু করতাম কবর খানা জিয়ারত
মা-বাবার বেদেহী আত্বার শান্তি কামনায় অবিরত।
দারুন ভাললাগা রইল।
অনেক ভালোলাগলো লেখকের মন্তব্য।শুভেচ্ছা
আপনার প্রতি রইল শুভেচ্ছা অহরনিশ।
মনে হয় এটাকেই বলে স্মৃতি রোমন্থন!
ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ
কবিতায় বিভিন্ন সময়, ঋতুকে নিয়ে চমৎকার কিছু স্মৃতিচারণ করলেন,
কবিতা ভালো হয়েছে।
অশেষ ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য
আপনি অসম্ভব ভালো লেখেন ❤️
অনুপ্রাণিত হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে