দূরাধিগম্য বেদনাদ্র হৃদয়ের অনীহ চিত্তে
শূন্যতা দেখছে দিবাস্বপ্ন,
জমে থাকা থিকথিকে বিজন-বিস্বাদ বিষাদ-ক্লান্তিতে;
একাকীর একচিলতে চিলেকোঠার ঘুলঘুলিতে চুয়ে পড়া চিরন্তন আলোছায়া
নীরব প্রতিফলনে খুব গুছিয়ে খেলা করে আকাশের নীল নিয়ে,
আকাশকুসুমের বনানীতে ওত পেতে থাকা ভেক-ধরা সময়
প্রচ্ছন্ন অবচেতনে নৃশংস ভাবে হত্যা করে অলক্ষ্যে প্রতিনিয়ত
দাগী হত্যাকারীর সতর্ক অসতর্কতায়।
তড়পানো হৃদয়ের অলৌকিক অন্ধকারের সিঁড়ি বেয়ে,
নীরব তোলপাড়ে ব্লুজ শুনতে শুনতে
লিখে ফেলা যায় দু’চার ছত্র চরম অনায়াস ভঙ্গিতে;
মুগ্ধপ্রাণে অতিথি হয়েছিলে নিষিদ্ধ সরাইখানায়
বিস্মিত যৌবন প্রতিভায়;
দুর্বিষহ জোয়ারে ভেসে গেলে দূর শৈবাল সাগরে,
বিষণ্ণতার আদিম গুহায় আশ্চর্য কৌশলে নিরবধি কাল
জ্বালিয়ে রাখা অনুগত-প্রাণ সন্ধ্যাপ্রদীপ ফেলে!
মোট পড়েছেনঃ ৯১৩জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
এই কবিতার মর্মার্থ বুঝতে গেলে নিউরোর ডাক্তার আবার দেখান লাগবে,
ছবিটায় চোখ আটকে গেলো।
ডাক্তারের ঠিকানা আমারেও দিয়েন,
কেমনে এগুলা লেখে ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে আসতে হবে।
পছন্দের ছবি এটি।
জিসান শা ইকরাম
লিখেছেন,
‘‘এই কবিতার মর্মার্থ বুঝতে গেলে নিউরোর ডাক্তার আবার দেখান লাগবে,
ছবিটায় চোখ আটকে গেলো।’’
আমারও তাই মনে হয়!
হা হা, ধন্যবাদ ভাই।
এই বিল্ডিং কবে বানালেন ভাই??? ভাড়ায় দিবেন উইঠা, শুয়া একটু আরাম-আয়েশে ঘউমাইতাম। কবিটা বুঝার ঘেলু আমার নাই।
তাই ঘরহিন্দের এই ঘরটা দান করেন। হি হি হি
আপনাকে সব গুলো দালান দিয়ে দিলাম,
এবার একটু ঘুমিয়ে নিন, আরামছে।
আ! শান্তি! কিযে আরাম এই দালানে ঘুমানতে ঘুমাইলেই বুঝবেন। উফ!
যাক মন থেইকা দিলেন তো।???
ভাল থাকুন।
পুরাই মন থেকে, দেখি কর ঘুমাতে পারেন,
ডেকে যেন তুলতে পারি। বেহুঁশ না হলেই হয়।
লেখাটির গতি হারালো কেন?
এতক্ষণে বুঝলাম এমুন লেখায় ও গতি-ফতি থাহে!!
আপনি বলে দিন কোথায় কতটুকু হারিয়েছে!!
গতিতো হারিয়েছে-ই। লেখা উঠতে উঠতে আটকে গেছে ঐ তারের খাম্বায়। নইলে একটা আকাশ-ছোঁয়া লেখা পেতাম। 😀😀
তারের খাম্বায় উঠেছেন, এই-ই অনেক,
ভীড় এড়িয়ে দ্রুত নেমে আসুন। ফায়ার সার্ভিসের মই আসার আগেই।
একদিন মুঠোয় নিবো স্বপ্ন-সময় গুলো,
খুব করে চুর্ণ হওয়ার পর উড়িয়ে দিবো আকাশের নীলে,
গুড়ো-গুড়ো স্বপ্ন-সময়
গড়িয়ে/ গলে/ চুয়ে পরবে সমস্ত নীরবতার প্লাকার্ডে ;
দেয়ালে ল্যাপ্টানো পোস্টার থেকে
ধুয়ে যাবে বিষন্ন নিখোঁজ-প্রাপ্তির অর্থবহ ছবিটি,
আমি হারাবো সীমানার অসীমতায়
আমি বিলিন হবো ক্ষুদ্রেরও নিরিক্ষায়….
ইট্টু বুঝিয়ে বলুন প্লিজ লাগে!!
কি লিখেছি নিজেইতো বুঝতে পারছিনা। এই কমেন্ট আমি দিয়েছি কিনা, এটা আগে নিশ্চিত হতে দিন।
আল্লাহ, এতো শক্ত লেখা আমার আঙুলে টাইপ হলো ক্যামনে!! 🙆🙆
যাক রক্ষে হয়েছে!
শক্ত-লেখা তা অন্তত স্বীকার করে নিয়েছেন।
বুদ্ধি দারুন! জ্বীন পরীরা আজকাল মন্তব্য লিখছে্ মুনে কয়!
কালেকালে কত কী দেখতে/শুনতে হবে কে জানে!
এগুলা কি পরিক্ষার প্রশ্ন?? এতো কঠিন লাগে ক্যা।
আমি ল্যাকলেই দুষ!! উপরে যে অন্য একজন লিখলো
হেরে তো কিছু কইলেন্না!!
লেখা কী করেন!! দিয়ে দিন খান কতক দ্রুত।
মহারাজ, আপনি কি এখানে আমার উদ্যেশে কিছু বলছেন?
আমার প্রিয় লিখিয়ের সাথে বাতচিৎ করছি!
আপনি ঝুঁকে পড়ে আবার কী দেখেন!!
আমাদের চারপাশে অহরহ প্রতিনিয়ত এমনই তো চলছে।
হুম, সময় প্রতি নিয়ত তিল তিল করে আমাদের হত্যা করে যাচ্ছে।
অনেক ধন্যবাদ।
জীবনের গ্যাড়াকলে পরে, সৌন্দর্য আর চোখে পরেনা। জীবন দুর্বিসহ।
নীলাকাশের হাতছানি দেখে বলেই এমন করে ভাবে।
প্যারাকল/গ্যাঁড়াকল আছে বলেই আকাশ এত সুন্দর নীল।
কবি এত একাকী মনমরা কেন? আবার ছুটি চাই? ক’দিন আগেইতো কাটালেন ছুটি ভাইজান? বস কি ছুটি দেবেন?
এই এত্তগুলা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যান। মন ভালো হবে। 🌹
আরে নাহ্, আপনাদের রেখে/ছেড়ে কোথাও যাচ্ছি না।
মন ভাল-ই আছে।
আপনি/অপনারা ও অনেক ভাল থাকবেন।