দুদণ্ড ভালোবাসার কোলাহল

 

না ছুঁতে ছুঁতেই ভাবি হয়ত ছুঁয়ে ফেলব
কোন একদিন,
ঐ তারার নির্লোভ-নির্ভেজাল-আলোটুকু
একান্ত একান্তের নির্জনতায় ভরাতুর স্মৃতি চাঞ্চল্যে;

দীর্ঘতম সবুজ-স্বাধ-মুখে ঘন-পূর্ণিমায়
উঁচু সিঁড়ির পর্বত ডিঙ্গিয়ে অনুর্বর
অভুক্ত ফেটে-চৌচির নিরন্ন মাঠে,
পূর্ণচাঁদ সাক্ষী রেখে মৃদু মাদলের তাল-লয়ে
সবুজের বীজ পূতে দেব ধীরে ধীরে
অখিন্নতার দৃঢ়-দুরন্ততায় ভর করে।

জিপসি মেয়েটি সবুজের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে
অযুত কাল ধরে ধরে, ছোট্ট মাঠটিতে খেলবে, খেলাবে বলে;
দেখে-নাতো কেউ তারে দুদণ্ড ভালবাসার কোলাহল তুলে!!

মোট পড়েছেনঃ ৮০৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৭টি মন্তব্য

  1. দেখা যায় যারে তারে ছোয়া যায়না! এ এক অন্যরকম অনুভব। চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা যাকেই সাক্ষী রেখে তারে বপন করেন, তার যত্ন নিয়েন কিন্তু। না হলে দেখা যাবে বারান্দা থেকে হাত বাড়িয়ে আছে অথচ সে হাত ধরার মত আর অবশিষ্ট কিছু নেই।

  2. স্মৃতিচারনে কত কিছুই যাকে ছোয়াঁ মুশকিল।নারীর জীবন বৈচিত্রে কেবলি দুরাশা আছে দেবার আকাঙ্খা প্রতিদানে সামান্য ভালবাসাটুকুও দৌড়ে পালায়।চমৎকার কবিতা।

  3. জিপসি মেয়েটি সবুজের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে
    অযুত কাল ধরে ধরে, ছোট্ট মাঠটিতে খেলবে, খেলাবে বলে;
    দেখে-নাতো কেউ তারে দুদণ্ড ভালবাসার কোলাহল তুলে!!****

    আজকাল জিপসি মেয়েদের দিকে চোখ–মন দেয়া হচ্ছে বুঝি!! এতো আয়োজন করে বলার কি দরকার? তার সাথে ভাবসাব হয়ে গেলে জানিয়ে দিন, আমরাও তাকে একটু দেখতে চাই।
    ইয়ে,,,, মনে করেন এমনইই, খুশির ঠ্যালায় দেখবো 😜😜

    1. মন্তব্য এড়ানোর নূতন পদ্ধতি আনুন, এ তো পুরানো!!
      জিপসিদের নিয়ে কিন্তু আমার আরও কিছু লেখা আছে।
      যাক, আল্লাহ রহম করেছে, হিংসিত হতে পুচ্ছ তুলে চিৎকার চেঁচামেচি করেন-নি!!
      ঠিক বলেছেন ভাবসাব শুধু না, ভাব-ভালোবাসা হয়ে গেলেও জানান দিয়ে ই দেবানি
      (অবশ্য যা নাই, ছিল-না কোন কালে তা নিয়ে ভাবনার কিছু নেই)।

      খুশির ঠ্যালায় আমাদের কিছু পড়তে দিন।

মন্তব্য করুন