একটি ‘সে’ বিতং

নক্ষত্রের বুকে/কোলে মাথা রেখে
শুয়ে আছি অনন্ত কাল অনন্তের কাল,
লবেজান হয়ে নয়;
চেতন/অচেতন অবচেতনের কাছাকাছি
সেই আদি থেকে অনন্তকাল অবধি,
আড়মোড় ভেঙ্গে ভাবছি ভাবছি
ফিরে যাব কী যাব-না একটু খেলতে কানামাছি;

বুনো মাটির গন্ধ মেখে পথের বাঁকে
গেঁথে থাকবো জগদ্দল পাথর হয়ে,
ধাঁ ধাঁ লাগা অন্ধচোখে
সোঁদা মাটির গন্ধ শুঁকে-শুঁকে শুষে
ভরে নেব আজন্ম খালি হয়ে থাকা এ বুক;

ভাবছি পর্বতশৃংগে নীলকুরিঞ্জি হবো
উহ্‌, সে তো বার বছরে একবার মাত্র
গন্ধ বিলোয়, প্রতি মুহুর্তের গন্ধ-ফুল
হয়ে জড়িয়ে থাকবো/রাখবো ঐ নীলাকাশ
গন্ধ ডানা মেলে গা ঘেসে উড়ে বেড়াবো সারাক্ষণ।

চাঁদ বুড়ি সেও ডাকছে সারাক্ষণ,
ফোকলা দাঁতে পান চিবুতে চিবুতে
আকাশ ছড়ানো নীলাকাশে।

ভাবছে এবার রুদ্ধ নিশ্বাস-প্রশ্বাসে
কোথাও এবার যাবেই যাবে, সে,
হতে পারে তা
ভিড়াক্রান্ত কোন এক স্বপ্ন শহরে।

মোট পড়েছেনঃ ৬৬১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. নীলকুরিঞ্জী ফুটুক না বারো বছর পরে। সে ফোটায় তীব্র এক অপেক্ষা আছে। অনেক দামী।
    নীলআকাশে চাঁদবুড়ি ডেকে যায় বারে বারে। অপেক্ষায় থাকতে বলি তাকে। যাব কিছু কাজ হলে।
    অসাধারণ হয়েছে গুরুজী।

      1. ওহ !!তাই তো !এটা ‘সে ‘বিতং।
        এই বিতং মানেটা কি যদি একটু বুঝিয়ে দিতেন ,,তাহলে কবিতা আর বিতং এর পার্থক্যটা ধরতে পারতাম। 🙂

      2. যেহেতু এটিকে কবিতা ভাবছি না তাই সেটি উহ্য থাকুক।
        আর বিতং বলতে ‘সে’ এর ঘটনাবলি বা আদ্যপান্ত বোঝাতে চেয়েছি।

        এবারে নিজ গুণে ভাল করে বুঝে নিন।

    1. যাক আপনি কবি প্রকাশ্যে স্বীকার করলেন,
      কবিদের ছাড়া ঐ ফোকলা বুড়ি অন্য কাউকে ডাকে না।
      আহারে এমন করে যদি পাঠসুধা নিতে পারতাম!

মন্তব্য করুন