নক্ষত্রের বুকে/কোলে মাথা রেখে
শুয়ে আছি অনন্ত কাল অনন্তের কাল,
লবেজান হয়ে নয়;
চেতন/অচেতন অবচেতনের কাছাকাছি
সেই আদি থেকে অনন্তকাল অবধি,
আড়মোড় ভেঙ্গে ভাবছি ভাবছি
ফিরে যাব কী যাব-না একটু খেলতে কানামাছি;
বুনো মাটির গন্ধ মেখে পথের বাঁকে
গেঁথে থাকবো জগদ্দল পাথর হয়ে,
ধাঁ ধাঁ লাগা অন্ধচোখে
সোঁদা মাটির গন্ধ শুঁকে-শুঁকে শুষে
ভরে নেব আজন্ম খালি হয়ে থাকা এ বুক;
ভাবছি পর্বতশৃংগে নীলকুরিঞ্জি হবো
উহ্, সে তো বার বছরে একবার মাত্র
গন্ধ বিলোয়, প্রতি মুহুর্তের গন্ধ-ফুল
হয়ে জড়িয়ে থাকবো/রাখবো ঐ নীলাকাশ
গন্ধ ডানা মেলে গা ঘেসে উড়ে বেড়াবো সারাক্ষণ।
চাঁদ বুড়ি সেও ডাকছে সারাক্ষণ,
ফোকলা দাঁতে পান চিবুতে চিবুতে
আকাশ ছড়ানো নীলাকাশে।
ভাবছে এবার রুদ্ধ নিশ্বাস-প্রশ্বাসে
কোথাও এবার যাবেই যাবে, সে,
হতে পারে তা
ভিড়াক্রান্ত কোন এক স্বপ্ন শহরে।
পৃথিবীতে আছেন
পৃথিবীতে থাকেন
আর নেই শান্তি এমন
যেমন খুশি সাজাঁও নিজের জীবন -{@
পৃথিবীতে আছি,
থাকতেই চাই এখানে, থাকিও;
তবে উচাটন মন মানেনা কথন
উড়ে যেতে চায় যখন তখন।
নীলকুরিঞ্জী ফুটুক না বারো বছর পরে। সে ফোটায় তীব্র এক অপেক্ষা আছে। অনেক দামী।
নীলআকাশে চাঁদবুড়ি ডেকে যায় বারে বারে। অপেক্ষায় থাকতে বলি তাকে। যাব কিছু কাজ হলে।
অসাধারণ হয়েছে গুরুজী।
যাক, বাঁচলাম, আপনার জন্য লিখেছি,
আপনার ভাবনা ভেবে লিখেছি।
আপনার পছন্দ হয়েছে।
কেয়াফুল, কেয়াপাতা এখনো পাইনি।
চলুন তবে একসংগেই লিখে ফেলি।
আমি একটা খসড়া লিখেছিলাম। সাহস হয় নাই দেয়ার।
আপনি আগে দিয়ে ফেলুন,
ভয়ের কিচ্ছু নেই।
মন উদাস করা কবিতা। 🙁
আমি আবার কবিতা লিখলাম কখন!
ওহ !!তাই তো !এটা ‘সে ‘বিতং।
এই বিতং মানেটা কি যদি একটু বুঝিয়ে দিতেন ,,তাহলে কবিতা আর বিতং এর পার্থক্যটা ধরতে পারতাম। 🙂
যেহেতু এটিকে কবিতা ভাবছি না তাই সেটি উহ্য থাকুক।
আর বিতং বলতে ‘সে’ এর ঘটনাবলি বা আদ্যপান্ত বোঝাতে চেয়েছি।
এবারে নিজ গুণে ভাল করে বুঝে নিন।
যথার্থ। (y)
হুমম!!
“বুনো মাটির গন্ধ মেখে পথের বাঁকে
গেঁথে থাকবো জগদ্দল পাথর হয়ে”
সত্যিই যদি এভাবে থাকতে পারতাম :’)
মনঃ দিয়ে চাইলে আপনি ের থেকেও ভাল ভাবে
থাকতে পারবেন বলেই ভাবি।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
চাঁদ বুড়ি আমাকে ও ডাকে *** কিন্ত দাঁতহীন হাসিতে….
মন উদাস করা কবিতা….
যাক আপনি কবি প্রকাশ্যে স্বীকার করলেন,
কবিদের ছাড়া ঐ ফোকলা বুড়ি অন্য কাউকে ডাকে না।
আহারে এমন করে যদি পাঠসুধা নিতে পারতাম!
;? ^:^
ম্যাম!! এগুলাইন কী!!
ইচ্ছের ইচ্ছে পুরন হোক
হোক হোক, তবে সে চাঁদে গিয়ে আমাদের ভুলে যাবে
এটি মানতে মন চায় না।
তার বিস্তারিত সব লিখতে গিয়ে, আপনি তো দেখছি পুরোই লবেজান হয়ে আছেন!
আপনি আপন-জন বলেই এমন করে বুঝতে পেরেছেন!!