জীবনের অসম্ভ্রমতা

এই-ই সময়, একটু দাঁড়াই! একটু-ই
সামান্য বা কয়েক কোটি আলোকবর্ষ!!
না না, অমরত্ব-ও চাইছি না, কোন ভাবেই
বা হিসেবের বে-হিসাবি হেরফের;

সঙ্গম সময়ের সমভিব্যাহারে ক্রমাগত চলা,
না-চলা বলা না-বলা
দুঃখানন্দের এই বয়ে চলা,
হঠাৎ শিহরে শিহরে উঠে আবার নেতিয়ে যাওয়া,
এই এমন কক্ষচ্যুতির
অব্যাখ্যাত দুঃখ-সন্তাপের যন্ত্রণাই জীবনের
অসভ্যতা, অসম্ভ্রমতা।

মোট পড়েছেনঃ ৬৪৫জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. একটুর কথা বলে কএক কোটি? 🙂
    যন্ত্রণা আছে বলেই পৃথিবী সভ্য, ভব্য, তবে কক্ষচ্যুতি হলে তার সব যন্ত্রণারও বিচ্যুতি ঘটে।
    একটু দাঁড়াতে বলে কিন্তু খুব সুন্দর করেই জীবনকে বুঝিয়ে দিলেন। এই সব দুঃখ-আনন্দ নিয়েই এইসব দিন-রাত্রি।
    আপনার মতো করে এক দাগেই যদি এমন জীবনকে লিখতে পারতাম!

    1. আপনার মত করে এক দাগে যদি জীবনকে বুঝতে পারতাম তাহলে আর আক্ষেপ থাকত না!
      অসীম সময় চক্রে সময়কে নিরূপণ করা সত্যি সত্যি কঠিন বৈকি।
      সময়-সুন্দর করে আর লিখতে পারছি কৈ!!
      তবে চেষ্টা জারি রাখছি হাল না ছেড়েই!!

  2. চারিদিকে টুক টুকে সোনামনিদের যে রুপ আগ্নেয়গিরি র মত লাভা ছড়াচ্ছে তা তে করে আপনার আর এখন বিভ্রান্ত হবার সময় নেই , সময় এখন আপনাকে চাইছে …. চলে আসুন উত্তাল তরঙে , ভেসে যান বেহিসাবি প্রবাহে ….

    1. এত্তগুলো চাওয়া, তাও আবার একবারে!!
      বটে কিন্তু সাপ-কোপ থাকে, ফল-ফুল ও পাখির বাসাও থাকে।
      তয় এই গাছে পানি-পুনি থাকে না!!

      1. পানিপুনি দিয়ে কি করুম। শুনেছি ঋষি গণ ফল খেয়েই বড় শান্তিতে কাটিয়ে দিতেন শীতগ্রীষ্ম। আমিও না হয় এমন এক শীতল পরশের জন্য পানিপুনি না চাই।

  3. মন দিয়ে পড়লাম। আপনি কি এই সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে লিখেছেন? ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। আপনার কবিতার পরিপ্রেক্ষিতে এটুকুই বলবো,

    এই যে পথ চলা, চলুক নিশ্চিন্তে
    সকল বিভৎস দৃশ্যে ফুল ফুটুক!

মন্তব্য করুন