এই-ই সময়, একটু দাঁড়াই! একটু-ই
সামান্য বা কয়েক কোটি আলোকবর্ষ!!
না না, অমরত্ব-ও চাইছি না, কোন ভাবেই
বা হিসেবের বে-হিসাবি হেরফের;
সঙ্গম সময়ের সমভিব্যাহারে ক্রমাগত চলা,
না-চলা বলা না-বলা
দুঃখানন্দের এই বয়ে চলা,
হঠাৎ শিহরে শিহরে উঠে আবার নেতিয়ে যাওয়া,
এই এমন কক্ষচ্যুতির
অব্যাখ্যাত দুঃখ-সন্তাপের যন্ত্রণাই জীবনের
অসভ্যতা, অসম্ভ্রমতা।
মোট পড়েছেনঃ ৬৪৫জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
অব্যাখ্যাত দুঃখ-সন্তাপের যন্ত্রণাই জীবনের
অসভ্যতা, অসম্ভ্রমতা।
দারুন প্রকাশ বস। -{@
আচ্ছা, অনেক ধন্যবাদ দিলাম।
একটুর কথা বলে কএক কোটি? 🙂
যন্ত্রণা আছে বলেই পৃথিবী সভ্য, ভব্য, তবে কক্ষচ্যুতি হলে তার সব যন্ত্রণারও বিচ্যুতি ঘটে।
একটু দাঁড়াতে বলে কিন্তু খুব সুন্দর করেই জীবনকে বুঝিয়ে দিলেন। এই সব দুঃখ-আনন্দ নিয়েই এইসব দিন-রাত্রি।
আপনার মতো করে এক দাগেই যদি এমন জীবনকে লিখতে পারতাম!
আপনার মত করে এক দাগে যদি জীবনকে বুঝতে পারতাম তাহলে আর আক্ষেপ থাকত না!
অসীম সময় চক্রে সময়কে নিরূপণ করা সত্যি সত্যি কঠিন বৈকি।
সময়-সুন্দর করে আর লিখতে পারছি কৈ!!
তবে চেষ্টা জারি রাখছি হাল না ছেড়েই!!
চারিদিকে টুক টুকে সোনামনিদের যে রুপ আগ্নেয়গিরি র মত লাভা ছড়াচ্ছে তা তে করে আপনার আর এখন বিভ্রান্ত হবার সময় নেই , সময় এখন আপনাকে চাইছে …. চলে আসুন উত্তাল তরঙে , ভেসে যান বেহিসাবি প্রবাহে ….
ভাসবো অবশ্যই, ভাসতে যে হবেই তবে লাইফ-জ্যাকেটটি খুঁজে পাচ্ছিনে যে!!
হুম, একটুকু দাঁড়াতে চাই। চাই এক শান্তির পরশ। তৃষ্ণার্থ মন শরীর চাই এক বটবৃক্ষ। অন্ততকালের এক শান্তি চাই।
এত্তগুলো চাওয়া, তাও আবার একবারে!!
বটে কিন্তু সাপ-কোপ থাকে, ফল-ফুল ও পাখির বাসাও থাকে।
তয় এই গাছে পানি-পুনি থাকে না!!
পানিপুনি দিয়ে কি করুম। শুনেছি ঋষি গণ ফল খেয়েই বড় শান্তিতে কাটিয়ে দিতেন শীতগ্রীষ্ম। আমিও না হয় এমন এক শীতল পরশের জন্য পানিপুনি না চাই।
আমরা তাহলে ঋষি পেতে যাচ্ছি!!
গাছের ঠিকানাটা দিয়ে যাবেন প্লিজ।
মন দিয়ে পড়লাম। আপনি কি এই সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে লিখেছেন? ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। আপনার কবিতার পরিপ্রেক্ষিতে এটুকুই বলবো,
এই যে পথ চলা, চলুক নিশ্চিন্তে
সকল বিভৎস দৃশ্যে ফুল ফুটুক!
ফুল-টুল পেলে ভালই হয়, তবে আজকাল ভালু ফুলের খুব অভাব।
ধুর কী না কী লেহি ঠিক আছে!!
ভালু মালী-ই তো নেই এই দুনিয়ায়। ভালু ফুলের আশা করেন ক্যাম্নে?
আছে আছে সব-ই আছে, সবাই পায় না,
দেয় ও না হয়ত।
এই-ই সময়, একটু দাঁড়াই! একটু-ই
সামান্য বা কয়েক কোটি আলোকবর্ষ!!
অনেক ভাল লগালো, যদিও কম বুঝি
লেখক নিজেও প্রায় কিছু না বুঝেই এ-সব লিখে থাকেন।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।