সংজ্ঞাহীন ব্যঞ্জনায় বন্ধুত্ব

তুমুল এক গাছি সহসা খোশ-খবরে জানাল
এক গাছ আমার জন্য পাঠিয়েছে এক হাঁড়ী শিশিরসকালের
মিষ্টি মিষ্টি রসাল রস,
গাছি নই, গাছও আমার ছিল না, নেই ও;
গালেহাতে বা বকপায়ে ভেবেছি, ভাবছি।
কোথায় কী এমন হলো, কোন্‌ গাঙে বানজল এলো!!
উপচে পড়ার আনন্দে!!

দিনান্তে মধুরসের পায়েস আর রসচিতৈ খাইয়ে-দাইয়ে,
উপরি হিসেবে নলেন গুড়ের সন্দেশ!!
অবাক হয়েছি, হইও নি, হবোই বা কেন?

বিকেলশেষের আলোতে চকচকে গাছে
পিছলে পড়ছে আলো, ফোটা ফোটা মধু গড়াচ্ছে
হাঁড়ি উপচাতে!! সংজ্ঞাহীন ব্যঞ্জনায় অটুট বন্ধুত্বে,

দেখা হবে
আবারও কোন এক ধ্রুপদী সন্ধ্যালোতে
বা অকপট জ্যোৎস্নাতে;

মোট পড়েছেনঃ ৫৬৫জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৬টি মন্তব্য

  1. রসাল রস! আহা, কতদিন দেখিনি! তা এই গাছিটা কে! কোনভাবে যদি এত্তু পাওয়া যেতো…।
    বকপা! তা কতক্ষন ভাবা যায়!! শরীরের ভার সইবেতো!!!

    আঁধার বা আলোতে, দেখা হোক তার সাথে …।

    1. গাছির খবর বলা নিষেধ, এ রস-ফস সবার জন্য না, সবার জন্য হয় ও না।
      পাকনা রস আমরা খাই ই না!!
      সইবে সইবে, মহাশয় বলে কথা,

      দেখা হতেই হবে,

  2. এই কোবতে তে কি মন্তব্য করবাম একটু কই দিলে ভালু হইতো।
    একখান গান শোনেন
    যদি বন্ধু হও , যদি বাড়াও হাত…..,., হাসি মুখ তুলে রাংগা সূর্য বলবে সুপ্রভাত।

      1. হপে না আবার,
        আমরা হইলাম শুকনা খটখটা রেন্ডি কাঠ
        এত রসলো গাছ না গাছির মন্তব্য কেমনে করি?
        বন্ধুত্ব টিকে থাকুক যুগ যুগান্তর ধরে। 🙂

  3. এমন বন্ধু পাওয়া আজকাল ভাগ্যের ব্যাপার।
    রসের পায়েস, রস চিতৈ এরপর আবার সন্দেস! এ যে দেখছি রসিয়া বন্ধু এসে হাজির, তা যদি একটু ঠিকানা টিখানা দিতেন, বন্ধুত্ব না হলেও খানাপিনা তো করা যাইত।
    বন্ধুতা টিকে থাকুক যুগ যুগ ধরে।

  4. তুমুল এক গাছি সহসা খোশ-খবরে জানাল
    এক গাছ আমার জন্য পাঠিয়েছে এক হাঁড়ী শিশিরসকালের
    মিষ্টি মিষ্টি রসাল রস,
    গাছি নই, গাছও আমার ছিল না, নেই ও;

    এক গাছ আমার জন্য পাঠয়েছে এক হাঁড়ি শিশির সকালের……. লাইনটা কেন জানি আমার কাছে একটু খটকা মনে হয়েছে। এক হাঁড়ি খেজুরের রস পাঠিয়েছে তা বুঝলাম, এক গাছ পাঠিয়েছে মানে গাছ আপনার জন্য দিয়েছে, আর সে তা সংগ্রহ করে পাঠিয়েছে। কিন্তু গাছ পাঠিয়েছে এই কথাটার সহজ কোন অর্থ হয় না বলেই আমার মনে হয়।
    খেজুরের রস তো জ্বাল দেওয়ার পর রসালো হয়, আগে তো পানির মতই থাকে তবে মিষ্টি বটে।

    যাহোক, পিঠা পায়েস খাচ্ছেন, সোনেলায় নিমন্ত্রণ দিয়েছেন কি?

    1. না, এমন করে ভাবলে অর্থ নেই ই। সব কিছুর অর্থ হয় ও না।
      তবে গাছটিকে মানুষ ভাবলে ভিন্ন কিছু ভাবা যেতেই পারে।

      ‘শিশির সকালের’ না কিন্তু শব্দটি, ওটি শিশিরসকালের লিখেছি।

      অবশ্যই নিমন্ত্রণ সবাই ই পাবে।

  5. এসব ঠিক না। ইস চিতই পিঠা চোখে ভাসছে। আহা আমার মামনি বানায় কি দারুণ!
    আমি অবশ্য খেঁজুরের রস খাই না। \|/
    কি যে সব কুবিতি লেখেন কুবিরাজ ভাই। নতূন বছরে এমন কিছু লেখা দেন না যাতে মাথা চুলকানো না লাগে ^:^ 😀

    নতূন বছরের শুভেচ্ছা।

  6. আনিছ, সে গুড়ে বালি। পিঠা আর খাওয়া হচ্ছে না।
    কুবি ভাই সবুর করাইতে করাইতে মোগো চুলও নাই কইরা ফালাইব।
    আমিও কিন্তু গাছ কাটতে পারি। ঠিলাও ঝুলাইতে পারি। তাও পায়ে ফান্দি পইরা।
    পর্থম কাটার রস, টলটলে খেজুর রসের গুড়ের পিঠা। সেই সব এখন শুধুই স্মৃতি।

মন্তব্য করুন