কলম

142_3

কলমের কালিতে আর বখাটেদের চোখ খুলবে না
তাদের চোখ বুজে দিতে চাই কলমের খোঁচায়
লেখনী এখন আর মনোভাব পাল্টায় না

কলম দিয়ে খুবলে খুবলে তাদের মস্তিষ্কহীন করতে চাই
যাদের উঁচু চেয়ারের পায়ার তলায় শ্রমজীবীরা পিষ্ট হয় দিনরাত

কি হবে আর লিখে, যখন ধর্ষণের খবর পড়ে আবার ধর্ষন করতে যায় নরপশুরা
কলমের কালি সেখানে অদৃশ্য

যৌতুকের জন্য পুড়তে হয় রমনীদের
যৌতুকের অভিশাপ তো কলম দিয়েই লেখা হয়

ধর্মেরষাঁড় গুলো তবু মানুষ জবাই করে
মোটা হরফের কালির লেখা পড়েই

আমি পরিবর্তনের কলম চাই
কলমের ডগায় অস্ত্র চাই
কালির বদলে রক্ত চাই

লেখার কলম বেঁচে আমি
মুক্তির কলম কিনব।

মোট পড়েছেনঃ ১,০৮৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৫টি মন্তব্য

  1. বাস্তবতা চিত্র চলে এসেছে কবিতার বর্ণনায়।
    সত্যিই যেন কলমের কালি গুলোও এখন আমাদের কর্মকাণ্ড দেখে বিদ্রুপের হাসি হাসে।
    যেখানে কোন এক সময় সত্য প্রতিষ্ঠিত হতো কলমের কালি হয়ে, সেখানে এখন সেই কালিই মিথ্যায় মানুষের রক্ত ঝড়ায় প্রতিনিয়ত।

    কিন্তু দোষ কিন্তু কলমের কালির নয়, বরং দোষ আমাদের। আমরাই এর ব্যবহার ভুলে উল্টো পথে তার ব্যবহার ঘটিয়ে যাচ্ছি।

    কবিতায় ভালোলাগা -{@

  2. একসময় শুনতাম কলম হলো সবচেয়ে বড়ো অস্ত্র। এখন কলম আছে কাগজে তার আঁচড় পড়েনা। আর পড়লেও কি এমন কিছু পাল্টাবে?
    নাহ!
    তবে কবিতায় এক অজেয় পরাশক্তির যোদ্ধাকে দেখলাম। যে কিনা মুক্তির কলম কিনতে চায়।

মন্তব্য করুন