ঘুম ভেঙ্গে গেলে শুনি
দূর থেকে ভেসে আসা বীণাধ্বনি,
ধ্বনিত হয় আকাশের গায়ে,
মাতাল হই, মাতাল হয়েই শুনি;
বিষণ্ণ অমাবস্যায় ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা তারারা
টুপ টুপ করে খসে পড়ে, ক্লান্তির শ্রান্তিতে
একাকার হয়ে,
চাঁদ উঠবে বলে টানা অপেক্ষা শেষে
বিছনায় ফিরে যাই;
অপেক্ষার চাঁদ গিলে বসে আছে
সেই সেই অকৃত্রিম রাহু,
বাঘের দুধ নয়, বাঘনখ বাড়িয়ে
ডাকছে আমাকেই;
বিকল্প ঘুম বিকল্প চাঁদ
আকাশের খামার বাড়ীতে নেই, নেই;
মোট পড়েছেনঃ ৬০১জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
অমাবশ্যার অন্ধকার কেটে গিয়ে চাঁদ উঠবে অবশ্যই 🙂
অবশ্যই কোজাগরী পূর্ণিমার চাঁদ উঠবে,
বাঘের এত সাহস কোথা থেকে হয়, এখুনি নখ বিদ্ধ করার।
এবার থেকে বাঘকে যেন একটু ধমকে রাখবেন,
লেখা শেষ করে “ওয়াও” বলেছি। একটু বেশি বেশিই ভালো লাগলো। শেষ লাইনদুটো পড়ে কিছু থমকে থাকা।
এবার আসি লেখাচ্ছেদ– আপনি সত্বর মাস্টারফা’র কাছ থেকে পূর্নিমা, অমাবশ্যার ক্যালেন্ডার খানা নিয়ে রাখুন, নইলে অমাবশ্যার রাতে চাঁদ উঠবে না আর দোষ দেবেন অকৃত্তিম রাহুর!! চাঁদ কী আপনার মামুর বাড়ির নাকি? এরপর দিনে দুফুরেও চাঁদ খুঁজে বেড়াবেন কিনা ঠিক নাই। আর মধ্যরাতে বীনা-বুনা কে বাজায়? বাড়ির চারপাশে সাপ আছে নাকি? দেখেন কোন দিন যেন পা দিয়ে না বসেন। বীনা-বুনা মাতাল করতেই পারে তাই বলে এতো? যে বিকল্প ঘুম, বিকল্প চাঁদ এনে দেবে!
শুধু আমিই থমকাই না, অন্যেরাও!
বীণ-বুণ তো শুনতে হয় না (অবশ্য বীণ সবার জন্য বাজেও না), আর মাতালের জ্বালাও বইতে হয় না, তাই এ সব বুঝবেন না,
আর চাঁদ যে সাকুল্যে একখানাই, রাত-বিরাতে মধ্যাহ্নের দুপুরে অমাবস্যায় একটু লাগেই, বেশি বেশিই লাগে! শুধু কী মামুর বাড়ীর! আরও অনেক বাড়ীর, সাফ কবলা করা বলতে পারেন।
বিকল্প কিন্তু মন্দ না, অদল-বদল করাই যায়;
কবিতা এমনও হয়! ;?
আর তাই কি ভালো লাগলো কবিতাটি?
এতোদিন পর এসে এভাবে লেখা পেলে হাততালি তো দিতেই হয়। (y) :c
**এতোদিনের জায়গায় হবে একদিন পর**
আসলে সময়টা বড্ড এলোমেলো।
ভালো থাকবেন।
আপছে আপ সব কিছুই ঠিক হয়ে যাবে, ভাববেন না,
ভাবাভাবি বেশী করতে গেলেই চিৎপাত। তাই ভাবি কম, বলি বেশী। 😀
বুঝছি এইবার,
বুঝবার তো কথা! 😀
হুম্মম্মম্মম্মম,
কবিতা নয় বলেই হয়ত এমন! এত্ত ভালোলাগা কই কই যে থাকে!
আগে পরে কোন ব্যাপার না, তালি চালু রাখলেই হবে,
কুবিতা বলেই এমন। 😀
হাততালি চালু রইলো। :c
আচ্ছা চল্পে!
(y)
এ সব কী দেখান!
টিপসই 😀
শেখার শেষ নেই,
শেখা চেষ্টা বৃথা তাই।
শেষ রাতের চাঁদের মায়া হাতছানি দেয় এই ঘুমহীন চোখ আমার।
তা কুবি আজকাল বীণার শব্দ শুনবার লাগছে ক্যালা! সাপ ধংশাইলে রক্ত চুইশা বিশ ফেলব এমন ওঝা তহন কৈ পাইবেন :p
এইবার ঝগড়া কইরা লই, মোর একখান খবর লয় নাই কেউ ;(
এতো মোর পরান পুড়তেছে ব্লগে ঢুকতে পারছি না। সত্যি সবাইকে খুব মনে করতেছি।
চাঁদের মায়ার হাতছানিতে সারা দেবেন না যেন! এ বড়ই মন্দ কাজ!
সাপের বিষ আজকাল আর তেমন কার্যকরী না, আর বিষ ওয়ালা সাপ খুবই দূর্লভ।
আরে বাড়ীর মানুষের আবার খবর নেয় কেমনে! আপনি তো বাড়ীতেই আছেন,
শীতনিদ্রা, তাই ডাকাডাকি করিনি, আড়মোড়া ভেঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ুন,
চাঁদ উঠবে বলে টানা অপেক্ষা শেষে
বিছনায় ফিরে যাই;
হেরে গেলে যে চল্বেনা চাদের আলোয় আলকিত করতেই হবে যে দাদাভাই।
বাঘে খ্যান্ত দিয়ে বসা জাবেনা।
আচ্ছা, চাঁদকে এবার আর ছাড়ছিনা,
আপনারা সাথে থাকলে বাঘ-বুঘ কোন ব্যাপার না,
এই না কথা ভাই সব অমঙ্গল ছেড়ে উঠে আসবে সুন্দর সোনেলা সকাল। -{@
খুব সুন্দর করে বলেছেন,
সব সুন্দর ই আমাদের কাম্য।
আমি এখনো বুঝে উঠতে পারলাম না পৃথিবীর সকল (এলিয়ানদেরও হতে পারে, তবে নিশ্চিত করে জানা নেই 😛 ) কবিদের সাথে কি ‘চাঁদ’ আর ‘ঘুম’ এর প্রেম-ভালোবাসা আর অভিমান চলে? ঘুরে ফিরে কেন জানি শুধু এদেরই বিচরণ দেখা যায় কবিদের চিন্তা-চেতনায়।
সে যাই হোক, বাঘ মামা এমন ক্ষেপল কেন?
চাঁদ-টাদ একটু লাগেই ভাব রাজ্যে, মান-অভিমান ভালোবাসা তাও খুব দরকারি।
বাঘেরা বাঘই, দুক দিক বা না দিক।
হা হা হা
আপনাদের তো দেখছি, হয়তো আপনাদের দেখতে দেখতে ভাব রাজ্যে প্রবেশ করার টিকিটও পেয়ে যাবো কোন দিন। সেদিন হয়তো ভাব রাজ্যের মান-অভিমান আর ভালোবাসায় চাঁদ-তারা আর মেঘ-ঘুমেদের বুঝতে সক্ষম হবো 😃 😃 😃
অতি দ্রুত নেমে পড়ুন,
সাথে আছি, থাকবও।