আকাশের খামার বাড়ী

ঘুম ভেঙ্গে গেলে শুনি
দূর থেকে ভেসে আসা বীণাধ্বনি,
ধ্বনিত হয় আকাশের গায়ে,
মাতাল হই, মাতাল হয়েই শুনি;

বিষণ্ণ অমাবস্যায় ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা তারারা
টুপ টুপ করে খসে পড়ে, ক্লান্তির শ্রান্তিতে
একাকার হয়ে,
চাঁদ উঠবে বলে টানা অপেক্ষা শেষে
বিছনায় ফিরে যাই;
অপেক্ষার চাঁদ গিলে বসে আছে
সেই সেই অকৃত্রিম রাহু,
বাঘের দুধ নয়, বাঘনখ বাড়িয়ে
ডাকছে আমাকেই;
বিকল্প ঘুম বিকল্প চাঁদ
আকাশের খামার বাড়ীতে নেই, নেই;

মোট পড়েছেনঃ ৬০১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩০টি মন্তব্য

  1. লেখা শেষ করে “ওয়াও” বলেছি। একটু বেশি বেশিই ভালো লাগলো। শেষ লাইনদুটো পড়ে কিছু থমকে থাকা।
    এবার আসি লেখাচ্ছেদ– আপনি সত্বর মাস্টারফা’র কাছ থেকে পূর্নিমা, অমাবশ্যার ক্যালেন্ডার খানা নিয়ে রাখুন, নইলে অমাবশ্যার রাতে চাঁদ উঠবে না আর দোষ দেবেন অকৃত্তিম রাহুর!! চাঁদ কী আপনার মামুর বাড়ির নাকি? এরপর দিনে দুফুরেও চাঁদ খুঁজে বেড়াবেন কিনা ঠিক নাই। আর মধ্যরাতে বীনা-বুনা কে বাজায়? বাড়ির চারপাশে সাপ আছে নাকি? দেখেন কোন দিন যেন পা দিয়ে না বসেন। বীনা-বুনা মাতাল করতেই পারে তাই বলে এতো? যে বিকল্প ঘুম, বিকল্প চাঁদ এনে দেবে!

    1. শুধু আমিই থমকাই না, অন্যেরাও!
      বীণ-বুণ তো শুনতে হয় না (অবশ্য বীণ সবার জন্য বাজেও না), আর মাতালের জ্বালাও বইতে হয় না, তাই এ সব বুঝবেন না,
      আর চাঁদ যে সাকুল্যে একখানাই, রাত-বিরাতে মধ্যাহ্নের দুপুরে অমাবস্যায় একটু লাগেই, বেশি বেশিই লাগে! শুধু কী মামুর বাড়ীর! আরও অনেক বাড়ীর, সাফ কবলা করা বলতে পারেন।
      বিকল্প কিন্তু মন্দ না, অদল-বদল করাই যায়;

  2. শেষ রাতের চাঁদের মায়া হাতছানি দেয় এই ঘুমহীন চোখ আমার।
    তা কুবি আজকাল বীণার শব্দ শুনবার লাগছে ক্যালা! সাপ ধংশাইলে রক্ত চুইশা বিশ ফেলব এমন ওঝা তহন কৈ পাইবেন :p
    এইবার ঝগড়া কইরা লই, মোর একখান খবর লয় নাই কেউ ;(
    এতো মোর পরান পুড়তেছে ব্লগে ঢুকতে পারছি না। সত্যি সবাইকে খুব মনে করতেছি।

    1. চাঁদের মায়ার হাতছানিতে সারা দেবেন না যেন! এ বড়ই মন্দ কাজ!
      সাপের বিষ আজকাল আর তেমন কার্যকরী না, আর বিষ ওয়ালা সাপ খুবই দূর্লভ।
      আরে বাড়ীর মানুষের আবার খবর নেয় কেমনে! আপনি তো বাড়ীতেই আছেন,
      শীতনিদ্রা, তাই ডাকাডাকি করিনি, আড়মোড়া ভেঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ুন,

  3. চাঁদ উঠবে বলে টানা অপেক্ষা শেষে
    বিছনায় ফিরে যাই;

    হেরে গেলে যে চল্বেনা চাদের আলোয় আলকিত করতেই হবে যে দাদাভাই।

    বাঘে খ্যান্ত দিয়ে বসা জাবেনা।

  4. আমি এখনো বুঝে উঠতে পারলাম না পৃথিবীর সকল (এলিয়ানদেরও হতে পারে, তবে নিশ্চিত করে জানা নেই 😛 ) কবিদের সাথে কি ‘চাঁদ’ আর ‘ঘুম’ এর প্রেম-ভালোবাসা আর অভিমান চলে? ঘুরে ফিরে কেন জানি শুধু এদেরই বিচরণ দেখা যায় কবিদের চিন্তা-চেতনায়।

    সে যাই হোক, বাঘ মামা এমন ক্ষেপল কেন?

      1. হা হা হা
        আপনাদের তো দেখছি, হয়তো আপনাদের দেখতে দেখতে ভাব রাজ্যে প্রবেশ করার টিকিটও পেয়ে যাবো কোন দিন। সেদিন হয়তো ভাব রাজ্যের মান-অভিমান আর ভালোবাসায় চাঁদ-তারা আর মেঘ-ঘুমেদের বুঝতে সক্ষম হবো 😃 😃 😃

মন্তব্য করুন