তারপর

সারাটি জীবন তার আমার জীবনে
যে এক নতুন খেলা খেলে আনমনে
সারাটি জীবন তার
সারাটি ভুবন তার
সারাটি সময় তার আমার ভুবনে
মিলেমিশে একাকার বরষা-প্লাবনে…

প্রথম বরষা খরা-মাটির উপরে
শুষ্ক-সকাল শেষে কঠিন দুপুরে
এমন উষ্ণ ক্ষণ
তৃষ্ণায় উচাটন
হঠাত মেঘের মায়া এমন আদরে
জল-মাটি একাকার বাসর সাদরে…
–
রাত ৮ টা
২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
উত্সর্গ : আমার বর্তমান অতি রূপবান প্রেমিক :p
(যে আমারে এক বিন্দিও পাত্তা দেয় না, আগের প্রেমিকদের মতোই ;( )
–
–
–
জবা-ফুলের-চা

মোট পড়েছেনঃ ১,০৫০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৫টি মন্তব্য

  1. কবিতায় তুমি কত যে ভাল তা আর বলতে ইচ্ছে করেনা। কতবার বলেছি হিসেব নেই।

    খসড়ার মন্তব্য আমারও প্রশ্ন 🙂
    অনেক দিন পরে দেখলাম তোমাকে।

  2. যে কিনা এক বিন্দিও পাত্তা দেয় না, তারে এত কিছু দেয়ার দরকারটা কী? 😮
    জেসমিন চা আর ক্যামোমাইল চা খাইছি, জবা চা গেবনেও খাই নাই। ;(

  3. প্রথম বরষা খরা-মাটির উপরে
    শুষ্ক-সকাল শেষে কঠিন দুপুরে
    এমন উষ্ণ ক্ষণ
    তৃষ্ণায় উচাটন
    হঠাত মেঘের মায়া এমন আদরে
    জল-মাটি একাকার বাসর সাদরে…

    আহা!
    কত মায়া মহব্বত!

    তা চা কাকে উৎসর্গ করলেন! সেটা ক্লিয়ার করলে ভালো হয়!

  4. তারপর কি?
    জল-মাটি একাকার? 🙂
    এমন কবিতা আমাদের লিখলে আমরা পাত্তা মানে কি! একেবারে পেছন পেছন ঘুরতাম। আমরা কি কম রূপবান? ( সোনেলার রূপবানদের কথা লিখে দিলাম ) 🙂
    অইটা চা নাকি জবা ফুলের পানি? যেমন সুইট লেখা তেমন সুইট ছবিটা, যাই চা খেয়ে আসি। 🙂
    মাঝে মাঝে তব দেখা পাই–

  5. ^:^ ^:^ ^:^ যে পাত্তা দেয় না তার কাছে ভালবাসা চাওয়ার বা আশা করার কোন মানেই হয় না।

    লেখাতে ++

    অঃটঃ ইয়ে মানে, ইহা আপনার কত নম্বর প্রেমিক? :p

মন্তব্য করুন