ক্ষণিকের স্বপ্নাকাশ

হে উন্মুখ স্বপ্নাকাশ,
চল না খনিকের একটু খেই হারাই, ভিড়-ভাড় ঠেলে-ঠুলে,
শ্যেন চোখে ধুলো ছুড়ে,
কাঁটার ঝোপ আর ভেজার বর্ষা এড়িয়ে।

এমন শীতোষ্ণতায় একটু আগুন ছানি,
দূরে, বহুর দূরে অগোছালো বনের গহীন গভীরে;
একাকীর স্থির নিস্তব্ধতায় বিদ্ধ করি নিজেকে, নিজের চোখে;
খুবলে নেয়া হৃদে অস্থির বরফ ফেলি গোলাপি গোলাপের ভেজা সুবাসে।

সে আকাশ উন্মুক্ত হও;
সুনসানের নীরবতায় উন্মুখ হৃদয়ে বসন্ত যে এসেই গেল, শীতের ডানা মুচড়ে,
এসো এসো হে নিশ্চুপ নীরবতা, তোমাকেই করি পান প্রাণমনে
নিঝুমের এ সুমধুর মাদক মাদকতায়।

নিবিড়ের নিখুঁত নিক্বন নীরবতায় এসো,
জিরোই এবার, অনেক তো হলো;
বিরক্তির পিঁপড়েরা পিল পিল করে এ অব্দি পৌঁছুবে, সে ও তো জানি ই।

চির অম্লান চিকমিক নাদুসনুদুসের বন্ধনে নিরীহ আলসে এখন চালশে,
মহা সমাদরে।

মোট পড়েছেনঃ ৫৫৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৫টি মন্তব্য

  1. এই মনে হল আমার বুঝে এসেছে , পরক্ষণেই আমি অন্ধকারে
    এই মনে হল আরে এটা তো খুবি সোজা, পর পরই আমি কঠিনের সমাহারে
    এ যেন এক দূর্গম গিরি পথ, কাটা ঝোপ ঝাড় শেওলার আস্তরণ
    ভাবনারা হেরে যায় বারে বার, মর্ম উদ্ধারে হৃদয়ে শুরু হয় আন্দোলন ,,,

    1. আমিও ভাবি, তবে তা এত ছন্দায়িত হয় না, হওয়া হয়ত সম্ভব ও না।
      আমিও ভাবি এই বুঝি স্বপ্ন ধরা দিল, আবার দেখি অধরা।
      মহা সমাদর হয়ত স্বপ্নেই সম্ভব।
      তবুও স্বপ্ন পূরণের আকাঙ্খা আমাদের থেকেই যায়।

  2. জিররে হবেনা, বস!
    চাই আর স্বপ্নভরা লেখা।
    ভাল লাগলো।

    বস আমি বেশি বানানে পারিনা, তবে শ্যেন ,ভেজার এই দুটো বানান কি ঠিক যদি হয় অর্থ জানানলে খুশি হব। জানি বিরক্তি প্রকাশ করবেন যে এটা ডিকশনারি না।

    1. আমিও চাই স্বপ্ন ধরা দিক, কিন্তু ব্যাটে বলে তো হচ্ছে না।
      একজন কে দেয়ার আগে মাথায় হেলমেট পড়ে নিতে ভুল করবেন না।
      আপনার ও দেয়া- দেয়ির ব্যাপার আছে!!
      মরেছেন নির্ঘাত।

      1. আপনি দিতে চাইলে জাষ্ট দিয়ে ফেলুন 🙂 এত চিন্তা ভাবনার কি আছে?আমি তাঁকে দেবোই,ইচ্ছে হয়েছে,দেবোই দেবো।ইচ্ছে তো হতেই পারে ভাইয়া 🙂

  3. “একাকীর স্থির নিস্তব্ধতায় বিদ্ধ করি নিজেকে, নিজের চোখে;”…বেশ লাগলো পুরো কবিতাটিই। এই লাইনটি কোট করলাম কারণ আমরা সকলেই মনে হয় একার ভেতরে একাকী নিজেকেই বিদ্ধ করি স্থির নিস্তব্ধতায়।

  4. এমন আহ্বান উপেক্ষা করা কঠিন
    উপেক্ষা করা অন্যায়ও বটে
    আমন্ত্রন গ্রহন করে আমাদের আনন্দিত করা হোক -{@

    শুভ কামনা।

  5. সে আকাশ উন্মুক্ত হও;
    সুনসানের নীরবতায় উন্মুখ হৃদয়ে বসন্ত যে এসেই গেল, শীতের ডানা মুচড়ে,
    এসো এসো হে নিশ্চুপ নীরবতা, তোমাকেই করি পান প্রাণমনে
    নিঝুমের এ সুমধুর মাদক মাদকতায়।___ এই লাইনগুলো বেশি ভাল লাগলো ।
    শুভকামনা
    -{@

  6. আগুন নিয়ে ছানাছানি, সব্বোনাশ। চোখে ধুলো ছড়িয়ে, এড়িয়ে, ঠেলে ঠুলে কোন আকাশে ছুটছেন ভাউ? সব যে দেখে ফেলছি। ও আকাশ স্বপন দেখায় দেখায় ঠিকই, তবে মাতাল হয়ে ঠাশ করে মাটিতে ফেলে দিলে কিন্তু খবর হয়ে যাবে। 😀
    আপনি যেন কেমন করে লেখেন ভাইয়া, সব লেখাই আমার কাছে রূপকথা লাগে, ঘোর ঘোর ভাব। নীরবতা পান করা, অস্থির গোলাপি সুবাসে বরফ ফেলা, বিরক্তির পিঁপড়ে পিল পিল করে আসা –সবই কেমন স্বপ্নকাশের শব্দের মতো।
    অসাধারন!
    কিন্তু সে কি এলো? নাকি গান গাইছেন? সেতো এলোনা, সেতো এলোনা, যারে সঁপিলাম এই প্রান, মন দেহ- 🙂

    1. আপনাকে এড়িয়ে কিচ্ছুটি করার উপায় নেই দেখছি,
      মাতাল হয়ে মাটিতে পড়লে সমস্যা কী, মাতাল ই তো। পাগল ও বলতে
      এ আর এমন লেখা কী? সামান্য আউল- ফাউল মাত্র।
      আপনি মনে হয় একটু বেশি ভাল বলছেন!! স্বজনপ্রীতি- টজনপ্রীতি করা ঠিক না,
      অবশ্য স্বজনেরাই এর দাবীদার এবং তা তারা পাবে।

      না কেউ আসতেই চায় না!!

      1. না, না আগের টুকুই ঠিক ছিল, স্বজনপ্রীতি ট্রিতি ঠিক না, বিশেষ করে যখন লাভের লাভ কিছুই হয়না, শেখালেনই না এমন করে লেখা 🙁
        কথা হচ্ছে, নিস্তব্ধতা আর নীরবতা এত বেশি কেন? নিশ্চুপ নীরবতা কিন্তু ডেঞ্জারাস, ইচ্ছের মাল্টিপ্লিকেশন সেখানে কএক গুন বেড়ে যায়। ক্ষনিকের স্বপ্নাকাশে খেই হারানো চলুক, আসবেনা মানে! আলবৎ আসবে।

      2. আপনি যখন বলছেন তখন বল-ভরসা পাচ্ছি। দেখি অপেক্ষায় মেওয়া আসে কি না!!
        আমরা কিন্তু একদিন সত্যি সত্যি গভীরতর নীরব নিশ্চুপ হব, মনে রাখি যে।
        মন্তব্য করাই শেখালেন না!! অন্য কিছু তো বাদ ই রেখেছি।

মন্তব্য করুন