নূতন ভোর

*কাঁচা হলুদ রঙের গন্ধ নিয়ে কে এলো চোখমুখ জুড়ে! ভোর? কি চাও?
**কি চাই? এখনো ঢুলছি, চোখ খুলিনি, মন খুলবে কেমন করে? আর প্রশ্ন করে বসলে এমন যাতে খিলান খানা জোরসে চেপে বসে, যেন দরজাই আর না খোলে!!
তুমি জানো, তুমি কি চাও? সবাই কি চায়?
*সবার কথাতো জানিনা, তবে আমার কথা জানি। না, না। এসব মুচকি হেঁসে আমায় এ টু জেড গোলচক্কর দিয়ে এনে লাভ হবেনা। শুনবে কি চাই?

আমি চাই একটি দিনের বিকেল হোক আমার, বিকেল হই আমি। হতে হতে নেমে আসুক জাহাজডুবি কোন সন্ধ্যা। তোমার হাতধরে পার হতে চাই একটি ব্যস্ত রাস্তা।
মাত্র একবার হলেই চলবে শান্ত দুচেয়ারের মাঝে মাথা আধউঁচু এক টেবিলের উপর ভেজিটেবল স্যান্ডউইচ। ঠোঁটের কোণে এক আধটু লেগে থাকা খাবার মুছিয়ে দেবার ছুঁতোয় তোমার গাল একবারের জন্যই না হয় ছুঁয়ে দিতে চাই। থেকে থেকে সাতহাজার মাইল দূরের মতো করে রহস্যময় হাসি।
তোমার জন্যে চায়ের কাপে টুংটাং শব্দ, সেও হতে চাই।
একটি দিন সব কথা বিজ্ঞাপনীয় হারানো বিজ্ঞপ্তির মতো হারিয়ে ফেলে তোমার হতে চাই। ওম নিতে চাই, এঁটেল কাঁদামাটির। তোমার হাতের রুমাল, কি যেন কি একটা পড়েছে চোখে বলে আড়াল হয়ে মুছে নেয় যেক’ফোটা লেবাননী বৃষ্টিকণা, আমি সেই বৃষ্টির গাছ হতে চাই। শীতে সব পাতা ফুরিয়ে রেখে যাবে শুধুই তুমিবৃষ্টি।
আর তুমি কি চাও ভোর?

**আমি? ১৪৪ কিংবা ২০০ কিংবা আরো শত শত ধারায় প্রতিবাদী হয়ে স্লোগানে স্লোগানে সব লেখা থেকে মুছে গিয়ে শুধু শুন্যের ভোর হতে চাই।

******* আমাকে নূতন করে ভোর এনে দেবার জন্য তোকে ধন্যবাদ পিচ্চি ভূত, মেহেরী তাজ। যা দিয়ে যাচ্ছিস আমাদের তার তুলনায় ভালোবাসা এটুকুই দেবার। ভালো থাকিস, এমন হয়েই থাকিস।
20150903_085809 (3) [] [] []

মোট পড়েছেনঃ ৮৩৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৭৩টি মন্তব্য

  1. -{@ আমি চাই একটি দিনের বিকেল হোক আমার, বিকেল হই আমি। হতে হতে নেমে আসুক জাহাজডুবি কোন সন্ধ্যা। তোমার হাতধরে পার হতে চাই একটি ব্যস্ত রাস্তা। -{@
    অসাধারণ চাওয়া।

  2. যাক অবশেষে প্রত্যাশিত ভোর এলো

    নূতন ভোর কেন?
    আগের ভোর বাতিল বা পরিত্যাক্ত?
    সিরিজ ছিলো না আগে?
    নুতন সবকিছু অবশ্য ভালো লাগে, নুতন ঘ্রাণ 🙂

    লেখা পড়ি এবার

    1. আমার ভোর-২ তে লিখেছিলাম, ভোর বলেছে, সে আমার জন্য প্রতিদিন নূতন করে আসে। ভোরের উপর রাগ করে বলেছিলাম তুই মনের মধ্যে থাক, বাইরে আসা বন্ধ। ভেতরে ঝামেলা করছিল, সে আলো দেখতে চায়। নিয়ে এলাম।
      ভোর বাতিল হবে কেন? মুখে কি করলার রস নিয়ে থাকেন নাকি? পঁচা মানুষজন।

      1. এটা ভাবা স্বাভাবিক যে ভোর ৬ এর পরে ৭ আসবে
        যেমন ২ এর পরে ৩,৪,৫,৬ এসেছিলো
        নাদান পাঠক আমি
        অনেক কিছু মনেও থাকে না।

        সবজির মধ্যে করলা আমার সবচেয়ে প্রিয় 🙂

        1. জ্বি আপনার অনেক কিছুই মনে নেই, আমি ওভাবে সিরিয়াল নাম্বার দিয়ে সিরিজ লিখিনি, ভোর-২,৬ ছিলো, বাকিগুলো অন্য নামে। করলার পুষ্টিগুন বেশি বলে জানতাম, এতো করলা যায় কোনে সব? ;?

  3. ইশশশশ মিষ্টি ভোরের মিষ্টি চাওয়া। পূরণ করে দাও লক্ষি মেয়ে দুষ্টু মেয়ে। ভোর আসে বলেইনা সূর্য্যি মামা চুমু দেয় তোমার কপাল জুড়ে,,,,,
    সুন্দর লেখা সুন্দর লেখিকা,,,,,, (3

    1. তার চাইতেও সুন্দর তুমি, সুন্দর তোমার ছায়া, হে অরুনী মায়া। আমার চাইতেও ভোর দুস্টু। তার ইচ্ছে পূরণ করতে আমার অবস্থা কেরোসিন হয়ে যাবে 🙂
      ভালো থেকো আপ্পি। (3

      1. এটা এমন কোন সিরিজ নয় জিসান ভাইয়া, আমার প্রতি আপনাদের অনেক ভালোবাসায় লেখাটি তার পূর্নতা পায়, জানিনা এতো পাওয়ার যোগ্যতা আছে কিনা। ধন্যবাদ আপনাকেই -{@

  4. আপনার চাওয়াটা অদ্ভুত রকমের সুন্দর

    বিকেল হোন আপনি, এর পরে আসুক জাহাজডুবি কোন সন্ধ্যা
    হাতে হাত রেখে পার হোন ব্যাস্ত রাস্তা, সমগ্র জীবন
    আপনার সকল চাওয়া পুর্ন হোক।

    ভোরের চাওয়া মাত্র একটাই
    খুব চালাক মনে হচ্ছে ভোরকে
    এই একটি চাওয়াতেই সব পাওয়া হয় 🙂

    ছবিটার দিকে তাকিয়ে আছি
    আপনার সিগনেচার দেখেই বুঝি এটি আপনার তোলা।

    খুব ভালো লেগেছে লেখা।
    চালু থাকুক -{@

    1. হুম ছবিটি আমার তোলা। বৃষ্টিকণাগুলো আমাকে আজ ডাকছে। লেখাটি ঠিক লিখিনি, ভোর কিছুই চায়না আমার কাছে কখনো।
      অনেক ধন্যবাদ। -{@

  5. এমন ভোরকে ফিরিয়ে আনলেন আবার।অত্যন্ত খুশী হয়েছি ভোরকে দেখে।ভোরকে এবার পেয়েছি,আর যেতে দেবো না।শিকল দিয়ে বেঁধে রাখবো।
    তাজকে এত্তগুলান (3 (3 (3 ,ভোরকে ফিরিয়ে আনতে শুন্য আপুকে উদ্বুদ্ধ করেছে বলে।

    1. ভোরকে শিকল দিয়েও ধরে রাখা যায়না, লীলাবতী। আপনাকেই তো পারছিনা আমরা। তাজকে আমি কারনে অকারনে ভালোবাসি। তোমাকেও। (3 (3

  6. ভোরকে ফিরিয়ে এনেছেন !! ভোর এসেছে বলে। আর ভোর আপনার একার ভাবার
    কোন কারণ নেই, সে বহুবার অন্যের হয়েছে নিজ গুনে নিজের আনন্দে, অবশ্য ফিরেও গেছে।
    আপনার আশা পূরণ হোক তা চাই, তবে সে গুড়ে পাথর থাকার মনে রাখতে হবে।

    আপনার ক্ষুদে ভূতকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি, ভোর আপনার কাছে এসেছে সামান্য সময়ের জন্য হলেও।

    1. 😮 ভাইয়া সামন্য সময় মানে??
      ভোর এখন আমাদের এখানেই থাকবে। শুধু তার শর্ত টা মনে রাখবেন তাহলেই হবে। আর যদি এর অন্যথা হয় তো ভোরের একদিন আর আমার যে কদিন লাগে। 😀

  7. মুগ্ধ মুগ্ধ শুধুই মুগ্ধ!!
    ভোর তো আপনারই ছিল,আপনার আছে জানি।
    উফ্‌ এমন করে কি করে লেখেন?শূন্য আপু আপনি ছেলে হলেন না কেন?আমি নিশ্চিত প্রেমে পড়তাম।আমি আপনার বিকেল হতাম, ভোর ও হতাম…। 🙁 ;( :p

  8. আপু আমার বরন ডালা সাজানো স্বার্থক। 🙂 ওতে কাঁচা হলুদ ছিলো,হলুদের গায়ে এঁটেল মাটিও লেগে ছিলো সাথে শিউলি ফুলের মালাও ছিলো। কিন্তু কোন ধারা,প্রতিবাদ ওসব ছিলো না। ভোর ওসব পেলো কই? ;?
    আচ্ছা যে ধারা ইচ্ছে টানুক না কেনো তার আর হারানো চলবে না বলে দিলাম।আপনার ভোরকে সাবধান করে দেবেন।

    1. আমি করলে কাজ হবেনা, এবার তোকে চাই। বন্দুক টা ধার দে দেখি।
      শিউলি ফুলের মালা!! ইশ, কতদিন ছুঁয়ে দেখিনি। 🙁
      তুই একবার শিউলি দিয়ে সোনেলা লিখেছিলি না, একবার শুন্য লিখে আমাকে দেখাস তো। লাভু তাজ ভূত (3

      1. আচ্ছা ভোর কে ভয় দেখাবেন তো! বন্দুক দেবো! আশে পাশে অন্য কেউ নাই তো??
        আপু আপনি কিছু একটা চাইলেই আর আমি দেবো না তা কি করে হয়??
        আপনাকেও লাভু আপু (3 (3 (3

  9. নাহ মন্তব্য এখন কিছুতেই নয়। মিহিদানা অক্ষর কোথায় পাবো এই পড়ন্ত বিকেলে? বিকেল যে তার চুলে খোঁপা বেঁধে গোধূলী লগ্নকে জড়াচ্ছে! ঠিক এ সময়ে কি বলবো এমন মায়া-ছড়ানো, রং-মাখানো ভোরকে? ভৈরবীরাগ কি ওঠাবে তানপুরা তার তারে? কিন্নরী কিশোরী কি সেই তানের টানে আসবে ছুটে? কি জানি! তাইতো পারছিনা মন্তব্য করতে এখন।
    সন্ধ্যে নামুক গোধূলী খোঁপা খুলে, তখন থেকে শুরু হবে অপেক্ষা ভোরের। সেই অপেক্ষার সময় ফিরে আসবো শুন্য আপু তোমার ভোরকে ছুঁতে। -{@ (3

    1. কথার যাদুতেই বশ করে দিওনা গো। বাঘে ছুলে আঠারো ঘা, আর তুমি ছুলে ;?
      চুলের খোঁপায় গোধুলী লগ্ন জড়ানো, বাঃ। তাইতো বলি ভোর কেন এত ছটফটে। চুল এবার বড় করেই ছাড়বো, খোঁপা বানাবোই। যেমন মিষ্টি তুমি, তেমন মিষ্টি তোমার মন্তব্য। (3 -{@

      1. এ কিন্তু ঠিক নয়। কথার জালে কে যে জড়ায় আমায়, সে তো দেখছি।
        আমায় কিছু সুন্দর কথা ধার দেবে? আমি ভোরের অক্ষর দিয়ে মালা গেঁথে তোমায় পড়াতাম! -{@ (3

        1. আপু তুমি কোথায়? খুব মিস করছি। এ সময় তো তুমি থাকো। আসিনি না, সপ্তাহের বৃহস্পতি-শুক্র-শনি মরার সময়ও থাকেনা। বাসায় ফিরে মনে হয় সোজা শুয়ে পড়তে। কিন্তু তাও পারিনা। তবে চেষ্টা করি বাসে বসে পড়ার। কপাল এমন যে বাসেও জায়গা পাইনা, ঝুলে ঝুলে পড়ি। মাঝে-মধ্যে ওই বাদুর ঝোলা হয়ে মন্তব্যও করি গো আপু। 🙁

          ও আপুউউউউউউউউউ আসোওওওওওওওওও -{@ (3

        2. 🙂 বাদুর ঝোলা হয়ে তুমি মন্তব্য করছো, এ আমি দেখতে পাচ্ছি। কোনদিন বাসস্টপ মিস করোনিতো? 🙂
          আমার আসা-যাবার টাইম টেবিল আগের মত নেই আপু। এই-ই ভালো। তুমি এসে আমাকে কু–ক দেবে, আমি এসে তোমাকে। ঠিকআছে? 🙂
          বৃহস্পতি-শুক্র-শনি কেন বাকিদিনগুলোতেও তোমাকে মরতে দিচ্ছিনা, হুম। -{@ (3

        3. বাহ তুমি দেখতে পারছো? কিভাবে? তার মানে সিটে বসে আছো? এটা কিন্তু ঠিক না। 🙁
          আর বাসস্টপ মিস করিনি মানে!!! হিসেব করলে খবরই হবে। :p
          তবে সোনেলাকে দোষ দেবোনা, গানকেও দোষী সাব্যস্ত করতে হয়। বুঝেছো?
          আরে মরবে তো আমার শত্রু। যদিও শত্রু নেই। :p
          তার মানে আবার মিস করার শাস্তি দিয়েই যাবে? 🙁 ;(

        4. সিটে কি গো, তোমার বাস আমি ড্রাইভ করছি, এইবার দেখো কোন শুন্যালয়ে নিয়ে যাই তোমাকে। গান আর সোনেলা তোমার বাসস্টপ মিস করিয়ে দিচ্ছে, হি হি, তুমি এখন প্রেম করলে নির্ঘাত ব্রেক আপ হবে দুদিন অন্তর অন্তর, বলবে হয় সোনেলা আর গান ছাড়ো নয় আমাকে। আর জানিতো তুমি কোনটা ছাড়বে, শুন্য আছেনা এখানে 🙂
          ধরা পড়েই গেছ আপু, শাস্তি তো তোমাকে পেতেই হবে, দেখোনা পাখিকে বন্দী করি আমরা সেতো ভালোবাসি বলেই।
          ঈদ শেষ, বাঁচলাম। তবে খারাপ লাগেনা এখানে। সত্যি বলতে দেশে এতো ভালো করতে পারতাম না কখনো। এখানে সবার বাসায় যাওয়া, সবাই আসা, কিভাবে যেন দিনটা চলে যায়, ভালোই লাগে, শুধু যদি আলাদীনের জ্বীনি আমার রান্নাবান্না গুলো করে দিতো 🙁
          সপ্তাহ থেকে বৃহস্পতি, শুক্র আর শনিবার বাদ দিয়ে দেয়া যায়না? 🙁

  10. ” আমি? ১৪৪ কিংবা ২০০ কিংবা আরো শত শত ধারায় প্রতিবাদী হয়ে স্লোগানে স্লোগানে সব লেখা থেকে মুছে গিয়ে শুধু শুন্যের ভোর হতে চাই। ”
    আপনি ফর্মে আছেন। কচি খুকির আবেগ ভর করেছে। কিপ ইট আপ দিদি। 🙂

  11. বিকেল হতে হতে নেমে আসুক জাহাজডুবি কোন সন্ধ্যা, হাত ধরে পার হতে চাওয়া একটি ব্যস্ত রাস্তা,
    ভেজিটেবল স্যান্ডউইচ, চায়ের কাপে টুংটাং শব্দ,ওম নিতে চাওয়া এঁটেল কাঁদামাটির,বৃষ্টিকণা……… কেমন এক ঘোর লাগা অনুভূতিতে আচ্ছন্ন হয়ে গেলাম আপু।
    এত আবেগ দিয়ে কিভাবে লেখেন জানিনা।সারাক্ষণ ভালো থাকুন।আর আমার জন্য দোয়া করবেন,কিছু একটা হারিয়ে ফেলেছি আমি।

    1. বলেন কি, তাহলে তো লেখা নিয়ে আর মন্তব্য করা হবেনা 🙂 তবে যা বলার বলেছেন। ভাবনারা এলোমেলোই সুন্দর, কি বলেন? ধন্যবাদ দিচ্ছি অরণ্য।

      1. “ভাবনারা এলোমেলোই সুন্দর” – ঠিক। (y)
        আপনার এলেমেলো চুলে আপনি যে সুন্দর, সেই সৌন্দর্যের কাছে আপনার বিউটি পার্লারের সাজানো আপনি কিন্তু অনেক ম্লান! 🙂

        1. আপু ভাগ্যের উপর তো কারর হাত নাই তাও আপনি না এলে আর কোন দিন আমি পাহাড়পুর যাবো না,সবুজ কালার শাড়ি পরবো না, নীল কালার ছাতা হাত দিয়ে ধরবো না। থাকেন আপনি ও দেশে পরে থাকেন। 🙁

        2. এই মেয়েটা বলে কি রে! পাগলি একদিনের জন্য দেশে এলেও তোর সাথে দেখা হবে আমার, আমি জানি এটা। আগামী বছর আসবো মার্চ/এপ্রিলের দিকে, তবে বলতে চাইনা, কারন যদি সেসময় না পারি, কষ্ট পাবিতো। তোর মন্তব্য পড়ে এখনই তোকে সবুজ শাড়ি আর নীল ছাতা হাতে দেখতে ইচ্ছে করছে। পিচ্চি লাভু, এতো পছন্দ করিস কেনো? আমি পঁচা তো। ভালো থাকিস সবসসময়।

        3. আমি তো ভেবেছিলাম কোন এক বছর মার্চ / এপ্রিল বলবেন। যাক বাবা আর মাত্র কয়েকটা মাস ব্যাস। আমি আপনাকে ভালোবাসি কে বলছে?? আর আমি খুব ভালো সেটাই বা কেনো ভাবছেন। :p :p

  12. আমি চাই একটি দিনের বিকেল হোক আমার, বিকেল হই আমি। হতে হতে নেমে আসুক জাহাজডুবি কোন সন্ধ্যা। তোমার হাতধরে পার হতে চাই একটি ব্যস্ত রাস্তা।
    তোমার জন্যে চায়ের কাপে টুংটাং শব্দ, সেও হতে চাই।
    একটি দিন সব কথা বিজ্ঞাপনীয় হারানো বিজ্ঞপ্তির মতো হারিয়ে ফেলে তোমার হতে চাই

    অদ্ভুত সুন্দর চাওয়া গুলো 🙂

মন্তব্য করুন