প্রমাথিনী মেঘ

অশ্বত্থের মতো প্রতীক্ষায় থাকি, অনড় বিশ্বাসে, বিপন্ন বিষণ্ণতার ভীষন পিছুডাক আমাকে ঘিরে ধরে ঘিরে রাখে। প্রমাথিনী, বিষাদী আকাশ, রোদের ভ্রুকুটি, কুচক্রী বাতাসের কোলে এ কোন সুখের অসুখ? বাসা বাঁধো উৎপাতহীন সবুজে, পিপীপিকা জীবনের ধিঙ্গীপনা ছেড়ে; গোঁয়ার্তুমির দিন শেষেও ‘না’ ‘না’ এর চাষ করে আর কত কাল? রাতবিরেতের নিশি ডাক শুনতে কি পাও?

রাত্রি এসে কড়া নেড়ে জানান দেয় ঘুমের, যাও, বুদ্ধির ঢেঁকি ফেলে ঠায় দাড়িয়ে থাকো। বিদ্যুৎ চমকের কার্নিভালে শব্দেরা আড়ি পাতে, সূর্য্যি উঁকি দেয় কুমতলবে। জলবন্দি মেঘ, নয় দোটানায় কিংবা সাত বা আট/ন’টানায় ও নয়, বাতাসের অবিরত কোলাহল রোদের আঁচে অন্তঃসার শূন্যতায় ভাসা ধীর-চঞ্চল মেঘ, কারুকাজময় কাঠগোলাপ বর্ষায় সেতারের সুর তুলে কী লাভ!

সাঁকো পেরুলেই মুগ্ধতার নকশীকাঁথার মায়াবী ঘ্রাণ,
করুণাময় শান্ত মৃত্তিকা।
মেহজাবিন, ত্রিভুবনে মনোভূমে নেই কেউ,
চাতক অপেক্ষায় আমি ছাড়া।

মোট পড়েছেনঃ ৬১৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪০টি মন্তব্য

  1. এতো কঠিন করে কেনো লেখেন?..কয়েকবার করে না পড়লে আপনার লেখা আমি বুঝতে পারি না(অবশ্যই সব লেখা না)………..আমার মতো বোকা পাঠকের জন্য আর একটু সহজ করে লিখা যায় না?……………

  2. কুচক্রী বাতাস কিনা জানিনা, তবে লেখক অবশ্যই। কতো করে বলেছি লিস্ট করে অর্থ লিখে দিবেন। আগে থেকে জেনে এসেছি মেঘ দেখে তুই করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য্য হাসে, আর এখন কে এক মেহজাবীন এসে সূর্য্যকেই কুমতলবি বানিয়ে দিলো!!! হয় হয়, প্রেমে পরলে এমনই হয়।
    এটা এখন “না” এর চাষের সিজন চলছে, অপেক্ষা করুন “হ্যাঁ” এর চাষের সিজন এলো বলে।
    পণ করেছেন, লেখা অনেকবার করে পড়িয়ে ছাড়বেন?

    1. প্রমাথিনী- ধ্বংসকারী।
      আর কোন শব্দ কিন্তু পাচ্ছি না।
      আপনি ঠিকই বলেছেন লুলুভুলু হলে এমনি হয়। আপনি এসব বুঝবেন না। ভুতুড়ে ব্যাপার-স্যাপার।
      ‘হ্যাঁ’ এর সময় আরও বিপদের সম্ভবনা আছে। ভুতুড়ে ব্যাপার বলে কথা। এ সামান্য লেখা আপনার
      অনেকবার পড়ার কথা নয়।

      1. হুম আর কোন শব্দ নেই, তবে চেনা শব্দের সাথে চেনা মিলিয়ে নতুন শব্দ বানিয়েছেন কয়েকটা। সাত-আট-ন’টানা, না এর চাষ, ঘিরে ধরে ঘিরে রাখা, এমনি। ভূতের ব্যাপার স্যাপার আপনারই বোঝার কথা। তবে এমনি করে মেরে ফেলা!! লেখক বলে যা ইচ্ছে তা করা ঠিক না। সামান্য পাঠকের কাছে এ লেখা অসামান্যই বোধ হচ্ছে।

        1. নকল-ফকল করে শব্দ লিখি, শুধু তাই নয় ‘করুণাময় শান্ত মৃত্তিকা’ এই লাইনটি
          পর্যন্ত জীবনান্দ দাশের কেন একটি কবিতার লাইন, খুব পছন্দের কটি শব্দ, তাই
          তুলে রেখেছিলাম। এ লেখাটির সময় মনে পড়ায় তুলে দিয়েছি হুবহু, যদিও অন্য ভাবেও
          লিখতে পারতাম। ভুতের গল্প লিখতে হলে না মেরে উপায় ছিল না।
          আপনি সামান্য পাঠক নন কোন ভাবেই।

      1. আমার ভুল হয়েছিল ছাইরাছ ভাই, কমেন্টে জিসান ভাইয়ের দ্বিতীয় লাইনটা বাদে আমি উনার সাথে একমত এটা বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সম্পাদনা করতে না পেরে আর বদল করতে পারিনি কমেন্টটা। আশা করি মনে কিছু করবেননা। তবে আপনার কবিতায় আমি কেন্তু মেহজাবিন-এরই নাম খুঁজি। এটা না থাকলে ভাল লাগেনা।

        আর আমি আগেকারই আজিম। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়ার কারনে তা পূনরুদ্ধার করতে না পেরে আবার এই নামে লগিন করলাম। আপনারই দেওয়া বোধহয় নামটা। ফাইভ ও ফাইভ আমার ইন্টারের রোলনম্বর।

        1. আচ্ছা ,বুঝলাম,
          মেহজাবিন কাল্পনিক চরিত্র, হঠাৎ পাওয়া আবার হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া উপাখ্যান।
          সিরিজটি শেষের পথে। জানিনা আরও লেখা বা টেনে নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে কিনা।
          যদিও মাথায় কয়েকটি প্লট আছে।
          ফেবুর গ্রুপে জানালে মডুদের অনুরোধ জানালে হয়ত ঠিক করে দিত।
          তবে নূতন নামটি যে আমার পছন্দ হয়েছে। এখন আপনি ই সিদ্ধান্ত নিন।

  3. হেলাল ভাই আপনি মেহজাবিন আটকিয়ে গেলেন তো আপনার কয়েকটি লেখায় এই হাহাহাকার কেন ভাই?
    এত জটিল শব্দভান্ডার আপনার পড়তে গেলেত দাত ভেঙ্গে যায় যায় অবস্থা।
    ভাল লেগেছে।
    শুভেচ্ছা অবিরত।

  4. দোটানার সাথে সাথে আবার সাত/আট/ন’টানাও আছে? 😮 শব্দবানানো তে আপনাকে সিদ্ধহস্ত মনে হচ্ছে।
    মেহজাবিন, ত্রিভুবনে মনোভূমে নেই কেউ,
    চাতক অপেক্ষায় আমি ছাড়া……… বড্ড বেশি হাহাকার এই দু’লাইনে। আমি কিন্তু আপনার ফ্যান ভাইয়া, খুঁজে খুঁজে আপনার লেখা পড়ি কিংবা আপনি পড়িয়ে নেন…………

    1. প্রায় টুকলি শব্দ বলতে পারেন, শব্দ বানানো কঠিন কাজ। সে যোগ্যতা নেই।
      আরে বুঝছেন না কেন!! এ তো ট্রাজেডি, এ সব উগ্রে না দিলে হবে কী করে।
      ভাই এ অলেখকের ফ্যান আর কাউকে বলবেন না যেন প্লিজ লাগে। আপনার কিন্তু খুপ শরমিন্দা হবে।
      সে আমি চাইতে পারিনা। তবে আপনি মন দিয়ে পড়েন তা বুঝতে পারি।
      আপনার লেখা চাই।

      1. আমিতো আপনার ভয়ে লেখাই ছেড়ে দিয়েছি। বলেছেন একদিন, আমি নাকি এতদিন লুতুপুতু টাইপ লিখেছি।দুক্ষুতে লেখাই ভুলে গেছি 🙂 শরমিন্দাতে ডরায় না বীর………

        1. এখানে তো লুলুভুলু লেখক ও আছে, তাই লুতুপুতু ল্যাক্লে সমস্যা নেই।
          তবে ল্যাকা ভুলে গিয়ে এখন যা লিখছেন তাতে লেখা ভুলে গিয়ে ভালো করেছেন।

  5. ও মেহজাবিন মেঘ,
    নেমে এসো মাটির বুকে।
    রাত্রি এসে শয্যা পাতার আগেই—
    দিনের চাতক কবিতায় সাজাবে তোমায়।

    কবিতার কথা নতূন করে কি বলবো? (y) (y)

  6. 🙂 আমি বলবো ভালো হয়েছে লেখাটা। অনেকে হইতো মনে করতাছে লেখাটা প্রাঞ্জল হয়নি, কিন্তি সাহিত্য আর গদবাধা কমেডি ভিন্ন কথা। সব পাঠক ওই পরর্যায়ের হবেনা। আর সব কিছুর সাধ সবার জন্য না। -{@

মন্তব্য করুন