কোন এক রাতে যখন তুমি আর আমি নিজেদের মাঝে একটা কৃত্রিম দূরত্ব বজায় রেখে পাশাপাশি হাঁটছি তখন যদি হঠাৎ করে শহরের সব বাতি গুলো নিভে যায়? রাজ্যের যত অন্ধকার আছে সব যদি আমাদের গ্রাস করে নেয়? আমি ভয়ে সামান্য একটু তোমার কাছে এগিয়ে দুজনের মাঝের কৃত্রিম দূরত্বটা দূর করে দেই? কোন কৃত্রিম আলো নয় শুধু চাঁদের হালকা আলোয় তোমার মুখটা দেখা যায়? যদি সেই আলোয় নেশা নেশা লাগে? আমি আমার ডান হাতের মধ্যে তোমার বাম হাতের কোন এক আঙ্গুল নিয়ে আনমনে হাটতে থাকি? কোন ভয় নেই,নেই কোন ক্লান্তি, রাস্তার কোন শেষ নেই,কোন গন্তব্য নেই শুধু বিরামহীন হেটে চলি? চাঁদের আলোয় আমাদের ছায়া যুগল নিজেদের সাথে খুনসুটি করে?
তুমি কি আমায় অভয় দিয়ে দূরত্ব মিটিয়ে নিতে দেবে?না কি তুমি আমায় নির্লজ্জ বলবে? এমন ইচ্ছা কে বড় মানুষের কথা বলে হেসেই উড়িয়ে দেবে?তবে কি আমি বড্ড ছোট? ছোটরা বুঝি অন্ধকারে হাটতে পারে না? তাদের বুঝি প্রিয় কেউ থাকতে নেই?তাদের বুঝি প্রিয় মানুষকে ভালোবাসতে নেই?
** এই মুহূর্তে চাঁদ দেখতে দেখতে লেখাটা লিখলাম।

হু মন্দ না ভাবনাটা । এমন করে কেউ একান্ত কাছে থাকবে, একান্তে হাত ধরাধরি; প্রকিতির নিবিড় সান্যিধ্যে ! এখানেত বিভেদ থাকার কথা নয় । বিভেদ থাকলে সে আর একান্ত জন হয় কি ?
ঠিক তো বিভেদ থাকলে একান্ত জন হয় কি করে?
ধন্যবাদ আপু। 🙂
দিন দিন বিভিন্ন অবস্থা এবং বিষয়কে লেখার মাঝে এনে ফেলছো
এটি তোমার লেখাগুলোর একটি ভাল দিক
লিখতে থাকো যখন যা মনে আসবে।
ভাল লিখেছো তাজ।
হুম যা মনে আসে তাই লিখে ফেলি।
ভিন্ন অবস্থা বা বিষয় কিন্তু খেয়াল করি নি।
ধন্যবাদ। 🙂
(y) (y) (y)
(y) (y) (y) ???
🙂 🙂 🙂
-{@ -{@ -{@
এমন রোমান্টিক সময়ে নির্লজ্জ ভাবলে খবর করে দেব না তার?তার নাম বাতিলের খাতায় চলে যাবে।খুবই ভালো লিখেছ তাজ।
বাতিলের খাতায় চলে গেলে অন্ধককারে আমর সাথে হাটবে কে?
থাংকু আপু। 🙂
বেশ রোমান্টিক তো। মনের কথায় ভালোলাগা রেখে গেলাম।
চলে গেলে হবে না, তারাতারি ঘুরে আসুন।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
নির্লজ্জ ভাবার প্রশ্নই উঠে না, বরং তার জন্য আরো ভালোই হবে :p
সত্যি কি? আপনি কি প্র্যাকটিক্যালি সাক্ষী??? :p
প্র্যাকটিক্যালি সাক্ষী না—তবে পাশে একটা সুন্দরী মেয়ে থাকলে সেও নিশ্চয় তোমার মতো করেই মনে মনে অনেক কিছু ভাববে…এটাই তো স্বাভাবিক 🙂
আহা! বড় মানুষদের ছেলেমানুষি ইচ্ছে জাগে আর ছোট মানুষদের বুঝি বড়দের ইচ্ছে জাগতে পারেনা? এই চাঁদের আলো কিন্তু অন্ধকারের চাইতেও ভয়ংকর, সাবধানে থেকো।
বাচ্চা মেয়েটা লেখায় বেশ পাকা হয়ে গেছে। 🙂
কার থেকে সাবধান হবো আপু? ভালবাসার তার কাছে।? উমহু পারবো না। :p
লজ্জা পাইলাম আপু। আমি কি বাচ্চা???
নিজের কাছ থেকে সাবধানে থেকো 🙂
তুমি হচ্ছো সোনেলার বাচ্চা ভূত 🙂
আচ্ছা বাচ্চা ভুত আপনার কথা শোনার চেষ্টা করবে।
দেখবে পারে কি না। 🙂
আপনি তো নন্দিনী আপু কে ও ছাড়ায়ে গেলেন! উনি তো তাও পিচ্চি ডাকেন,আপনি সরাসরি বাচ্চা”। ভ্যাঁ……
এইখানে প্রযোজ্য কোন থিউরি নাই? ;?
আর থিউরি! আপনারা তো ডিসিশন নিয়েই ফেলছে না। 🙁
ভালোবাসার জন্য আবার বয়সের সীমারেখা আছে? আবেগ-অনুভূতির গভীরতা। আর লাগে মনের পরিপক্কতা। এটা লাগে কারণ প্রতারণা থেকে বাঁচতে।
আমি তো ৯০ বছর বয়সে গিয়ে প্রেম করবো :p ভেবে রেখেছি। (3
😮 এখন তাহলে হচ্ছে কি? ৯০ কেনো পছন্দ হলো?? আগে বা পরে নয় কেন? :p
অনুভূতির সুন্দর প্রকাশ, সচ্ছন্দে চলুক এই লেখা।
ছবি সংযুক্তিটি আরও সুন্দর হয়েছে।
চলবে.. …
অনেক ধন্যবাদ….
খুব সুন্দর!
ধন্যবাদ…..
এমন অপার্থিব চাঁদের আলোভরা রাতে যে এসব ইচ্ছেকে পাত্তা না দিয়ে হেসে উড়িয়ে দেয় সে বেরসিক, ভিন গ্রহের বাসিন্দা।
প্রেমে বয়স বিবেচ্য নয়, দুজনের মিলিত ইচ্ছের বহিঃপ্রকাশটাই মূল বিবেচ্য।
বি: দ্র: পিচ্চি দেখি আজকাল বেশ পাকনা লেখা লিখছে! 😮
আহা কান জুড়ে গেলো। পিচ্চি ডাক কতদিন শুনি না আহা আহা। ^:^
এত্তোগুলা লাভু নন্দিনী আপু।
আপনি যতবার আমায় পিচ্চি ডাকবেন আমি ততবার আপনাকে লাভু বলবো। দেখি গান্দীজি থিউরি কাজ দেয় কি না। 😀
গান্ধীজী থিউরির ধার ধারিনা। পিচ্চিরে আমি পিচ্চিই কমু। :p
🙁 লাভু নন্দিনী আপু।
কোন প্রশ্ন নেই……উত্তর কেবল প্রান খুলে ভালবেসে যাও ভালবাসা দাও।আমি আশা বাদী এক দিন এই কলম ইতিহাস হবে।শুভ কামনা নিরন্তর। -{@ -{@ -{@
ভাইয়া এতো অনেক বড় কথা।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। -{@
আমি একবার নিঝুম দ্বীপে ছিলাম খোলা মাঠে বিশাল চাঁদের নিচে, সামনেই ছিল সাগরের ঢেউ। আমি বসে ছিলাম বিশাল এক অগ্নি কুণ্ডের সমনে।
দ্বীপ, চাঁদ, মাঠ,ঢেউ,আগুন। হুম জটিল।
যাক ধন্যবাদ।