মিটমিট করে জ্বলত থাকা সুদূরের কোন এক সূর্যের বুকে আজ ঘুনে ধরেছে।
ইট পাটকেলের মতো ভগ্নাংশগুলো এদিক সেদিক ছোটাছুটি বাদ দিয়ে এখন এক হতে চায় গোড়ায়,
সুদূরের সেই মিটমিটে সূর্যের জেগে থাকা চাঁদ আজ বিচ্ছিন্নভাবে ঝুলছে রাহুগ্রস্থ কপালকুন্ডলার মতো।
টিকটিক করে সময় জানান দিচ্ছে সেই সূর্যকে-ফিনিক্স হওয়ার সময় ঘনিয়েছে।
তারপর?
তীব্র আবেগে সেই মিটমিটে সূর্য তার স্বত্বার সবকিছুকে এক লহমায় টেনে নিয়ে উগরে দেয় অস্তিত্বের শেষ বিন্দুটিকেও।
চাঁদকে চেনা যায় না,
এক আলোক ফোয়ারায় পরিণত ইট পাটকেলের খন্ডগুলো এখন মূল্যবান মিহিকণাতে ছুটছে ফিনিক্সের অগ্নিবাহু হয়ে,
সেই মিটমিটে সূর্য হারিয়েছে আমাকে জন্ম দিতে গিয়ে; মিশে গিয়েছে অস্তিত্বহীন অস্তিত্বের মাঝে।
মোট পড়েছেনঃ ৬৩৬জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
সৃষ্টিকে জানলাম 🙂 -{@ (y)
😀
ইট পাটকেল ও মুল্যবান হয় জানলাম, ভাল হয়েছে ভাইয়া
সৃষ্টির কোন কিছুই ফেলনা নয় 😀 ধন্যবাদ ভাইয়া
তা না হলে কি আর আমার মন্তব্যের জবাব আসে? আমার মন্তব্য ও মূল্যবান :p
হিহিহিহিহিহি :D)
আপনি তাহলে ফিনিক্স?
ব্যতিক্রমী হয় আপনার লেখাগুলো। একদম ভিন্ন কিছুর স্বাদ।
না না… আমি, আমরা সবাই ফিনিক্স পাখীর চোখের জল… 😀
ইয়ে, মানে আমি আসলে স্থির না লেখায়… তাই একই রকম বা একই ধাঁচের কিছু নিয়মিতো লেখা হয় না। পারি না আর কি… আর নিজের কাছেও ভালো লাগে না একই চিন্তা করতে 😛
ব্যতিক্রমী লেখাা –মন ভরে গেল
ধন্যবাদ আপু ^_^
টিকটিক করে সময় জানান দিচ্ছে সেই সূর্যকে-ফিনিক্স হওয়ার সময় ঘনিয়েছে (y) অনেক ভালো লাগা জানালাম।
থ্যাঙ্কু আপু 😀
একতুচিন্তা করে বুঝতে হচ্ছে। কথিন আবার সাবলিল। ভাল লাগল।
😛 থ্যাঙ্কু ভাই
কবিতার লাইনগুলো বেশ পড়তে বেশ দুম থাকতে হবে।ভাল লাগা দিয়ে গেলাম।সৃষ্টির সব কিছু প্রয়োজনীয়।
থ্যাঙ্কিয়ু মনির ভাইয়া 😀
সূর্য আর ফিনিক্স — চিন্তার বিষয়, হুম!!
😀 😀
কবে যে কবিতা বুঝুম আমি ? 🙁
😛 আমি নিজেই বুঝিনা 😛
ভালো লিখেছেন ভাই।
ধন্যবাদ ভাই 🙂
আমায় শিখাবেন ?
কী?!
কবিতা লেখা 🙂
হিহিহিহি… আমি নিজেই তো লিখতে পারি না… 😀
তবে নিজে যা লিখি তা নিজে আবৃত্তি করার ঢং এ লিখি… এরপরে যা হয়। আর হ্যাঁ, লাইনব্রেকটুকু নিজের আস্থার উপরে করে নিলেই হয়। বাকিরা জানেন কিভাবে কবিতা লিখতে হয়। অন্তত আমি জানি না 😀